১২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

এআই চাহিদায় টিএসএমসির আয় রেকর্ডে

দুই হাজার ছাব্বিশ সালের প্রথম প্রান্তিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) চাহিদা বৃদ্ধির কারণে তাইওয়ানের সেমিকন্ডাক্টর নির্মাতা টিএসএমসি রেকর্ড আয় করেছে। জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত কোম্পানিটির আয় বছরান্তরে ৩৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে। এ তথ্য শুক্রবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। (সূত্র: আনাদোলু)

টিএসএমসির হিসাব অনুযায়ী চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে মোট আয় ছিল ১.১৩ ট্রিলিয়ন নিউ তাইওয়ান ডলার, যা প্রায় ৩ হাজার ৫৬০ কোটি মার্কিন ডলারের সমান। বাজার বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস ছিল এ আয় আনুমানিক ৩ হাজার ৫২০ কোটি ডলারের কাছাকাছি হবে।

মার্চ মাসে এককভাবে কোম্পানির পারফরম্যান্স ছিল আরও শক্তিশালী — গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ওই মাসে আয় বেড়েছে ৪৫.২ শতাংশ, যা প্রায় ১,৩১০ কোটি মার্কিন ডলারের সমতুল্য। বিশ্লেষকরারা বলছেন, উচ্চ প্রযুক্তির চিপ উৎপাদনে টিএসএমসির আধিপত্য আরও দৃঢ় হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিশ্বজুড়ে ডেটা সেন্টার ও এআই অবকাঠামোতে বিনিয়োগ বাড়ায় উন্নত সেমিকন্ডাক্টরের চাহিদা তীব্র হচ্ছে এবং তার বড় সুবিধাভোগীর মধ্যেই টিএসএমসি আছেন। অ্যাপল ও এনভিডিয়া সহ শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য উন্নত চিপ সরবরাহ করায় কোম্পানিটির ওপর নির্ভরতা বেড়েছে।

কোম্পানি সংশ্লিষ্টরা যোগ করেন, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা কিংবা সম্ভাব্য সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি সত্ত্বেও টিএসএমসির বৃদ্ধিতে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি; বরং উচ্চমানের সেমিকন্ডাক্টারের চাহিদাই তাদের অবস্থান আরও মজবুত করেছে।

উল্লেখ্য, টিএসএমসি নিয়মিত মাসভিত্তিক আয় প্রকাশ করলেও পূর্ণাঙ্গ নিট মুনাফার তথ্য সাধারণত পৃথক কোয়ার্টার রিপোর্টে দেওয়া হয়। কোম্পানির প্রথম প্রান্তিকের বিস্তারিত আর্থিক প্রতিবেদন ১৬ এপ্রিল প্রকাশিত হবে, যেখানে মুনাফা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যাবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

এআই চাহিদায় টিএসএমসির আয় রেকর্ডে

প্রকাশিতঃ ০২:২৫:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

দুই হাজার ছাব্বিশ সালের প্রথম প্রান্তিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) চাহিদা বৃদ্ধির কারণে তাইওয়ানের সেমিকন্ডাক্টর নির্মাতা টিএসএমসি রেকর্ড আয় করেছে। জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত কোম্পানিটির আয় বছরান্তরে ৩৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে। এ তথ্য শুক্রবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। (সূত্র: আনাদোলু)

টিএসএমসির হিসাব অনুযায়ী চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে মোট আয় ছিল ১.১৩ ট্রিলিয়ন নিউ তাইওয়ান ডলার, যা প্রায় ৩ হাজার ৫৬০ কোটি মার্কিন ডলারের সমান। বাজার বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস ছিল এ আয় আনুমানিক ৩ হাজার ৫২০ কোটি ডলারের কাছাকাছি হবে।

মার্চ মাসে এককভাবে কোম্পানির পারফরম্যান্স ছিল আরও শক্তিশালী — গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ওই মাসে আয় বেড়েছে ৪৫.২ শতাংশ, যা প্রায় ১,৩১০ কোটি মার্কিন ডলারের সমতুল্য। বিশ্লেষকরারা বলছেন, উচ্চ প্রযুক্তির চিপ উৎপাদনে টিএসএমসির আধিপত্য আরও দৃঢ় হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিশ্বজুড়ে ডেটা সেন্টার ও এআই অবকাঠামোতে বিনিয়োগ বাড়ায় উন্নত সেমিকন্ডাক্টরের চাহিদা তীব্র হচ্ছে এবং তার বড় সুবিধাভোগীর মধ্যেই টিএসএমসি আছেন। অ্যাপল ও এনভিডিয়া সহ শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য উন্নত চিপ সরবরাহ করায় কোম্পানিটির ওপর নির্ভরতা বেড়েছে।

কোম্পানি সংশ্লিষ্টরা যোগ করেন, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা কিংবা সম্ভাব্য সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি সত্ত্বেও টিএসএমসির বৃদ্ধিতে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি; বরং উচ্চমানের সেমিকন্ডাক্টারের চাহিদাই তাদের অবস্থান আরও মজবুত করেছে।

উল্লেখ্য, টিএসএমসি নিয়মিত মাসভিত্তিক আয় প্রকাশ করলেও পূর্ণাঙ্গ নিট মুনাফার তথ্য সাধারণত পৃথক কোয়ার্টার রিপোর্টে দেওয়া হয়। কোম্পানির প্রথম প্রান্তিকের বিস্তারিত আর্থিক প্রতিবেদন ১৬ এপ্রিল প্রকাশিত হবে, যেখানে মুনাফা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যাবে।