০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মিনার-ই-দিল্লি সম্মাননা পাচ্ছেন রুনা লায়লা

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লা সংগীতে দীর্ঘ ও গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ভারতের মর্যাদাপূর্ণ ‘মিনার-ই-দিল্লি’ সম্মাননায় ভূষিত হবেন। এই বিশেষ পুরস্কার তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে দেওয়া হবে ১৫তম দিল্লি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে। আয়োজকরা বলছেন, দুই দেশের সংগীত ও সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধন গঠনে তাঁর অসাধারণ ভূমিকা এই সম্মাননার মূল কারণ।

উৎসবের উদ্বোধন আগামী ৪ মে দেবয দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সূচনা ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল সেন্টার ফর দ্য আর্টস-এ হবে। বিশ্বখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারপ্রাপ্ত আদুর গোপালকৃষ্ণন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন। পাঁচ দিনব্যাপী এই আসরে বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশের ১৭৫টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে এবং উৎসব চলবে ৮ মে পর্যন্ত। এবারের প্রোগ্রামে নারী ক্ষমতায়ন, সামাজিক বিষয় ও শিশুবিষয়ক চলচ্চিত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভারত সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এ আয়োজনে সরাসরি সহযোগিতা করছে।

এই সম্মাননায় ভূষিত হওয়া প্রসঙ্গে রুনা লায়লা একটি ভিডিও বার্তায় গভীর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অংশ হতে পেরে এবং সম্মাননা পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত বলে জানান এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করা রাম কিশোরসহ ভারত সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে কৃতজ্ঞতা জানান। রুনা লায়লা বলেন, এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাংলাদেশের সংগীত অঙ্গনের জন্যও এক গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।

উৎসবের সভাপতি রাম কিশোর এক চিঠিতে রুনা লায়লার শিল্পযাত্রাকে ভারত ও বাংলাদেশের মানুষের আবেগ ও স্মৃতির এক উজ্জ্বল প্রতিবিম্ব হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, রুনা লায়লা যদি এই সম্মাননা গ্রহণ করেন, তা দুই দেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক ও সৌহার্দ্যকে আরও মজবুত করবে।

এ প্রসঙ্গে আয়োজকরা উল্লেখ করেন, এর আগে ‘মিনার-ই-দিল্লি’ সম্মাননা পেয়েছেন শর্মিলা ঠাকুর, শত্রুঘ্ন সিনহা এবং শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মাইথ্রিপালা সিরিসেনার মতো কালজয়ী প্রতিভাসম্পন্ন ব্যক্তিত্বরা।

এই সারা আয়োজনকে আরও সজীব করতে এবারের আসরে অংশগ্রহণ করবেন বিনোদন জগতের কয়েকজন কিংবদন্তি শিল্পী। আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছেন শর্মিলা ঠাকুর, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, রেভাতি, শ্বেতা মেনন, রাজপাল যাদব এবং গায়িকা ঊষা উত্থুপ সহ আরও অনেকে। আয়োজকরা আশা করছেন, বিশ্ব চলচ্চিত্র ও সংগীতের এই মিলনমেলা দিল্লির সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মিনার-ই-দিল্লি সম্মাননা পাচ্ছেন রুনা লায়লা

প্রকাশিতঃ ০২:২১:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লা সংগীতে দীর্ঘ ও গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ভারতের মর্যাদাপূর্ণ ‘মিনার-ই-দিল্লি’ সম্মাননায় ভূষিত হবেন। এই বিশেষ পুরস্কার তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে দেওয়া হবে ১৫তম দিল্লি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে। আয়োজকরা বলছেন, দুই দেশের সংগীত ও সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধন গঠনে তাঁর অসাধারণ ভূমিকা এই সম্মাননার মূল কারণ।

উৎসবের উদ্বোধন আগামী ৪ মে দেবয দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সূচনা ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল সেন্টার ফর দ্য আর্টস-এ হবে। বিশ্বখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারপ্রাপ্ত আদুর গোপালকৃষ্ণন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন। পাঁচ দিনব্যাপী এই আসরে বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশের ১৭৫টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে এবং উৎসব চলবে ৮ মে পর্যন্ত। এবারের প্রোগ্রামে নারী ক্ষমতায়ন, সামাজিক বিষয় ও শিশুবিষয়ক চলচ্চিত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভারত সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এ আয়োজনে সরাসরি সহযোগিতা করছে।

এই সম্মাননায় ভূষিত হওয়া প্রসঙ্গে রুনা লায়লা একটি ভিডিও বার্তায় গভীর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অংশ হতে পেরে এবং সম্মাননা পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত বলে জানান এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করা রাম কিশোরসহ ভারত সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে কৃতজ্ঞতা জানান। রুনা লায়লা বলেন, এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাংলাদেশের সংগীত অঙ্গনের জন্যও এক গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।

উৎসবের সভাপতি রাম কিশোর এক চিঠিতে রুনা লায়লার শিল্পযাত্রাকে ভারত ও বাংলাদেশের মানুষের আবেগ ও স্মৃতির এক উজ্জ্বল প্রতিবিম্ব হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, রুনা লায়লা যদি এই সম্মাননা গ্রহণ করেন, তা দুই দেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক ও সৌহার্দ্যকে আরও মজবুত করবে।

এ প্রসঙ্গে আয়োজকরা উল্লেখ করেন, এর আগে ‘মিনার-ই-দিল্লি’ সম্মাননা পেয়েছেন শর্মিলা ঠাকুর, শত্রুঘ্ন সিনহা এবং শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মাইথ্রিপালা সিরিসেনার মতো কালজয়ী প্রতিভাসম্পন্ন ব্যক্তিত্বরা।

এই সারা আয়োজনকে আরও সজীব করতে এবারের আসরে অংশগ্রহণ করবেন বিনোদন জগতের কয়েকজন কিংবদন্তি শিল্পী। আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছেন শর্মিলা ঠাকুর, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, রেভাতি, শ্বেতা মেনন, রাজপাল যাদব এবং গায়িকা ঊষা উত্থুপ সহ আরও অনেকে। আয়োজকরা আশা করছেন, বিশ্ব চলচ্চিত্র ও সংগীতের এই মিলনমেলা দিল্লির সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে নতুন মাত্রা যোগ করবে।