০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

পল মেসকাল–জেসি বাকলি ফের একসঙ্গে বড়পর্দায়

গত বছরের ‘হ্যামনেট’ দিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন পল মেসকাল ও জেসি বাকলি। উইলিয়াম শেকসপিয়ারের পুত্রের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু এবং সেই শোকের আভাস থেকে রচিত ঐ চলচ্চিত্রে তাদের অভিনয় ও রসায়ন দর্শককে মুগ্ধ করেছিল। ক্লোয়ে ঝাও পরিচালিত সেই সিনেমা ৯৮তম অস্কারে আটটি বিভাগে মনোনীত হয়েছিল এবং জেসি বাকলি সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেছিলেন। সেই সাফল্যের ঢেউ এখনও কাটেনি, তবু তারা আবার বড়পর্দায় একসঙ্গে দেখা যাবে।

নতুন ছবির শিরোনাম ‘হোল্ড অন টু ইয়োর অ্যাঞ্জেলেস’। শেকসপিয়ারীয় ওই ট্র্যাজেডির করুণ আবহ থেকে বেরিয়ে এবার মেসকাল ও বাকলি সুর ও ম্যাজিক্যাল রিয়ালিজমের এক রহস্যময় জগতে পা বাড়াচ্ছেন। পরিচালনা করছেন বেন জেইটলিন — যিনি ‘বিস্টস অব দ্য সাউদার্ন ওয়াইল্ড’ নির্মাণের জন্য অস্কার মনোনয়ন পেয়েছিলেন। এই ছবির জন্য প্রায় ১৭ বছর ধরে স্বপ্ন দেখছিলেন জেইটলিন, এবং এখন সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।

দক্ষিণ লুইসিয়ানার ক্ষয়িষ্ণু, বিভ্রান্ত জলভূমিকে কাহিনীর পটভূমি করা হয়েছে। মেসকাল দেখা যাবে এক ঝুঁকিপূর্ণ অপরাধীর চরিত্রে, আর জেসি বাকলি অভিনয় করবেন পথভ্রষ্ট আত্মাদের রক্ষকের ভূমিকায়। গল্পে উঠে আসে—যখন তাদের চারপাশের পরিচিত জলাভূমি পরিবেশগত বিপর্যয়ের কারণে ধীরে ধীরে নষ্ট হতে শুরু করে, সেই সংকটের মাঝেই এই দুই বিচিত্র চরিত্রের মধ্যে অদ্ভুত ও গভীর এক প্রেম জাগে। পরিচালক নিজেই এটিকে ‘সবচেয়ে অসম্ভব প্রেমের গল্প’ বলে অভিহিত করেছেন।

শুটিং আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে ওই নির্দিষ্ট দক্ষিণ লুইসিয়ানা অঞ্চলে শুরু হবে। ভূগোল ও পরিবেশগত কারণে ওই এলাকাটির মানুষ ও প্রকৃতি বর্তমানে বড় ধরনের হুমকিতে রয়েছে। জেইটলিন বলেছেন, ছবির মাধ্যমে তিনি হারিয়ে যেতে থাকা লোকজ সংস্কৃতি এবং মাটির মানুষের সংগ্রামকে যত্নসহকারে তুলে ধরতে চান। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আড়ালে লুকিয়ে থাকা মানবিক বিপর্যয়ই এই চলচ্চিত্রের মূল উপজীব্য হবে বলেই উল্লেখ করেছেন তিনি।

চলচ্চিত্রটি রাজনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত বিভাজনগুলোকে প্রতীকীভাবে আলোচ্য করবে—এমনটাই ধারণা নির্মাতার এবং বিশ্লেষকদের। জেইটলিন আশা করেন, বর্তমান যুগে একে অপরের জন্য দয়া ও সহমর্মিতা ফিরে আনতেই পারবেন তিনি। পল মেসকাল ও জেসি বাকলির অভিনয় দক্ষতা যখন জেইটলিনের শিল্পীস্বরূপ নির্মাণশৈলীর সঙ্গে মিশবে, তখন সিনেমাটি দর্শকদের কাছে এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে আসবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

পল মেসকাল–জেসি বাকলি ফের একসঙ্গে বড়পর্দায়

প্রকাশিতঃ ০২:২১:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

গত বছরের ‘হ্যামনেট’ দিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন পল মেসকাল ও জেসি বাকলি। উইলিয়াম শেকসপিয়ারের পুত্রের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু এবং সেই শোকের আভাস থেকে রচিত ঐ চলচ্চিত্রে তাদের অভিনয় ও রসায়ন দর্শককে মুগ্ধ করেছিল। ক্লোয়ে ঝাও পরিচালিত সেই সিনেমা ৯৮তম অস্কারে আটটি বিভাগে মনোনীত হয়েছিল এবং জেসি বাকলি সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেছিলেন। সেই সাফল্যের ঢেউ এখনও কাটেনি, তবু তারা আবার বড়পর্দায় একসঙ্গে দেখা যাবে।

নতুন ছবির শিরোনাম ‘হোল্ড অন টু ইয়োর অ্যাঞ্জেলেস’। শেকসপিয়ারীয় ওই ট্র্যাজেডির করুণ আবহ থেকে বেরিয়ে এবার মেসকাল ও বাকলি সুর ও ম্যাজিক্যাল রিয়ালিজমের এক রহস্যময় জগতে পা বাড়াচ্ছেন। পরিচালনা করছেন বেন জেইটলিন — যিনি ‘বিস্টস অব দ্য সাউদার্ন ওয়াইল্ড’ নির্মাণের জন্য অস্কার মনোনয়ন পেয়েছিলেন। এই ছবির জন্য প্রায় ১৭ বছর ধরে স্বপ্ন দেখছিলেন জেইটলিন, এবং এখন সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।

দক্ষিণ লুইসিয়ানার ক্ষয়িষ্ণু, বিভ্রান্ত জলভূমিকে কাহিনীর পটভূমি করা হয়েছে। মেসকাল দেখা যাবে এক ঝুঁকিপূর্ণ অপরাধীর চরিত্রে, আর জেসি বাকলি অভিনয় করবেন পথভ্রষ্ট আত্মাদের রক্ষকের ভূমিকায়। গল্পে উঠে আসে—যখন তাদের চারপাশের পরিচিত জলাভূমি পরিবেশগত বিপর্যয়ের কারণে ধীরে ধীরে নষ্ট হতে শুরু করে, সেই সংকটের মাঝেই এই দুই বিচিত্র চরিত্রের মধ্যে অদ্ভুত ও গভীর এক প্রেম জাগে। পরিচালক নিজেই এটিকে ‘সবচেয়ে অসম্ভব প্রেমের গল্প’ বলে অভিহিত করেছেন।

শুটিং আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে ওই নির্দিষ্ট দক্ষিণ লুইসিয়ানা অঞ্চলে শুরু হবে। ভূগোল ও পরিবেশগত কারণে ওই এলাকাটির মানুষ ও প্রকৃতি বর্তমানে বড় ধরনের হুমকিতে রয়েছে। জেইটলিন বলেছেন, ছবির মাধ্যমে তিনি হারিয়ে যেতে থাকা লোকজ সংস্কৃতি এবং মাটির মানুষের সংগ্রামকে যত্নসহকারে তুলে ধরতে চান। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আড়ালে লুকিয়ে থাকা মানবিক বিপর্যয়ই এই চলচ্চিত্রের মূল উপজীব্য হবে বলেই উল্লেখ করেছেন তিনি।

চলচ্চিত্রটি রাজনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত বিভাজনগুলোকে প্রতীকীভাবে আলোচ্য করবে—এমনটাই ধারণা নির্মাতার এবং বিশ্লেষকদের। জেইটলিন আশা করেন, বর্তমান যুগে একে অপরের জন্য দয়া ও সহমর্মিতা ফিরে আনতেই পারবেন তিনি। পল মেসকাল ও জেসি বাকলির অভিনয় দক্ষতা যখন জেইটলিনের শিল্পীস্বরূপ নির্মাণশৈলীর সঙ্গে মিশবে, তখন সিনেমাটি দর্শকদের কাছে এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে আসবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।