০১:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

জার্মানির আমান গ্রুপ বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগ ও কারখানা সম্প্রসারণের ঘোষণা

জার্মানিভিত্তিক সুতা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান আমান গ্রুপ বাংলাদেশে তাদের ব্যবসা ও উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে বড় ধরনের বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। রাজধানীর উত্তরা এলাকা জুড়ে অবস্থিত বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে আমান গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মার্কাস নিকোলাউস এই সিদ্ধান্ত জানালে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে দুইপক্ষই বিস্তারিত আলোচনা করেন। বৈঠকে বিজিএমইএ (বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন) সভাপতি মাহমুদ হাসান খানও উপস্থিত ছিলেন।

বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, বছরের শুরুতে বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাবের কারণে রপ্তানিতে কিছুটা ধাক্কা লাগলেও এখন খাত দ্রুত পুনরুদ্ধারে এগোচ্ছে। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প এখন এক বড় রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আমরা পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়াতে এবং উচ্চমূল্যের, মানসম্মত পোশাক উৎপাদনে জোর দিচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য কেবল রপ্তানির পরিমাণ বোনো নয়, বরং মানসীমাও উন্নত করা।” তিনি আমান গ্রুপকে কেবল সরবরাহকারী হিসেবে নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী অংশীদার হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং জার্মানির নামী ব্র্যান্ডগুলোর কাছে বাংলাদেশের কর্মপরিবেশ ও সক্ষমতা তুলে ধরতে তাদের সহযোগিতা চাইলেন।

জবাবে মার্কাস নিকোলাউস বাংলাদেশে বিনিয়োগ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে জানান, তারা দেশটিতে নতুন সুযোগ পর্যবেক্ষণ করছেন এবং বিশেষভাবে হাই-টেক টেক্সটাইল খাতে বড় বিনিয়োগের সম্ভাবনা দেখছেন। তিনি আরও বলেন, “আমরা আমাদের উন্নতমানের সুতার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক প্রিমিয়াম সেগমেন্টের চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে কাজ করবো।” বৈঠকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ঝুঁকি, মার্কিন শুল্ক নীতি এবং দেশের বন্দর ও জ্বালানি খাতের অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়েও ফলপ্রসূ মতবিনিময় হয়।

আমান গ্রুপের প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা—চিফ কমার্শিয়াল অফিসার ক্রিস্টিন বাউয়ার এবং কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর রোকন জামান প্রমুখ। গ্রুপটি বাংলাদেশে ‘আমান বাংলাদেশ লিমিটেড’ নামে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

বিজিএমইএ সভাপতি আমান গ্রুপের এই বিনিয়োগ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সরকার ও শিল্প সংগঠন থেকে সবধরনের নীতিগত ও কৌশলগত সহায়তা তারা পাবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই বিনিয়োগ বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও টেকসই উৎপাদনশীলতাকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করবে এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অবস্থানকে মজবুত করবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

জার্মানির আমান গ্রুপ বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগ ও কারখানা সম্প্রসারণের ঘোষণা

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

জার্মানিভিত্তিক সুতা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান আমান গ্রুপ বাংলাদেশে তাদের ব্যবসা ও উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে বড় ধরনের বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। রাজধানীর উত্তরা এলাকা জুড়ে অবস্থিত বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে আমান গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মার্কাস নিকোলাউস এই সিদ্ধান্ত জানালে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে দুইপক্ষই বিস্তারিত আলোচনা করেন। বৈঠকে বিজিএমইএ (বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন) সভাপতি মাহমুদ হাসান খানও উপস্থিত ছিলেন।

বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, বছরের শুরুতে বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাবের কারণে রপ্তানিতে কিছুটা ধাক্কা লাগলেও এখন খাত দ্রুত পুনরুদ্ধারে এগোচ্ছে। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প এখন এক বড় রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আমরা পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়াতে এবং উচ্চমূল্যের, মানসম্মত পোশাক উৎপাদনে জোর দিচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য কেবল রপ্তানির পরিমাণ বোনো নয়, বরং মানসীমাও উন্নত করা।” তিনি আমান গ্রুপকে কেবল সরবরাহকারী হিসেবে নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী অংশীদার হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং জার্মানির নামী ব্র্যান্ডগুলোর কাছে বাংলাদেশের কর্মপরিবেশ ও সক্ষমতা তুলে ধরতে তাদের সহযোগিতা চাইলেন।

জবাবে মার্কাস নিকোলাউস বাংলাদেশে বিনিয়োগ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে জানান, তারা দেশটিতে নতুন সুযোগ পর্যবেক্ষণ করছেন এবং বিশেষভাবে হাই-টেক টেক্সটাইল খাতে বড় বিনিয়োগের সম্ভাবনা দেখছেন। তিনি আরও বলেন, “আমরা আমাদের উন্নতমানের সুতার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক প্রিমিয়াম সেগমেন্টের চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে কাজ করবো।” বৈঠকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ঝুঁকি, মার্কিন শুল্ক নীতি এবং দেশের বন্দর ও জ্বালানি খাতের অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়েও ফলপ্রসূ মতবিনিময় হয়।

আমান গ্রুপের প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা—চিফ কমার্শিয়াল অফিসার ক্রিস্টিন বাউয়ার এবং কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর রোকন জামান প্রমুখ। গ্রুপটি বাংলাদেশে ‘আমান বাংলাদেশ লিমিটেড’ নামে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

বিজিএমইএ সভাপতি আমান গ্রুপের এই বিনিয়োগ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সরকার ও শিল্প সংগঠন থেকে সবধরনের নীতিগত ও কৌশলগত সহায়তা তারা পাবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই বিনিয়োগ বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও টেকসই উৎপাদনশীলতাকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করবে এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অবস্থানকে মজবুত করবে।