০৮:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
একনেকে ৩ হাজার ৮৯১ কোটিতে ১০টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন বিনা জামানতে তরুণ উদ্যোক্তাদের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ, স্টার্টআপে মাত্র ৪% সুদ অবকাঠামো উন্নয়নে দক্ষতা বাড়াতে সেতু কর্তৃপক্ষের তিন দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ শুরু একনেক সভায় ১০ প্রকল্পে ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৯৭ লাখ টাকার অনুমোদন চুক্তি ব্যবস্থাপনায় বিমা জ্ঞানে সেতু কর্তৃপক্ষের তিনদিনের বিশেষ প্রশিক্ষণ শুরু মস্কোয় আলোচনায় বাংলাদেশ-রাশিয়ার দ্বিপক্ষীয় ও জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার বাংলাদেশের ওষুধ ১৪০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবসে প্রধানমন্ত্রী: টিকে থাকতে উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন অপরিহার্য সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে আনসার-ভিডিপির ভূমিকা শক্তিশালী হয়েছে বাংলাদেশি ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে ১৪০ দেশে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বিমা খাতে দরবৃদ্ধি টেনে সূচক বাড়ল, লেনদেনে মন্দাভাব

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক সামান্য উর্ধ্বগতি দেখায়। বাজারে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর কমে যাওয়া সত্ত্বেও বিমা খাতের কোম্পানিগুলোর অতর্কিত দরবৃদ্ধিই সূচককে ওপরে টেনে নেয়। তবুও মোট লেনদেন আগের দিনের তুলনায় স্পষ্টভাবে কমে গেছে।

ডিএসইর পরিসংখ্যান বলছে, দিনের শুরু থেকেই বিমা কোম্পানির শেয়ারগুলোতে বিনিয়োগকারীদের উৎসাহ ছিল এবং তা শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে। দিনের শেষে ৪১টি বিমা প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়ে যায়, যেখানে ১৬টির দর কমেছিল। সামগ্রিকভাবে ডিএসইতে ১৫২টি প্রতিষ্ঠানের দাম বাড়লেও ১৮৬টির দরপতন ঘটে এবং ৫৫টির শেয়ার দর অপরিবর্তিত ছিল। ফলশ্রুতিতে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৩ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২৪৩ পয়েন্টে পৌঁছায়। ডিএসই-৩০ ও ডিএসই শরিয়াহ সূচক দুটোই ১ পয়েন্ট করে বাড়ে।

তবে দামর বাড়ার পরিমাণ থাকা সত্ত্বেও লেনদেনে সংকোচন দেখা যায়। বুধবার ডিএসইতে মোট লেনদেন ছিল ৮৫৬ কোটি ৯ লাখ টাকা, যা আগের দিনের ১ হাজার ১০১ কোটি ৫২ লাখ টাকার তুলনায় প্রায় ২৪৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকা কম। লেনদেনে শীর্ষে ছিলেন ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, আরডি ফুড ও মুন্নু সিরামিক। এছাড়া লাভেলো আইসক্রিম, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস ও এনসিসি ব্যাংকের শেয়ারও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কেনাবেচা হয়েছে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) চিত্রটা ভিন্ন ছিল। সেখানে সার্বিক সূচক কাস্পিআই ১৩ পয়েন্ট নেমে আসে। বাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২২৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০৫টির দাম কমে এবং ৯৫টির দাম বাড়ে। সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের তুলনায় বাড়িয়ে ৩৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকায় পৌঁছায়।

সংক্ষেপে বলা যায়, বিমা খাতে ক্রেতাদের ঝোঁকই ডিএসইর লাগাম টেনে ধরে সূচক বাড়ায়—তবে বাজারে অংশগ্রহণের গতি কমে যাওয়ায় মোট লেনদেন মন্থর লাগে। বিনিয়োগকারীরা নির্দিষ্ট খাতের তীব্র লেনদেনের দিকে নজর দিলেও বিস্তৃত বাজারে ক্রমহ্রাস ধারণা বাড়ায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বিনা জামানতে তরুণ উদ্যোক্তাদের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ, স্টার্টআপে মাত্র ৪% সুদ

বিমা খাতে দরবৃদ্ধি টেনে সূচক বাড়ল, লেনদেনে মন্দাভাব

প্রকাশিতঃ ০২:২৫:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক সামান্য উর্ধ্বগতি দেখায়। বাজারে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর কমে যাওয়া সত্ত্বেও বিমা খাতের কোম্পানিগুলোর অতর্কিত দরবৃদ্ধিই সূচককে ওপরে টেনে নেয়। তবুও মোট লেনদেন আগের দিনের তুলনায় স্পষ্টভাবে কমে গেছে।

ডিএসইর পরিসংখ্যান বলছে, দিনের শুরু থেকেই বিমা কোম্পানির শেয়ারগুলোতে বিনিয়োগকারীদের উৎসাহ ছিল এবং তা শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে। দিনের শেষে ৪১টি বিমা প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়ে যায়, যেখানে ১৬টির দর কমেছিল। সামগ্রিকভাবে ডিএসইতে ১৫২টি প্রতিষ্ঠানের দাম বাড়লেও ১৮৬টির দরপতন ঘটে এবং ৫৫টির শেয়ার দর অপরিবর্তিত ছিল। ফলশ্রুতিতে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৩ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২৪৩ পয়েন্টে পৌঁছায়। ডিএসই-৩০ ও ডিএসই শরিয়াহ সূচক দুটোই ১ পয়েন্ট করে বাড়ে।

তবে দামর বাড়ার পরিমাণ থাকা সত্ত্বেও লেনদেনে সংকোচন দেখা যায়। বুধবার ডিএসইতে মোট লেনদেন ছিল ৮৫৬ কোটি ৯ লাখ টাকা, যা আগের দিনের ১ হাজার ১০১ কোটি ৫২ লাখ টাকার তুলনায় প্রায় ২৪৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকা কম। লেনদেনে শীর্ষে ছিলেন ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, আরডি ফুড ও মুন্নু সিরামিক। এছাড়া লাভেলো আইসক্রিম, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস ও এনসিসি ব্যাংকের শেয়ারও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কেনাবেচা হয়েছে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) চিত্রটা ভিন্ন ছিল। সেখানে সার্বিক সূচক কাস্পিআই ১৩ পয়েন্ট নেমে আসে। বাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২২৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০৫টির দাম কমে এবং ৯৫টির দাম বাড়ে। সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের তুলনায় বাড়িয়ে ৩৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকায় পৌঁছায়।

সংক্ষেপে বলা যায়, বিমা খাতে ক্রেতাদের ঝোঁকই ডিএসইর লাগাম টেনে ধরে সূচক বাড়ায়—তবে বাজারে অংশগ্রহণের গতি কমে যাওয়ায় মোট লেনদেন মন্থর লাগে। বিনিয়োগকারীরা নির্দিষ্ট খাতের তীব্র লেনদেনের দিকে নজর দিলেও বিস্তৃত বাজারে ক্রমহ্রাস ধারণা বাড়ায়।