০২:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

আইপিএলে দিল্লির ধস: ৭৫ রানে অলআউট, একগুচ্ছ রেকর্ড ভাঙল

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস লড়াইতে দিল্লির ব্যাটিং এক চরম ধাক্কার মুখে পড়ল। আগেই ২৬৪ রানের বড় স্কোর গড়া দলটি এদিন মাত্র ৭৫ রানেই অলআউট হয়ে যায়। ম্যাচের অন্যতম কড়া অধ্যায় ছিল ইনিংসের শুরুটা — মাত্র ৮ রানে টপ অর্ডার থেকে ছয়জন ব্যাটসম্যানই ফিরে যান, যা আইপিএলের ইতিহাসে এমন নিম্নতম অবস্থান ছাড়া আগে দেখা যায়নি। বেঙ্গালুরু এই ধ্বসকে সুযোগ করে নিয়েই হাতে থাকা ৮১ বল কাজে লাগিয়ে বিশাল ১০ উইকেটের জয় তুলে নেয়।

পাওয়ার প্লেয়াতে দিল্লির মুক্তগমন আরও বেশি উদ্বেগজনক ছিল। প্রথম ছয় ওভারে তারা ছয় উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৩ রান সংগ্রহ করে, যা আইপিএলের পাওয়ার প্লেতে কোনো দলের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে এবং একই সঙ্গে পাওয়ার প্লেতে সর্বোচ্চ উইকেট পতনের নতুন নজির দাঁড়িয়েছে; এর আগে সর্বনিম্ন ছিল ১৪ রান। পুরো ম্যাচটি মাত্র ১৩৮ বল (২৩ ওভার) ধরে থাকে, যা টুর্নামেন্ট ইতিহাসে দ্বিতীয় সংক্ষিপ্ততম ম্যাচ হিসেবে রেকর্ড হয়েছিল। দিল্লির ৭৫ রান আইপিএলের সপ্তম সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে।

বেঙ্গালুরুর বোলাররা সামগ্রিকভাবে অত্যন্ত প্রভাবশালী ছিলেন। স্পিনার সুয়াশ শর্মা চার ওভার বল করে মাত্র ৭ রান দেন এবং ২০টি ডট বল রেকর্ড করেন — এটি আইপিএলে একজন স্পিনারের করা সর্বোচ্চ ডট বলের রেকর্ড বলে জানিয়েছে ম্যাচ পরিসংখ্যান। পেস আক্রমণে জশ হ্যাজলউড চারটি উইকেট নেন, আর ভুবনেশ্বর কুমার তিনটি উইকেট শিকার করেন। ম্যাচের আরও একটি অদ্ভুত রেকর্ড হল — হ্যাজলউড ও ভুবনেশ্বর দুজনেই পাওয়ার প্লেতে তিন করে উইকেট নেন, যা একই ম্যাচে দুই বোলারের এমন একসাথে পাওয়ার-প্লে সফলতা আইপিএলে প্রথমবার ঘটল।

টার্গেট মাত্র ৭৬ রানের হওয়ায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু সহজে লক্ষ্য তাড়া করে নেয়; তারা কোনো উইকেট হারাতে হয়নি এবং ৮১ বল রেখে জয় নিশ্চিত করে। বলের ব্যবধানে এই জয় আইপিএলের ইতিহাসে দ্বিতীয় বৃহত্তমের মধ্যে পড়েছে। এই ম্যাচে ব্যক্তিগত মাইলফলকও ঘটেছে — বিরাট কোহলি অপরাজিত ২৩ রানে মাঠ ছাড়ার সময় আইপিএলের প্রথম ব্যাটার হিসেবে ৯০০০ রানের মানচিত্র ছুঁয়ে ফেলেন। এই জয়ে বেঙ্গালুরু কেবল মূল্যবান পয়েন্টই পাননি, তাদের নেট রানরেটও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। অন্যদিকে দিল্লির জন্য এটি টুর্নামেন্টের অন্যতম লজ্জাজনক রাতে পরিণত হয়েছে এবং তাদের ব্যাটিং লাইনে বড় সংশোধন প্রয়োজনীয় হয়ে উঠল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

আইপিএলে দিল্লির ধস: ৭৫ রানে অলআউট, একগুচ্ছ রেকর্ড ভাঙল

প্রকাশিতঃ ১০:৩৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস লড়াইতে দিল্লির ব্যাটিং এক চরম ধাক্কার মুখে পড়ল। আগেই ২৬৪ রানের বড় স্কোর গড়া দলটি এদিন মাত্র ৭৫ রানেই অলআউট হয়ে যায়। ম্যাচের অন্যতম কড়া অধ্যায় ছিল ইনিংসের শুরুটা — মাত্র ৮ রানে টপ অর্ডার থেকে ছয়জন ব্যাটসম্যানই ফিরে যান, যা আইপিএলের ইতিহাসে এমন নিম্নতম অবস্থান ছাড়া আগে দেখা যায়নি। বেঙ্গালুরু এই ধ্বসকে সুযোগ করে নিয়েই হাতে থাকা ৮১ বল কাজে লাগিয়ে বিশাল ১০ উইকেটের জয় তুলে নেয়।

পাওয়ার প্লেয়াতে দিল্লির মুক্তগমন আরও বেশি উদ্বেগজনক ছিল। প্রথম ছয় ওভারে তারা ছয় উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৩ রান সংগ্রহ করে, যা আইপিএলের পাওয়ার প্লেতে কোনো দলের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে এবং একই সঙ্গে পাওয়ার প্লেতে সর্বোচ্চ উইকেট পতনের নতুন নজির দাঁড়িয়েছে; এর আগে সর্বনিম্ন ছিল ১৪ রান। পুরো ম্যাচটি মাত্র ১৩৮ বল (২৩ ওভার) ধরে থাকে, যা টুর্নামেন্ট ইতিহাসে দ্বিতীয় সংক্ষিপ্ততম ম্যাচ হিসেবে রেকর্ড হয়েছিল। দিল্লির ৭৫ রান আইপিএলের সপ্তম সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে।

বেঙ্গালুরুর বোলাররা সামগ্রিকভাবে অত্যন্ত প্রভাবশালী ছিলেন। স্পিনার সুয়াশ শর্মা চার ওভার বল করে মাত্র ৭ রান দেন এবং ২০টি ডট বল রেকর্ড করেন — এটি আইপিএলে একজন স্পিনারের করা সর্বোচ্চ ডট বলের রেকর্ড বলে জানিয়েছে ম্যাচ পরিসংখ্যান। পেস আক্রমণে জশ হ্যাজলউড চারটি উইকেট নেন, আর ভুবনেশ্বর কুমার তিনটি উইকেট শিকার করেন। ম্যাচের আরও একটি অদ্ভুত রেকর্ড হল — হ্যাজলউড ও ভুবনেশ্বর দুজনেই পাওয়ার প্লেতে তিন করে উইকেট নেন, যা একই ম্যাচে দুই বোলারের এমন একসাথে পাওয়ার-প্লে সফলতা আইপিএলে প্রথমবার ঘটল।

টার্গেট মাত্র ৭৬ রানের হওয়ায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু সহজে লক্ষ্য তাড়া করে নেয়; তারা কোনো উইকেট হারাতে হয়নি এবং ৮১ বল রেখে জয় নিশ্চিত করে। বলের ব্যবধানে এই জয় আইপিএলের ইতিহাসে দ্বিতীয় বৃহত্তমের মধ্যে পড়েছে। এই ম্যাচে ব্যক্তিগত মাইলফলকও ঘটেছে — বিরাট কোহলি অপরাজিত ২৩ রানে মাঠ ছাড়ার সময় আইপিএলের প্রথম ব্যাটার হিসেবে ৯০০০ রানের মানচিত্র ছুঁয়ে ফেলেন। এই জয়ে বেঙ্গালুরু কেবল মূল্যবান পয়েন্টই পাননি, তাদের নেট রানরেটও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। অন্যদিকে দিল্লির জন্য এটি টুর্নামেন্টের অন্যতম লজ্জাজনক রাতে পরিণত হয়েছে এবং তাদের ব্যাটিং লাইনে বড় সংশোধন প্রয়োজনীয় হয়ে উঠল।