০৯:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ঢাকার দুই সিটিতে টিকাদান সফল হলে হাম নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, এই দুই সিটিতে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী টিকা দেওয়া গেলে হাম রোগ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে।

রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সম্মেলন কক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় সরকার টিকাদান কার্যক্রম আরও বিস্তার করছে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে পরিকল্পনা অনুযায়ী টিকাদান সম্পন্ন হলে রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও সতর্ক করে বলেন, ‘‘পেছনে তাকালে দেখা যাবে ডেঙ্গুর প্রকোপ সামনের দিকে বৃদ্ধি পেতে পারে। সরকার ডেঙ্গু নিয়েও কাজ শুরু করেছে, তবে প্রতিরোধের মূল হাতিয়ার হলো জনসচেতনতা।’’

এদিকে রাজধানীর কড়াইলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত বলেন, ‘‘জরুরি ক্যাম্পেইন সফল করতে হলে এলাকার সব স্তরের মানুষকে নিয়ে সংযুক্তভাবে কাজ করতে হবে। প্রতিটি এলাকার সাংগঠনিক শক্তি কাজে লাগান। রাজনীতিকরাও এই উদ্যোগকে জনসেবার সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করে ঘরে ঘরে গিয়ে টিকাদান সম্পর্কে তথ্য দিন।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘৫৯ মাস পর্যন্ত বয়সী শিশুদের অবশ্যই টিকা দিতে হবে। একেকটি শিশুর টিকা নেওয়া মানেই পুরো সমস্যা মিটবে না — গোষ্ঠীর সবাইকে টিকাদান আল্পে আনলে সম্মিলিতভাবে রোগ রোধ করা সম্ভব হবে। আমাদের লক্ষ্য অন্তত ১০০ জনে ৯৫ জনকে টিকার আওতায় আনা, যাতে দু-চারজন বাদ গেলেও সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে না।’’

টিকাদান কর্মসূচির লম্বা চিত্রে বলা হয়েছে, গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় জরুরি টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। রোববার থেকে ঢাকাসহ চারটি সিটি করপোরেশন এলাকায় হাম-রুবেলার টিকাদান কার্যক্রমও চালু হয়েছে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে প্রায় ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী প্রায় ১২ লাখ ২০ হাজার শিশু টিকা পাবে।

কর্মসূচি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলবে। সারা দেশের পাশাপাশি গত উদ্যোগের পর ২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে টিকা কার্যক্রম শুরু করা হবে। কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের কাছে অনুরোধ জানিয়ে বলেছেন—আপনার শিশুকে নির্ধারিত সময় এবং কেন্দ্রেও নিয়ে এসে টিকা প্রদান নিশ্চিত করুন, এবং পরিবারের মধ্যে সচেতনতা ছড়িয়ে দিন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ঢাকার দুই সিটিতে টিকাদান সফল হলে হাম নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ১০:৪২:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, এই দুই সিটিতে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী টিকা দেওয়া গেলে হাম রোগ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে।

রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সম্মেলন কক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় সরকার টিকাদান কার্যক্রম আরও বিস্তার করছে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে পরিকল্পনা অনুযায়ী টিকাদান সম্পন্ন হলে রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও সতর্ক করে বলেন, ‘‘পেছনে তাকালে দেখা যাবে ডেঙ্গুর প্রকোপ সামনের দিকে বৃদ্ধি পেতে পারে। সরকার ডেঙ্গু নিয়েও কাজ শুরু করেছে, তবে প্রতিরোধের মূল হাতিয়ার হলো জনসচেতনতা।’’

এদিকে রাজধানীর কড়াইলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত বলেন, ‘‘জরুরি ক্যাম্পেইন সফল করতে হলে এলাকার সব স্তরের মানুষকে নিয়ে সংযুক্তভাবে কাজ করতে হবে। প্রতিটি এলাকার সাংগঠনিক শক্তি কাজে লাগান। রাজনীতিকরাও এই উদ্যোগকে জনসেবার সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করে ঘরে ঘরে গিয়ে টিকাদান সম্পর্কে তথ্য দিন।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘৫৯ মাস পর্যন্ত বয়সী শিশুদের অবশ্যই টিকা দিতে হবে। একেকটি শিশুর টিকা নেওয়া মানেই পুরো সমস্যা মিটবে না — গোষ্ঠীর সবাইকে টিকাদান আল্পে আনলে সম্মিলিতভাবে রোগ রোধ করা সম্ভব হবে। আমাদের লক্ষ্য অন্তত ১০০ জনে ৯৫ জনকে টিকার আওতায় আনা, যাতে দু-চারজন বাদ গেলেও সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে না।’’

টিকাদান কর্মসূচির লম্বা চিত্রে বলা হয়েছে, গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় জরুরি টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। রোববার থেকে ঢাকাসহ চারটি সিটি করপোরেশন এলাকায় হাম-রুবেলার টিকাদান কার্যক্রমও চালু হয়েছে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে প্রায় ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী প্রায় ১২ লাখ ২০ হাজার শিশু টিকা পাবে।

কর্মসূচি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলবে। সারা দেশের পাশাপাশি গত উদ্যোগের পর ২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে টিকা কার্যক্রম শুরু করা হবে। কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের কাছে অনুরোধ জানিয়ে বলেছেন—আপনার শিশুকে নির্ধারিত সময় এবং কেন্দ্রেও নিয়ে এসে টিকা প্রদান নিশ্চিত করুন, এবং পরিবারের মধ্যে সচেতনতা ছড়িয়ে দিন।