০৩:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

জ্বালানি সংকটে ইস্টার্ন রিফাইনারির কার্যক্রম সাময়িক বন্ধের আশঙ্কা

অপরিশোধিত তেলের ঘাটতির কারণে চলতি মাসেই দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন জানিয়েছন যে, এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে অপরিশোধিত তেলের সংকট দেখা দিতে পারে। যদি নতুন চালান না পৌঁছায়, তেল পরিশোধনাগারকে কিছু সময়ের জন্য কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হতে পারে।

রিফাইনারিতে দেখা মজুদের হিসাব অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত মাত্র ২৩ হাজার টন ক্রুড অয়েল ছিল—যা সর্বোচ্চ সাত দিন পরিশোধন চালানোর সক্ষমতা রাখে। এই পরিস্থিতিতে আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যেই উৎপাদন স্থগিত হওয়া ঝুঁকির কথা বলা হচ্ছে।

দেশে সর্বশেষ অপরিশোধিত তেলের একটি জাহাজ ১৮ ফেব্রুয়ারি পৌঁছায়; এরপর থেকে আর নতুন চালান এসে পৌঁছায়নি। দুর্যোগের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা এবং বিশেষত হরমুজ প্রণালিতে সংঘটিত সংঘাত, যা তেল আমদানিতে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। ইরানকে কেন্দ্র করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা তখনকার জাহাজ চলাচলের ওপর প্রভাব ফেলছে।

তবে বর্তমানে তিনটি তেলবাহী জাহাজ দেশের পথে রয়েছে—তারা কখন পৌঁছাবে তা নিশ্চিত নয়। সাধারণত মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলাদেশে একটি জাহাজ পৌঁছাতে ১২–১৫ দিন সময় লাগে, তাই এসব চালান কবে কার্যকর হবে তা এখনও অনিশ্চিত।

এই জ্বালানি সংকট ইআরএলের উৎপাদন ও অভ্যন্তরীণ জ্বালানী সরবরাহে প্রভাব ফেলতে পারে, ফলে দ্রুত নতুন চালান আনাসহ সমাধান খুঁজে বের করা জরুরি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরিস্থিতির উন্নতি না হলে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি যোগানেও প্রভাব পড়তে পারে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

জ্বালানি সংকটে ইস্টার্ন রিফাইনারির কার্যক্রম সাময়িক বন্ধের আশঙ্কা

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

অপরিশোধিত তেলের ঘাটতির কারণে চলতি মাসেই দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন জানিয়েছন যে, এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে অপরিশোধিত তেলের সংকট দেখা দিতে পারে। যদি নতুন চালান না পৌঁছায়, তেল পরিশোধনাগারকে কিছু সময়ের জন্য কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হতে পারে।

রিফাইনারিতে দেখা মজুদের হিসাব অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত মাত্র ২৩ হাজার টন ক্রুড অয়েল ছিল—যা সর্বোচ্চ সাত দিন পরিশোধন চালানোর সক্ষমতা রাখে। এই পরিস্থিতিতে আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যেই উৎপাদন স্থগিত হওয়া ঝুঁকির কথা বলা হচ্ছে।

দেশে সর্বশেষ অপরিশোধিত তেলের একটি জাহাজ ১৮ ফেব্রুয়ারি পৌঁছায়; এরপর থেকে আর নতুন চালান এসে পৌঁছায়নি। দুর্যোগের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা এবং বিশেষত হরমুজ প্রণালিতে সংঘটিত সংঘাত, যা তেল আমদানিতে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। ইরানকে কেন্দ্র করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা তখনকার জাহাজ চলাচলের ওপর প্রভাব ফেলছে।

তবে বর্তমানে তিনটি তেলবাহী জাহাজ দেশের পথে রয়েছে—তারা কখন পৌঁছাবে তা নিশ্চিত নয়। সাধারণত মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলাদেশে একটি জাহাজ পৌঁছাতে ১২–১৫ দিন সময় লাগে, তাই এসব চালান কবে কার্যকর হবে তা এখনও অনিশ্চিত।

এই জ্বালানি সংকট ইআরএলের উৎপাদন ও অভ্যন্তরীণ জ্বালানী সরবরাহে প্রভাব ফেলতে পারে, ফলে দ্রুত নতুন চালান আনাসহ সমাধান খুঁজে বের করা জরুরি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরিস্থিতির উন্নতি না হলে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি যোগানেও প্রভাব পড়তে পারে।