০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ: দীপু মনি, ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু ট্রাইব্যুনালে হাজির

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে ঘটে যাওয়া হত্যাযজ্ঞ সংক্রান্ত মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালেই কারাগার থেকে তাদের ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলের সামনে।

প্রসিকিউশন পূর্বে ৭ মে অনুপস্থিতির কারণে তিনজনের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়্যারেন্ট চেয়ে আবেদন করে। সেই অনুযায়ী তাদের হাজির করতেই আজকের দিন ধার্য করা হয়।

ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়ে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন ডা. দীপু মনি। তিনি তখন আন্তর্জাতিকভাবে দাবি করেছিলেন যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ‘উচ্ছৃঙ্খল’ একদলকে নির্মূল করেছে। পাশাপাশি প্রসিকিউটর জানান, শুরু থেকেই হেফাজতের সমাবেশে উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচার হিসেবে একাত্তর টিভির মাধ্যমে ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু তাদের ভাষণ সম্প্রচার করেছেন।

মামলাটি এখনও তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত কর্মকর্তা আগামী ৭ জুন প্রতিবেদন দাখিল করবেন বলে জানানো হয়েছে।

এ মামলায় ইতোমধ্যেই ছয় জন আসামি গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন — সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ.কে.এম. শহিদুল হক, সাবেক পুলিশ উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্লা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির এবং সাবেক ডিআইজি আব্দুল জলিল মণ্ডল।

প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের সমাবেশের সময় ঢাকাসহ চারটি স্থানে মোট ৫৮ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ঢাকায় ৩২ জন, নারায়ণগঞ্জে ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন এবং কুমিল্লায় একজন—এমনটি তদন্ত সংস্থার শনাক্ত করা তথ্য।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ: দীপু মনি, ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু ট্রাইব্যুনালে হাজির

প্রকাশিতঃ ১০:৪২:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে ঘটে যাওয়া হত্যাযজ্ঞ সংক্রান্ত মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালেই কারাগার থেকে তাদের ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলের সামনে।

প্রসিকিউশন পূর্বে ৭ মে অনুপস্থিতির কারণে তিনজনের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়্যারেন্ট চেয়ে আবেদন করে। সেই অনুযায়ী তাদের হাজির করতেই আজকের দিন ধার্য করা হয়।

ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়ে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন ডা. দীপু মনি। তিনি তখন আন্তর্জাতিকভাবে দাবি করেছিলেন যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ‘উচ্ছৃঙ্খল’ একদলকে নির্মূল করেছে। পাশাপাশি প্রসিকিউটর জানান, শুরু থেকেই হেফাজতের সমাবেশে উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচার হিসেবে একাত্তর টিভির মাধ্যমে ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু তাদের ভাষণ সম্প্রচার করেছেন।

মামলাটি এখনও তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত কর্মকর্তা আগামী ৭ জুন প্রতিবেদন দাখিল করবেন বলে জানানো হয়েছে।

এ মামলায় ইতোমধ্যেই ছয় জন আসামি গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন — সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ.কে.এম. শহিদুল হক, সাবেক পুলিশ উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্লা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির এবং সাবেক ডিআইজি আব্দুল জলিল মণ্ডল।

প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের সমাবেশের সময় ঢাকাসহ চারটি স্থানে মোট ৫৮ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ঢাকায় ৩২ জন, নারায়ণগঞ্জে ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন এবং কুমিল্লায় একজন—এমনটি তদন্ত সংস্থার শনাক্ত করা তথ্য।