০৩:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

অস্কারের ‘রোমান্টিক ট্রাভেল’ তালিকায় শীর্ষে শাহরুখ–কাজলের ‘দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জাইঙ্গে’

বিশ্ব চলচ্চিত্রের মর্যাদাবান প্রতিষ্ঠান অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস—যা সাধারণভাবে অস্কার কমিটি নামে পরিচিত—সম্প্রতি তাদের নতুন এক তালিকায় স্থান দিয়েছে বলিউডের এক অমর ক্ল্যাসিককে: আদিত্য চোপড়ার পরিচালিত ‘দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জাইঙ্গে’ (১৯৯৫)। অ্যাকাডেমি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ঘরানার উপর ভিত্তি করে বাছাইকৃত তালিকা প্রকাশ করে; চলতি দেখো-টেমটেলে ‘রোমান্টিক ট্রাভেল’ ক্যাটাগরিতে এই ভারতীয় ছবিটি বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

১৯৯৫ সালে মুক্তির পর থেকেই ‘দিলওয়ালে…’ ভারতীয় চলচ্চিত্রের ধারাকে বদলে দিয়েছিল। রাজ ও সিমরান চরিত্রের প্রেমকাহিনি দর্শকদের মনে তড়িঘড়ি জায়গা করে নিয়েছে—একই সঙ্গে ছবিটির গান, পরিবেশ ও আবহ কাহিনীকে নস্টালজিয়ার এক মোহক আবরণের মধ্যে বেঁধে রেখেছে।

অ্যাকাডেমি তাদের পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেছে যে, ভ্রমণের পটভূমিতে গড়ে ওঠা প্রেমকাহিনিগুলোর মধ্যে এই সিনেমাটি সত্যিই অনন্য। বিশেষ করে ইউরোপীয় প্রাকৃতিক দৃশ্যের মাধুর্য্য আর ট্রেনভ্রমণের সেই স্মরণীয় মুহূর্তগুলো—পরিনতি হিসেবে পাঞ্জাবের সরষে ক্ষেতের আবেগঘন দৃশ্য—সবই মিলিয়ে ছবিটিকে একটি পরিপূর্ণ ‘রোমান্টিক ট্রাভেল’ অভিজ্ঞতায় পরিণত করেছে।

এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রধান অভিনেত্রী কাজল নিজে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁর ভেরিফায়েড হ্যান্ডেলে পোস্ট করা বার্তায় তিনি সিনেমাটির সঙ্গে জড়িত সবকর্তার প্রতি ধন্যবাদ জানান এবং উল্লেখ করেন, তিন দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ছবিটির আবেদন যেন একদম টাটকা রয়েছে।

চলচ্চিত্রবিশ্লেষকরা বলছেন, অ্যাকাডেমির মতো প্ল্যাটফর্মে কোনো ভারতীয় ছবির অন্তর্ভুক্তি বলিউডের শৈল্পিক গ্রহণযোগ্যতাকে আন্তর্জাতিকভাবে আরো শক্ত করে। ‘দিলওয়ালে…’ শুধু বাণিজ্যিক সফলতা নয়—এটি এমন একটি আবেগ, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ছড়িয়ে পড়েছে; এই স্বীকৃতি তার দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবের নতুন প্রমাণ মাত্র।

ঘোষণাটি প্রকাশের পর থেকেই শাহরুখ-কাজল ভক্তদের মধ্যে উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে; সামাজিক মাধ্যমে চলছে উৎসবের আমেজ। এই স্বীকৃতি আবারও মনে করিয়ে দিল যে ভালো গল্প, সুন্দর পরিবেশ ও আবেগ কখনও পুরোনো হয় না—এগুলো সময় পেরিয়েও মানুষকে ছুঁয়ে যায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

অস্কারের ‘রোমান্টিক ট্রাভেল’ তালিকায় শীর্ষে শাহরুখ–কাজলের ‘দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জাইঙ্গে’

প্রকাশিতঃ ০৭:২১:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্ব চলচ্চিত্রের মর্যাদাবান প্রতিষ্ঠান অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস—যা সাধারণভাবে অস্কার কমিটি নামে পরিচিত—সম্প্রতি তাদের নতুন এক তালিকায় স্থান দিয়েছে বলিউডের এক অমর ক্ল্যাসিককে: আদিত্য চোপড়ার পরিচালিত ‘দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জাইঙ্গে’ (১৯৯৫)। অ্যাকাডেমি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ঘরানার উপর ভিত্তি করে বাছাইকৃত তালিকা প্রকাশ করে; চলতি দেখো-টেমটেলে ‘রোমান্টিক ট্রাভেল’ ক্যাটাগরিতে এই ভারতীয় ছবিটি বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

১৯৯৫ সালে মুক্তির পর থেকেই ‘দিলওয়ালে…’ ভারতীয় চলচ্চিত্রের ধারাকে বদলে দিয়েছিল। রাজ ও সিমরান চরিত্রের প্রেমকাহিনি দর্শকদের মনে তড়িঘড়ি জায়গা করে নিয়েছে—একই সঙ্গে ছবিটির গান, পরিবেশ ও আবহ কাহিনীকে নস্টালজিয়ার এক মোহক আবরণের মধ্যে বেঁধে রেখেছে।

অ্যাকাডেমি তাদের পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেছে যে, ভ্রমণের পটভূমিতে গড়ে ওঠা প্রেমকাহিনিগুলোর মধ্যে এই সিনেমাটি সত্যিই অনন্য। বিশেষ করে ইউরোপীয় প্রাকৃতিক দৃশ্যের মাধুর্য্য আর ট্রেনভ্রমণের সেই স্মরণীয় মুহূর্তগুলো—পরিনতি হিসেবে পাঞ্জাবের সরষে ক্ষেতের আবেগঘন দৃশ্য—সবই মিলিয়ে ছবিটিকে একটি পরিপূর্ণ ‘রোমান্টিক ট্রাভেল’ অভিজ্ঞতায় পরিণত করেছে।

এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রধান অভিনেত্রী কাজল নিজে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁর ভেরিফায়েড হ্যান্ডেলে পোস্ট করা বার্তায় তিনি সিনেমাটির সঙ্গে জড়িত সবকর্তার প্রতি ধন্যবাদ জানান এবং উল্লেখ করেন, তিন দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ছবিটির আবেদন যেন একদম টাটকা রয়েছে।

চলচ্চিত্রবিশ্লেষকরা বলছেন, অ্যাকাডেমির মতো প্ল্যাটফর্মে কোনো ভারতীয় ছবির অন্তর্ভুক্তি বলিউডের শৈল্পিক গ্রহণযোগ্যতাকে আন্তর্জাতিকভাবে আরো শক্ত করে। ‘দিলওয়ালে…’ শুধু বাণিজ্যিক সফলতা নয়—এটি এমন একটি আবেগ, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ছড়িয়ে পড়েছে; এই স্বীকৃতি তার দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবের নতুন প্রমাণ মাত্র।

ঘোষণাটি প্রকাশের পর থেকেই শাহরুখ-কাজল ভক্তদের মধ্যে উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে; সামাজিক মাধ্যমে চলছে উৎসবের আমেজ। এই স্বীকৃতি আবারও মনে করিয়ে দিল যে ভালো গল্প, সুন্দর পরিবেশ ও আবেগ কখনও পুরোনো হয় না—এগুলো সময় পেরিয়েও মানুষকে ছুঁয়ে যায়।