১১:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব: বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধান অতিথি তারেক রহমান সবার অংশগ্রহণে সহাবস্থানের একটি কাঙ্খিত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে দেশকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য ও সমৃদ্ধিতে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি একাত্তরের রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

তারেক রহমান উদাহরণ টেনে বলেন, যারা অতীতের সঙ্গে আবদ্ধ থেকে যায় তারা একচোখ আবদ্ধ, আর যারা অতীত ভুলে যায় তারা দুই চোখের অন্ধ। তিনি সতর্ক করেন যে অতীতকে বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন করলে ভবিষ্যতের পথে অগ্রগতি বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে। বিশেষ করে বিগত কোনো ফ্যাসিস্ট শাসন অতীতকে অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপন করেছে—এই কারণে সঠিক ইতিহাসচর্চা অপরিহার্য।

তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধই জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ ইতিহাস এবং এটির গৌরব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে সঞ্চারিত থাকতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করে এমন কোনো মন্তব্য মানুষ করা উচিত নয়।

অনুষ্ঠানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধের একজন অনন্য চরিত্র হিসেবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, জিয়ার মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে দীর্ঘ প্রস্তুতি ছিল। ১৯৭২ ও ১৯৭৪ সালে দৈনিক বাংলা ও সাপ্তাহিক বিচিত্রায় তার লেখা নিবন্ধে সেই প্রস্তুতির নমুনা পাওয়া যায়, এবং তখনকার লেখাগুলোতে কখনো আপত্তি তোলা হয়নি।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। সভাপতিত্ব করেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৈঠকে বক্তব্য রাখেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, অর্থনীতিবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

আলোচনা সভার শুরুতে বিকেল আড়াইটার দিকে জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও সুনামধন্য ব্যক্তিত্বরা অংশ নিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস তুলে ধরেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব: বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান

প্রকাশিতঃ ০২:২৬:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধান অতিথি তারেক রহমান সবার অংশগ্রহণে সহাবস্থানের একটি কাঙ্খিত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে দেশকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য ও সমৃদ্ধিতে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি একাত্তরের রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

তারেক রহমান উদাহরণ টেনে বলেন, যারা অতীতের সঙ্গে আবদ্ধ থেকে যায় তারা একচোখ আবদ্ধ, আর যারা অতীত ভুলে যায় তারা দুই চোখের অন্ধ। তিনি সতর্ক করেন যে অতীতকে বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন করলে ভবিষ্যতের পথে অগ্রগতি বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে। বিশেষ করে বিগত কোনো ফ্যাসিস্ট শাসন অতীতকে অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপন করেছে—এই কারণে সঠিক ইতিহাসচর্চা অপরিহার্য।

তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধই জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ ইতিহাস এবং এটির গৌরব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে সঞ্চারিত থাকতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করে এমন কোনো মন্তব্য মানুষ করা উচিত নয়।

অনুষ্ঠানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধের একজন অনন্য চরিত্র হিসেবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, জিয়ার মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে দীর্ঘ প্রস্তুতি ছিল। ১৯৭২ ও ১৯৭৪ সালে দৈনিক বাংলা ও সাপ্তাহিক বিচিত্রায় তার লেখা নিবন্ধে সেই প্রস্তুতির নমুনা পাওয়া যায়, এবং তখনকার লেখাগুলোতে কখনো আপত্তি তোলা হয়নি।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। সভাপতিত্ব করেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৈঠকে বক্তব্য রাখেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, অর্থনীতিবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

আলোচনা সভার শুরুতে বিকেল আড়াইটার দিকে জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও সুনামধন্য ব্যক্তিত্বরা অংশ নিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস তুলে ধরেন।