০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

হিমন্ত বিশ্ব শর্মা দুইবারের জন্য অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন

টানা দ্বিতীয়বারের মতো অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে গুয়াহাটির খানাপাড়ায় আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল লক্ষ্মণ প্রসাদ আচার্য তাকে শপথবাক্য পাঠ করান।

শপথগ্রহণে দেশের উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, গৃহমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনসহ বিজেপি ও এনডিএ জোটের একাধিক শীর্ষনেতা।

হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সঙ্গে একই মঞ্চে নতুন মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্যও শপথ নেন; তাদের মধ্যে ছিলেন সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামেশ্বর তেলি, আসামগণ পরিষদের সভাপতি অতুল বরা, ইউনাইটেড পিপলস পার্টি লিবারেলের নেতা চরণ বোড়ো ও বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা অজন্তা নেগো।

অনুষ্ঠানে দেশজুড়ে এনডিএ শাসিত ২২টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, শিল্পপতি এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। মঞ্চ ও চারিপাশ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে যখন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ঐতিহ্যবাহী অসমিয়া পোশাকে শপথ নিতে ওঠেন — বিপুল সংখ্যক সমর্থক ও কর্মী উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট বিশাল জয় পেয়ে আবারও ক্ষমতায় এসেছেন। ২০২১ সালে প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে এবার দ্বিতীয়বারের জন্য দায়িত্ব নিলেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। একই সঙ্গে অসমে টানা তৃতীয়বার সরকার গঠন করে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নিজের অবস্থান আরও মজবুত করল বিজেপি।

শপথগ্রহণের এই বিচিত্র মিশ্রণ—রাজনৈতিক গুরুদের উপস্থিতি, স্বদেশীয় সাংস্কৃতিক ছোঁয়া এবং সমর্থকদের উত্সাহ—অসমের নতুন সরকারকে নিয়ে আকর্ষণীয় প্রত্যাশা তৈরি করেছে। আগামী দফায় কিভাবে রাজ্যের প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কাজ এগোবে তা নজর রাখা হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

হিমন্ত বিশ্ব শর্মা দুইবারের জন্য অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন

প্রকাশিতঃ ১০:৪০:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

টানা দ্বিতীয়বারের মতো অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে গুয়াহাটির খানাপাড়ায় আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল লক্ষ্মণ প্রসাদ আচার্য তাকে শপথবাক্য পাঠ করান।

শপথগ্রহণে দেশের উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, গৃহমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনসহ বিজেপি ও এনডিএ জোটের একাধিক শীর্ষনেতা।

হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সঙ্গে একই মঞ্চে নতুন মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্যও শপথ নেন; তাদের মধ্যে ছিলেন সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামেশ্বর তেলি, আসামগণ পরিষদের সভাপতি অতুল বরা, ইউনাইটেড পিপলস পার্টি লিবারেলের নেতা চরণ বোড়ো ও বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা অজন্তা নেগো।

অনুষ্ঠানে দেশজুড়ে এনডিএ শাসিত ২২টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, শিল্পপতি এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। মঞ্চ ও চারিপাশ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে যখন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ঐতিহ্যবাহী অসমিয়া পোশাকে শপথ নিতে ওঠেন — বিপুল সংখ্যক সমর্থক ও কর্মী উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট বিশাল জয় পেয়ে আবারও ক্ষমতায় এসেছেন। ২০২১ সালে প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে এবার দ্বিতীয়বারের জন্য দায়িত্ব নিলেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। একই সঙ্গে অসমে টানা তৃতীয়বার সরকার গঠন করে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নিজের অবস্থান আরও মজবুত করল বিজেপি।

শপথগ্রহণের এই বিচিত্র মিশ্রণ—রাজনৈতিক গুরুদের উপস্থিতি, স্বদেশীয় সাংস্কৃতিক ছোঁয়া এবং সমর্থকদের উত্সাহ—অসমের নতুন সরকারকে নিয়ে আকর্ষণীয় প্রত্যাশা তৈরি করেছে। আগামী দফায় কিভাবে রাজ্যের প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কাজ এগোবে তা নজর রাখা হবে।