০৪:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

আইসিসি র‍্যাংকিংয়ে শান্ত-নাহিদের নজরকাড়া লাফ

মিরপুরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১০৪ রানের ঐতিহাসিক জয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ও খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত র‍্যাংকিংয়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বুধবার প্রকাশিত আইসিসির সাপ্তাহিক হালনাগাদে দেখা গেছে, ওই ম্যাচে যোগ করা মূল্যবান পারফরম্যান্সগুলো খেলোয়াড়দের র‍্যাংকিংয়ে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এই সফরে সবথেকে বড় লাফ দেখান। মিরপুর টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০১ রানের পঞ্চাশ ছাপানো সেঞ্চুরি ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৭ রানের লড়াকু ইনিংসের ফলে তিনি আইসিসি টেস্ট ব্যাটারদের তালিকায় একবারে ১৬ ধাপ উঠে ২৩ নম্বরে অবস্থান করছেন — যা তার টেস্ট ক্যারিয়ারের সেরা রেটিং ও অবস্থান। ম্যাচ সেরার খেতাব পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই উন্নতি বাংলাদেশের ব্যাটিং শক্তির পরিচায়ক হিসেবে বিবেচিত হবে।

টপ অর্ডারের অপর অভিজ্ঞ ব্যাটার মুমিনুল হকও মিরপুর জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। প্রথম ইনিংসে ৯১ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৬ রান করে তিনি র‍্যাংকিংয়ে ১২ ধাপ এগিয়ে এখন ৩৫ নম্বর অবস্থানে রয়েছেন। শান্ত ও মুমিনুলের ধারাবাহিকতা বাংলাদেশের ব্যাটিং একাদশকে নতুন আত্মবিশ্বাস যোগ করেছে এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাদের মর্যাদা বাড়িয়েছে।

বোলিং বিভাগেও ভালো অগ্রগতি লক্ষ্য করা গেছে। মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৪০ রানে ৫ উইকেট নিয়ে তাণ্ডব ঘটানো পেসার নাহিদ রানা র‍্যাংকিংয়ে ৫ ধাপ উঠে ৬৪ নম্বরে উঠে এসেছেন। এছাড়া দুই ইনিংসে প্রতিকূল বোলিং অবস্থায় ৪টি করে উইকেট নেওয়া তাসকিন আহমেদ ও স্পিনার তাইজুল ইসলাম—দুইজনের র‍্যাংকিংতেও ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে।

টি-মিলিয়ে দলের বোলিং আক্রমণের এই সমন্বিত প্রচেষ্টাই মিরপুরে পাকিস্তানকে অলআউট করে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করেছে। আইসিসির আপডেটে এসব ব্যক্তিগত ও দলগত সফলতা প্রতিফলিত হওয়ায় বাংলাদেশের আগামী ম্যাচগুলোতে প্রত্যাশা আরও বেড়েছে।

সংক্ষেপে, মিরপুর টেস্ট কেবল একটি ম্যাচে জয়ের চেয়ে বেশি—এটি বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিংয়ে মর্যাদা বাড়ানোর একটি বড় উপলক্ষ হিসেবেই দেখা যাচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

আইসিসি র‍্যাংকিংয়ে শান্ত-নাহিদের নজরকাড়া লাফ

প্রকাশিতঃ ০৭:২২:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

মিরপুরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১০৪ রানের ঐতিহাসিক জয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ও খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত র‍্যাংকিংয়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বুধবার প্রকাশিত আইসিসির সাপ্তাহিক হালনাগাদে দেখা গেছে, ওই ম্যাচে যোগ করা মূল্যবান পারফরম্যান্সগুলো খেলোয়াড়দের র‍্যাংকিংয়ে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এই সফরে সবথেকে বড় লাফ দেখান। মিরপুর টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০১ রানের পঞ্চাশ ছাপানো সেঞ্চুরি ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৭ রানের লড়াকু ইনিংসের ফলে তিনি আইসিসি টেস্ট ব্যাটারদের তালিকায় একবারে ১৬ ধাপ উঠে ২৩ নম্বরে অবস্থান করছেন — যা তার টেস্ট ক্যারিয়ারের সেরা রেটিং ও অবস্থান। ম্যাচ সেরার খেতাব পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই উন্নতি বাংলাদেশের ব্যাটিং শক্তির পরিচায়ক হিসেবে বিবেচিত হবে।

টপ অর্ডারের অপর অভিজ্ঞ ব্যাটার মুমিনুল হকও মিরপুর জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। প্রথম ইনিংসে ৯১ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৬ রান করে তিনি র‍্যাংকিংয়ে ১২ ধাপ এগিয়ে এখন ৩৫ নম্বর অবস্থানে রয়েছেন। শান্ত ও মুমিনুলের ধারাবাহিকতা বাংলাদেশের ব্যাটিং একাদশকে নতুন আত্মবিশ্বাস যোগ করেছে এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাদের মর্যাদা বাড়িয়েছে।

বোলিং বিভাগেও ভালো অগ্রগতি লক্ষ্য করা গেছে। মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৪০ রানে ৫ উইকেট নিয়ে তাণ্ডব ঘটানো পেসার নাহিদ রানা র‍্যাংকিংয়ে ৫ ধাপ উঠে ৬৪ নম্বরে উঠে এসেছেন। এছাড়া দুই ইনিংসে প্রতিকূল বোলিং অবস্থায় ৪টি করে উইকেট নেওয়া তাসকিন আহমেদ ও স্পিনার তাইজুল ইসলাম—দুইজনের র‍্যাংকিংতেও ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে।

টি-মিলিয়ে দলের বোলিং আক্রমণের এই সমন্বিত প্রচেষ্টাই মিরপুরে পাকিস্তানকে অলআউট করে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করেছে। আইসিসির আপডেটে এসব ব্যক্তিগত ও দলগত সফলতা প্রতিফলিত হওয়ায় বাংলাদেশের আগামী ম্যাচগুলোতে প্রত্যাশা আরও বেড়েছে।

সংক্ষেপে, মিরপুর টেস্ট কেবল একটি ম্যাচে জয়ের চেয়ে বেশি—এটি বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিংয়ে মর্যাদা বাড়ানোর একটি বড় উপলক্ষ হিসেবেই দেখা যাচ্ছে।