১১:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

৭ নভেম্বর পুনরায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘোষণা

সরকার প্রতি বছর ৭ নভেম্বরকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি জানিয়েছেন।

বৈঠক শেষে রাতে সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি বলেন, ৭ নভেম্বরকে পূর্বের মতো জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই দিনটি ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে, তাই সরকারি ছুটি থাকবে। তিনি জানান, এ দিবসটি আগে পালন করা হতো, পরে প্রায় ১৬ বছর ধরে তা পালন করা হয়নি এবং এখন আবার এটাকে ফেরত আনা হচ্ছে।

ঐতিহাসিকভাবে, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর জিয়াউর রহমান সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন। এরপর মুক্তিযুদ্ধের সাবেক এক সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে সেনাশুধার প্রয়াসে জিয়াউর রহমান গৃহবন্দি হন।

তারপর ৭ নভেম্বরে কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে একটি পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটে, যার ফলে জিয়াউর রহমান আটকাবস্থা থেকে মুক্ত হন এবং ক্ষমতার মূলকেন্দ্রে উঠে আসেন। বিএনপি ঐ দিনটিকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করে এসেছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এ দিবসটি পালন না করা হয়েছিল। এবার মন্ত্রিসভা পুনরায় দিবসটি সরকারি ছুটিসহ পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

৭ নভেম্বর পুনরায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘোষণা

প্রকাশিতঃ ০৭:২৭:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

সরকার প্রতি বছর ৭ নভেম্বরকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি জানিয়েছেন।

বৈঠক শেষে রাতে সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি বলেন, ৭ নভেম্বরকে পূর্বের মতো জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই দিনটি ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে, তাই সরকারি ছুটি থাকবে। তিনি জানান, এ দিবসটি আগে পালন করা হতো, পরে প্রায় ১৬ বছর ধরে তা পালন করা হয়নি এবং এখন আবার এটাকে ফেরত আনা হচ্ছে।

ঐতিহাসিকভাবে, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর জিয়াউর রহমান সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন। এরপর মুক্তিযুদ্ধের সাবেক এক সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে সেনাশুধার প্রয়াসে জিয়াউর রহমান গৃহবন্দি হন।

তারপর ৭ নভেম্বরে কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে একটি পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটে, যার ফলে জিয়াউর রহমান আটকাবস্থা থেকে মুক্ত হন এবং ক্ষমতার মূলকেন্দ্রে উঠে আসেন। বিএনপি ঐ দিনটিকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করে এসেছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এ দিবসটি পালন না করা হয়েছিল। এবার মন্ত্রিসভা পুনরায় দিবসটি সরকারি ছুটিসহ পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়।