১০:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

চীনের সংকোচনের মাঝেও আইফোন সরবরাহ বাড়লো ২০%, হুয়াওয়ে শীর্ষে

চলতি ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি–মার্চ) চীনের স্মার্টফোন বাজারে বহুল চাহাচাহিতে একটি আশ্চর্যের খবর এসেছে — মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপলের আইফোনের সরবরাহ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ শতাংশ বেড়েছে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

উল্লেখ্য, সামগ্রিকভাবে চীনের স্মার্টফোন বাজার ওই প্রান্তিকে প্রায় ৪ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে। সেমিকন্ডাক্টর বা চিপের দাম বৃদ্ধি, লজিস্টিক জটিলতা ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বাজারে চাপ পড়লেও অ্যাপলই ছিল উজ্জ্বল ব্যতিক্রম। বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী ব্যবহার, উন্নত নির্মাণমান ও সফটওয়্যার-হার্ডওয়্যার একত্রীকরণের কারণে ক্রেতারা এখন প্রিমিয়াম ডিভাইসকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন — আর সেটাই আইফোনের চাহিদা বাড়ানোতে সহায়তা করেছে।

বাজারের বর্তমান হিস্যা অনুযায়ী হুয়াওয়ে ২০ শতাংশ বাজার অংশীদারি নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে, আর অ্যাপল প্রায় ১৯ শতাংশ নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে এসেছে — মাত্র ১ শতাংশের ব্যবধানে। অন্যদিকে শাওমি ও অপোসহ কয়েকটি জনপ্রিয় চীনা ব্র্যান্ড ওই সময়ের মধ্যে বিক্রি ও সরবরাহ হ্রাসের সম্মুখীন হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সও প্রতিবেদন করে যে, সংকুচিত বাজার সত্ত্বেও নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের প্রতি গ্রাহকদের আস্থা বদলাচ্ছে; বিশেষ করে উচ্চ آمدন ও সচেতন গ্রাহকরা ফোনের স্থায়িত্ব ও সার্বিক মানকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন, যা প্রিমিয়াম মডেলগুলোর দিকে ঝোঁক বাড়াচ্ছে। অ্যাপল এবং হুয়াওয়ের মধ্যে চীনের বাজার আধিপত্য ধরে রাখার লড়াই আগামী প্রান্তিকগুলোতে আরও তীব্র হতে পারে।

সব মিলিয়ে, বৈশ্বিক সরবরাহ চেইন ও অর্থনৈতিক চাপে থাকা সত্ত্বেও চীনে আইফোনের ২০ শতাংশ বৃদ্ধির খবর অ্যাপলের জন্য সান্ত্বনার পাশাপাশি কৌশলগত সফলতা হিসেবেও ধরা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

চীনের সংকোচনের মাঝেও আইফোন সরবরাহ বাড়লো ২০%, হুয়াওয়ে শীর্ষে

প্রকাশিতঃ ১০:৩৯:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

চলতি ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি–মার্চ) চীনের স্মার্টফোন বাজারে বহুল চাহাচাহিতে একটি আশ্চর্যের খবর এসেছে — মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপলের আইফোনের সরবরাহ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ শতাংশ বেড়েছে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

উল্লেখ্য, সামগ্রিকভাবে চীনের স্মার্টফোন বাজার ওই প্রান্তিকে প্রায় ৪ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে। সেমিকন্ডাক্টর বা চিপের দাম বৃদ্ধি, লজিস্টিক জটিলতা ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বাজারে চাপ পড়লেও অ্যাপলই ছিল উজ্জ্বল ব্যতিক্রম। বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী ব্যবহার, উন্নত নির্মাণমান ও সফটওয়্যার-হার্ডওয়্যার একত্রীকরণের কারণে ক্রেতারা এখন প্রিমিয়াম ডিভাইসকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন — আর সেটাই আইফোনের চাহিদা বাড়ানোতে সহায়তা করেছে।

বাজারের বর্তমান হিস্যা অনুযায়ী হুয়াওয়ে ২০ শতাংশ বাজার অংশীদারি নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে, আর অ্যাপল প্রায় ১৯ শতাংশ নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে এসেছে — মাত্র ১ শতাংশের ব্যবধানে। অন্যদিকে শাওমি ও অপোসহ কয়েকটি জনপ্রিয় চীনা ব্র্যান্ড ওই সময়ের মধ্যে বিক্রি ও সরবরাহ হ্রাসের সম্মুখীন হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সও প্রতিবেদন করে যে, সংকুচিত বাজার সত্ত্বেও নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের প্রতি গ্রাহকদের আস্থা বদলাচ্ছে; বিশেষ করে উচ্চ آمدন ও সচেতন গ্রাহকরা ফোনের স্থায়িত্ব ও সার্বিক মানকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন, যা প্রিমিয়াম মডেলগুলোর দিকে ঝোঁক বাড়াচ্ছে। অ্যাপল এবং হুয়াওয়ের মধ্যে চীনের বাজার আধিপত্য ধরে রাখার লড়াই আগামী প্রান্তিকগুলোতে আরও তীব্র হতে পারে।

সব মিলিয়ে, বৈশ্বিক সরবরাহ চেইন ও অর্থনৈতিক চাপে থাকা সত্ত্বেও চীনে আইফোনের ২০ শতাংশ বৃদ্ধির খবর অ্যাপলের জন্য সান্ত্বনার পাশাপাশি কৌশলগত সফলতা হিসেবেও ধরা হচ্ছে।