১২:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

চট্টগ্রামে আসছে ১ লাখ ৪১ হাজার টন ডিজেল, চারটি ট্যাংকার আগামীকাল ও রবিবার পৌঁছাবে

চট্টগ্রাম বন্দরে চারটি ট্যাংকারে মোট ১ লাখ ৪১ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ করা হবে। এর মধ্যে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) তিনটি ট্যাংকার এবং আগামী রবিবার (১৯ এপ্রিল) আরও একটি ট্যাংকার পৌঁছানোর কথা আছে। এই পরিমাণ ডিজেল জাতীয় চাহিদার প্রায় ১২ দিনের জোগান পূরণ করতে সক্ষম।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) পর্যন্ত দেশে ডিজেলের মজুদ ছিল ১ লাখ ৫৫ হাজার টন। নতুন চারটি ট্যাংকারের ডিজেল খালাস হলে মজুদ প্রায় ২ লাখ ৯৬ হাজার টনে উঠবে, যা থেকে মোট মজুদ দিয়ে প্রায় ২৫ দিনের চাহিদা পূরণ করা যাবে।

চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানানো হয়েছে, শুক্রবার বন্দরে ভিড়বে এমটি ওকট্রি, এমটি কেপ বনি ও এমটি লিয়ান সং হু নামের তিনটি ট্যাংকার। এমটি গোল্ডেন হরাইজন নামের আরেকটি ট্যাংকার রবিবার বন্দরে পৌঁছাবে।

চারটি ট্যাংকারের স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী তিন দিনের মধ্যে সব ট্যাংকার বন্দরে পৌঁছে যাবে। চলতি মাসে ডিজেল সরবরাহ নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা এই যোগান বাড়ানোর ফলে পর্যায়ক্রমে কাটবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী।

বিপিসির তথ্যমতে দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৬৩ শতাংশই ডিজেলনির্ভর। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে ডিজেলের চাহিদা ছিল প্রায় ৪৩ লক্ষ ৫০ হাজার টন। এর বড় অংশ আমদানি করে আনা হয়, আর প্রতি বছর প্রায় ৭ থেকে সাড়ে ৭ লাখ টন আসে অপরিশোধিত তেল পরিশোধনের মাধ্যমে।

ডিজেলের ব্যবহার বহুমুখী—সড়ক পরিবহনের বড় অংশ যেমন বাস, ট্রাক, পিকআপ ও পণ্যবাহী যানবাহন মূলত ডিজেলচালিত; কৃষিতে সেচযন্ত্র চালানো, নদীপথে নৌযান চলাচল এবং শিল্পকারখানার জেনারেটরেও তা ব্যবহার হয়। ব্যবহৃত ডিজেলের প্রায় ২৪ শতাংশ যায় কৃষি খাতে, এবং বিদ্যুৎঘাটতির সময় কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্রেও এই জ্বালানি ব্যবহার করা হয়। ফলে পরিবহন, কৃষি, শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে ডিজেলের ওপর দেশের নির্ভরতা সর্ববৃহৎ।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

চট্টগ্রামে আসছে ১ লাখ ৪১ হাজার টন ডিজেল, চারটি ট্যাংকার আগামীকাল ও রবিবার পৌঁছাবে

প্রকাশিতঃ ১০:৪২:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে চারটি ট্যাংকারে মোট ১ লাখ ৪১ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ করা হবে। এর মধ্যে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) তিনটি ট্যাংকার এবং আগামী রবিবার (১৯ এপ্রিল) আরও একটি ট্যাংকার পৌঁছানোর কথা আছে। এই পরিমাণ ডিজেল জাতীয় চাহিদার প্রায় ১২ দিনের জোগান পূরণ করতে সক্ষম।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) পর্যন্ত দেশে ডিজেলের মজুদ ছিল ১ লাখ ৫৫ হাজার টন। নতুন চারটি ট্যাংকারের ডিজেল খালাস হলে মজুদ প্রায় ২ লাখ ৯৬ হাজার টনে উঠবে, যা থেকে মোট মজুদ দিয়ে প্রায় ২৫ দিনের চাহিদা পূরণ করা যাবে।

চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানানো হয়েছে, শুক্রবার বন্দরে ভিড়বে এমটি ওকট্রি, এমটি কেপ বনি ও এমটি লিয়ান সং হু নামের তিনটি ট্যাংকার। এমটি গোল্ডেন হরাইজন নামের আরেকটি ট্যাংকার রবিবার বন্দরে পৌঁছাবে।

চারটি ট্যাংকারের স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী তিন দিনের মধ্যে সব ট্যাংকার বন্দরে পৌঁছে যাবে। চলতি মাসে ডিজেল সরবরাহ নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা এই যোগান বাড়ানোর ফলে পর্যায়ক্রমে কাটবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী।

বিপিসির তথ্যমতে দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৬৩ শতাংশই ডিজেলনির্ভর। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে ডিজেলের চাহিদা ছিল প্রায় ৪৩ লক্ষ ৫০ হাজার টন। এর বড় অংশ আমদানি করে আনা হয়, আর প্রতি বছর প্রায় ৭ থেকে সাড়ে ৭ লাখ টন আসে অপরিশোধিত তেল পরিশোধনের মাধ্যমে।

ডিজেলের ব্যবহার বহুমুখী—সড়ক পরিবহনের বড় অংশ যেমন বাস, ট্রাক, পিকআপ ও পণ্যবাহী যানবাহন মূলত ডিজেলচালিত; কৃষিতে সেচযন্ত্র চালানো, নদীপথে নৌযান চলাচল এবং শিল্পকারখানার জেনারেটরেও তা ব্যবহার হয়। ব্যবহৃত ডিজেলের প্রায় ২৪ শতাংশ যায় কৃষি খাতে, এবং বিদ্যুৎঘাটতির সময় কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্রেও এই জ্বালানি ব্যবহার করা হয়। ফলে পরিবহন, কৃষি, শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে ডিজেলের ওপর দেশের নির্ভরতা সর্ববৃহৎ।