০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বড় পর্দায় ফিরছে নার্নিয়া: চতুর্থ কিস্তি ২০২৭ সালে থিয়েটারে

দীর্ঘ দেড় দশকের বিরতি কাটিয়ে আবারও বড় পর্দায় ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে সি. এস. লুইসের অনবদ্য কাহিনি ‘দ্য ক্রনিকলস অফ নার্নিয়া’। এবার সিরিজের চতুর্থ চলচ্চিত্রটি শুধু ওটিটি-র ক্ষেত্রে নয়; নির্মাতারা দর্শকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিশ্বজোড়া প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পরিকল্পনা নিয়েছে। ২০০৫ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে মুক্তিপাওয়া প্রাথমিক তিনটি পর্ব বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করার পর নতুন কিস্তি নিয়ে চলচ্চিত্র মহলে গুরুত্বপুর্ণ উন্মাদনা তৈরি হয়েছে।

শুরুতে এটি সরাসরি নেটফ্লিক্সে দেখানোর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু প্রকল্পটির ভিশন, বিশাল ক্যানভাস এবং প্রযুক্তিগত দিকগুলো বিবেচনা করে নির্মাতারা এখন চলচ্চিত্রটিকে বড় পর্দায় দেখাতে চেয়েছেন। ২০১৮ সালে নেটফ্লিক্স সিরিজটির স্বত্ব ক্রয় করার পর থেকে গোপনীয়তা রক্ষা করে উচ্চ বাজেট ও বিস্তারিত প্রযোজনা কাজ চলছে; প্রতিষ্ঠানটি এটিকে তাদের ইতিহাসের অন্যতম ব্যয়বহুল ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রকল্প হিসেবে দেখছে।

চতুর্থ কিস্তিটি মূলত সিরিজের ষষ্ঠ খণ্ড ‘দ্য ম্যাজিশিয়ানস নেপিউ’ অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে এবং পরিচালনার দায়িত্বে আছেন ‘বার্বি’ খ্যাত নির্মাতা গ্রেটা গারউইগ। নির্মাণশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে নার্নিয়ার জাদুকরী জগতকে আরও সমৃদ্ধ ও জীবন্ত করে তোলাই প্রজেক্টের লক্ষ্য।

নির্মাণে থাকা হলো তারকাবহুল কাস্টিংও—ব্রিটিশ অভিনেত্রী এমা ম্যাকি এবার অভিহিত হয়েছেন সাদা ডাইনির (হোয়াইট উইচ) চরিত্রে, যেটি তার আগের ভিন্ন রূপে টিল্ডা সুইন্টন দেখিয়েছিলেন। ‘জেমস বন্ড’ খ্যাত ড্যানিয়েল ক্রেইগ প্রফেসর ডিগরি কির্কের ভূমিকায় উপস্থিত হবেন। কিংবদন্তি অভিনেত্রী মেরিল স্ট্রিপ সিংহ আসলানের চরিত্রে থাকছেন এবং কেরি মালিগান মেবেল কার্কের ভূমিকায় যুক্ত হয়েছেন। এমন তারকাবহুল তালিকা সিনেমাটির জনপ্রিয়তা ও দর্শক আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

কাহিন্যগতভাবে এটি একটি প্রিক্যুয়েল; যেখানে দেখা যাবে কীভাবে দুইজন বালক-বালিকা জাদুকরী আংটির মাধ্যমে অন্য এক জগতে প্রবেশ করে এবং সেখান থেকেই নার্নিয়ার পত্তন ও প্রথম জাদুকরী ঘটনাবলী শুরু হয়। সাদা ডাইনি’র উত্থান, নার্নিয়াকে বরফে আচ্ছন্ন করে দেওয়া এবং রূপকথার প্রাণীদের আবির্ভাব—এসব বিষয়ই সিনেমার কেন্দ্রীয় আকর্ষণ। চলচ্চিত্রটি জাদুকরী প্রাণী ও পৌরাণিক চরিত্রদের মাধ্যমে দর্শকদের জন্য কল্পনাপ্রসূত এক অভিজ্ঞতা promessa করে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ভ্যারাইটির রিপোর্ট অনুযায়ী নতুন কিস্তিটি থিয়েটারে ২০২৭ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাবে। পূর্বপরিকল্পনা অনুসারে এটি ২০২৬ সালের নভেম্বরে সরাসরি নেটফ্লিক্সে না-আসার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে; এর পরিবর্তে থিয়েটারিক অভিজ্ঞতা এবং বিশ্বব্যাপী বিপণনকে মাথায় রেখেই মুক্তি সূচি বদলানো হয়েছে। প্রায় দুই মাস পর, অর্থাৎ ২০২৭ সালের ২ এপ্রিল থেকে এটি নেটফ্লিক্সের গ্রাহকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

বড় পর্দা হোক না কি ওটিটি—উভয় মাধ্যমেই নার্নিয়ার এই রাজকীয় প্রত্যাবর্তন এখনই বিতর্ক ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর দর্শকরা কবে কোথায় এই জাদুকরী জগতে আবার হারিয়ে যাবে, সেটাই সবচেয়ে বড় উত্তেজনার বিষয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বড় পর্দায় ফিরছে নার্নিয়া: চতুর্থ কিস্তি ২০২৭ সালে থিয়েটারে

প্রকাশিতঃ ০২:২২:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

দীর্ঘ দেড় দশকের বিরতি কাটিয়ে আবারও বড় পর্দায় ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে সি. এস. লুইসের অনবদ্য কাহিনি ‘দ্য ক্রনিকলস অফ নার্নিয়া’। এবার সিরিজের চতুর্থ চলচ্চিত্রটি শুধু ওটিটি-র ক্ষেত্রে নয়; নির্মাতারা দর্শকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিশ্বজোড়া প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পরিকল্পনা নিয়েছে। ২০০৫ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে মুক্তিপাওয়া প্রাথমিক তিনটি পর্ব বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করার পর নতুন কিস্তি নিয়ে চলচ্চিত্র মহলে গুরুত্বপুর্ণ উন্মাদনা তৈরি হয়েছে।

শুরুতে এটি সরাসরি নেটফ্লিক্সে দেখানোর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু প্রকল্পটির ভিশন, বিশাল ক্যানভাস এবং প্রযুক্তিগত দিকগুলো বিবেচনা করে নির্মাতারা এখন চলচ্চিত্রটিকে বড় পর্দায় দেখাতে চেয়েছেন। ২০১৮ সালে নেটফ্লিক্স সিরিজটির স্বত্ব ক্রয় করার পর থেকে গোপনীয়তা রক্ষা করে উচ্চ বাজেট ও বিস্তারিত প্রযোজনা কাজ চলছে; প্রতিষ্ঠানটি এটিকে তাদের ইতিহাসের অন্যতম ব্যয়বহুল ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রকল্প হিসেবে দেখছে।

চতুর্থ কিস্তিটি মূলত সিরিজের ষষ্ঠ খণ্ড ‘দ্য ম্যাজিশিয়ানস নেপিউ’ অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে এবং পরিচালনার দায়িত্বে আছেন ‘বার্বি’ খ্যাত নির্মাতা গ্রেটা গারউইগ। নির্মাণশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে নার্নিয়ার জাদুকরী জগতকে আরও সমৃদ্ধ ও জীবন্ত করে তোলাই প্রজেক্টের লক্ষ্য।

নির্মাণে থাকা হলো তারকাবহুল কাস্টিংও—ব্রিটিশ অভিনেত্রী এমা ম্যাকি এবার অভিহিত হয়েছেন সাদা ডাইনির (হোয়াইট উইচ) চরিত্রে, যেটি তার আগের ভিন্ন রূপে টিল্ডা সুইন্টন দেখিয়েছিলেন। ‘জেমস বন্ড’ খ্যাত ড্যানিয়েল ক্রেইগ প্রফেসর ডিগরি কির্কের ভূমিকায় উপস্থিত হবেন। কিংবদন্তি অভিনেত্রী মেরিল স্ট্রিপ সিংহ আসলানের চরিত্রে থাকছেন এবং কেরি মালিগান মেবেল কার্কের ভূমিকায় যুক্ত হয়েছেন। এমন তারকাবহুল তালিকা সিনেমাটির জনপ্রিয়তা ও দর্শক আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

কাহিন্যগতভাবে এটি একটি প্রিক্যুয়েল; যেখানে দেখা যাবে কীভাবে দুইজন বালক-বালিকা জাদুকরী আংটির মাধ্যমে অন্য এক জগতে প্রবেশ করে এবং সেখান থেকেই নার্নিয়ার পত্তন ও প্রথম জাদুকরী ঘটনাবলী শুরু হয়। সাদা ডাইনি’র উত্থান, নার্নিয়াকে বরফে আচ্ছন্ন করে দেওয়া এবং রূপকথার প্রাণীদের আবির্ভাব—এসব বিষয়ই সিনেমার কেন্দ্রীয় আকর্ষণ। চলচ্চিত্রটি জাদুকরী প্রাণী ও পৌরাণিক চরিত্রদের মাধ্যমে দর্শকদের জন্য কল্পনাপ্রসূত এক অভিজ্ঞতা promessa করে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ভ্যারাইটির রিপোর্ট অনুযায়ী নতুন কিস্তিটি থিয়েটারে ২০২৭ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাবে। পূর্বপরিকল্পনা অনুসারে এটি ২০২৬ সালের নভেম্বরে সরাসরি নেটফ্লিক্সে না-আসার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে; এর পরিবর্তে থিয়েটারিক অভিজ্ঞতা এবং বিশ্বব্যাপী বিপণনকে মাথায় রেখেই মুক্তি সূচি বদলানো হয়েছে। প্রায় দুই মাস পর, অর্থাৎ ২০২৭ সালের ২ এপ্রিল থেকে এটি নেটফ্লিক্সের গ্রাহকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

বড় পর্দা হোক না কি ওটিটি—উভয় মাধ্যমেই নার্নিয়ার এই রাজকীয় প্রত্যাবর্তন এখনই বিতর্ক ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর দর্শকরা কবে কোথায় এই জাদুকরী জগতে আবার হারিয়ে যাবে, সেটাই সবচেয়ে বড় উত্তেজনার বিষয়।