০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

তথ্যমন্ত্রী: বিএনপিই প্রথম শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডকে ‘গণহত্যা’ স্বীকার করেছিল

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বিএনপিই প্রথম শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। শুক্রবার (৮ মে) জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে শাপলা চত্বর শহীদদের স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি কখনও ইসলাম অবমাননাকারীদের নিরাপত্তা দেয়নি; বরং শাপলা চত্বরের ঘটনার ন্যায্য বিচার ও শহীদদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিকভাবে এগিয়ে এসেছে। সেই সময় হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিএনপি দুই দিন হরতালের ডাক দিয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সংসদে শাপলা শহীদদের সম্মানী দেওয়া এবং তাদের প্রতি দায়বদ্ধতা রাখায় বিএনপির ভূমিকা ছিল স্পষ্ট। ভবিষ্যতেও শহীদদের প্রতি দায়িত্ব পালন করবে বিএনপি — এ বিশ্বাস তিনি ব্যক্ত করেন। রাজনৈতিক দল তখনই সফল হয় যখন শুধুমাত্র নিজ দলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে সমাজের সব শ্রেণির মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায়।

স্বপন বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজেদের সীমাবদ্ধ গণ্ডি ছাড়িয়ে বৃহত্তর সমাজের শক্তি ও মানুষের অনুভূতিকে গুরুত্ব দিতে হবে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ ও স্থায়ী বিষয়গুলোতে—যেমন ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের জুলাই গণঅভ্যুত্থান, ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষা কিংবা দেশের স্বার্থে—মানুষ দল-মত ভুলে একত্রিত হয়ে যায়। অপরাধ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে এই জাতীয় ঐক্যই দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি বলে তিনি 강조 করেন।

শাপলা চত্বরের শহীদদের স্মরণকালে তথ্যমন্ত্রী বলেন, যারা দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন, তাদের প্রকৃত সম্মান প্রদর্শনের পথ হলো স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়া। ১৯৫২, ১৯৬৯ ও বিভিন্ন ঐতিহাসিক আন্দোলনের সম্মিলিত ফলাফলই বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা; এসব আত্মত্যাগ দেশের মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতেই হয়েছে। তাই কে ক্ষমতায় আছে বা নেই তা মুখ্য নয়—দেশের স্বার্থে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখতে হবে।

আলোচনায় অন্যান্য বক্তারাও শাপলা চত্বরের শহীদদের প্রতি জাতীয় দায়বদ্ধতা এখনও শেষ হয়নি এবং ভবিষ্যতেও তা পালন করা হবে মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করে বলেন, বর্তমান সরকার বিচার বিভাগকে প্রভাবিত করে রায় পরিবর্তনের মাধ্যমে বিচারব্যবস্থাকে দুর্বল করেছে এবং শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

তথ্যমন্ত্রী: বিএনপিই প্রথম শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডকে ‘গণহত্যা’ স্বীকার করেছিল

প্রকাশিতঃ ০২:২৫:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বিএনপিই প্রথম শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। শুক্রবার (৮ মে) জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে শাপলা চত্বর শহীদদের স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি কখনও ইসলাম অবমাননাকারীদের নিরাপত্তা দেয়নি; বরং শাপলা চত্বরের ঘটনার ন্যায্য বিচার ও শহীদদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিকভাবে এগিয়ে এসেছে। সেই সময় হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিএনপি দুই দিন হরতালের ডাক দিয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সংসদে শাপলা শহীদদের সম্মানী দেওয়া এবং তাদের প্রতি দায়বদ্ধতা রাখায় বিএনপির ভূমিকা ছিল স্পষ্ট। ভবিষ্যতেও শহীদদের প্রতি দায়িত্ব পালন করবে বিএনপি — এ বিশ্বাস তিনি ব্যক্ত করেন। রাজনৈতিক দল তখনই সফল হয় যখন শুধুমাত্র নিজ দলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে সমাজের সব শ্রেণির মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায়।

স্বপন বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজেদের সীমাবদ্ধ গণ্ডি ছাড়িয়ে বৃহত্তর সমাজের শক্তি ও মানুষের অনুভূতিকে গুরুত্ব দিতে হবে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ ও স্থায়ী বিষয়গুলোতে—যেমন ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের জুলাই গণঅভ্যুত্থান, ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষা কিংবা দেশের স্বার্থে—মানুষ দল-মত ভুলে একত্রিত হয়ে যায়। অপরাধ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে এই জাতীয় ঐক্যই দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি বলে তিনি 강조 করেন।

শাপলা চত্বরের শহীদদের স্মরণকালে তথ্যমন্ত্রী বলেন, যারা দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন, তাদের প্রকৃত সম্মান প্রদর্শনের পথ হলো স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়া। ১৯৫২, ১৯৬৯ ও বিভিন্ন ঐতিহাসিক আন্দোলনের সম্মিলিত ফলাফলই বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা; এসব আত্মত্যাগ দেশের মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতেই হয়েছে। তাই কে ক্ষমতায় আছে বা নেই তা মুখ্য নয়—দেশের স্বার্থে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখতে হবে।

আলোচনায় অন্যান্য বক্তারাও শাপলা চত্বরের শহীদদের প্রতি জাতীয় দায়বদ্ধতা এখনও শেষ হয়নি এবং ভবিষ্যতেও তা পালন করা হবে মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করে বলেন, বর্তমান সরকার বিচার বিভাগকে প্রভাবিত করে রায় পরিবর্তনের মাধ্যমে বিচারব্যবস্থাকে দুর্বল করেছে এবং শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান।