১১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ঈদের দ্বিতীয় দিনেও নাড়ির টানে রাজধানী ছাড়ছেন বিপুল সংখ্যক মানুষ

পবিত্র ঈদুল আজহার আনুষ্ঠানিকতা শেষে উৎসবের দ্বিতীয় দিনেও নাড়ির টানে রাজধানী থেকে ঘরমুখো মানুষের আনাগোনা দেখা গেছে। শুক্রবার সকালে বিভিন্ন টার্মিনাল ও রাস্তার মোড়ে ঘরমুখোদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো, অনেকেই মুহূর্তের মধ্যে বাসে চড়ে নিজ গন্তব্যের দিকে রওনা দিয়েছেন।

গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালীসহ প্রধান বাস টার্মিনালগুলোতে ভোর থেকেই উঠোন জমে ছিল। কাউন্টারগুলোতে আগের মতো দীর্ঘ লাইন না থাকলেও কাউন্টারের পাশে এবং সড়কের মোড়ে যাত্রীদের সমাগম তত কম ছিল না। কেবল টার্মিনালের ভেতরে নয়, অনেকেই শহরের বিভিন্ন রাস্তাঘাট থেকে সরাসরি বাসে উঠে যাচ্ছিলেন।

যাত্রী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কর্মব্যস্ততা ও ছুটির সীমাবদ্ধতার কারণে অনেকে ঈদের আগে ঢাকা ছাড়তে পারেননি। বিশেষ করে জরুরি সেবায় নিয়োজিত কর্মী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রথম দিন এখানে কাটিয়ে এখন পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে গ্রামের দিকে বের হয়েছেন। অনেকে বলছেন, প্রথম দিনের ভিড় ও ঝক্কি এড়ানোর জন্যই তারা পরিকল্পিতভাবে দ্বিতীয় দিনে যাত্রা শুরু করেছেন।

আজকের যাত্রাপথে যানচলাচল তুলনামূলকভাবে কম থাকায় ভ্রমণ তুলনামূলকভাবে আরামদায়ক হচ্ছে। মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট না থাকায় অনেক যাত্রীই স্বস্তি পেয়েছেন এবং আশা করছেন বাকিটা ছুটির সময়ে স্বজনের সঙ্গে ভালো সময় কাটাতে পারবেন। আবহাওয়াও অনুকূল থাকায় পরিস্থিতি আরও সহজ হয়েছে।

পরিবহন শ্রমিকরা বলছেন, নির্ধারিত টার্মিনালের বাইরে সড়কের মোড়ে ওঠা-নামা বাড়ায় তাদের কাজও ভারসাম্য বজায় রয়েছে। টিকিট আন্দোলন ছিল স্বাভাবিকের চেয়ে কম পরিমাণে, তবে যাত্রী সংখ্যা মোটেই কম নয়; বাসগুলোও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সময়মতো গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে।

প্রশাসন মহলও মহাসড়ক ও টার্মিনাল এলাকায় নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নজরদারি বাড়িয়েছে। পুরো দৃশ্য দেখে যাত্রী ও চালকরা আশাপ্রকাশ করছেন—বড় কোনো জটলা ছাড়াই অনেকেই এখন প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার পথে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ঈদের দ্বিতীয় দিনেও নাড়ির টানে রাজধানী ছাড়ছেন বিপুল সংখ্যক মানুষ

প্রকাশিতঃ ১০:৪১:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

পবিত্র ঈদুল আজহার আনুষ্ঠানিকতা শেষে উৎসবের দ্বিতীয় দিনেও নাড়ির টানে রাজধানী থেকে ঘরমুখো মানুষের আনাগোনা দেখা গেছে। শুক্রবার সকালে বিভিন্ন টার্মিনাল ও রাস্তার মোড়ে ঘরমুখোদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো, অনেকেই মুহূর্তের মধ্যে বাসে চড়ে নিজ গন্তব্যের দিকে রওনা দিয়েছেন।

গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালীসহ প্রধান বাস টার্মিনালগুলোতে ভোর থেকেই উঠোন জমে ছিল। কাউন্টারগুলোতে আগের মতো দীর্ঘ লাইন না থাকলেও কাউন্টারের পাশে এবং সড়কের মোড়ে যাত্রীদের সমাগম তত কম ছিল না। কেবল টার্মিনালের ভেতরে নয়, অনেকেই শহরের বিভিন্ন রাস্তাঘাট থেকে সরাসরি বাসে উঠে যাচ্ছিলেন।

যাত্রী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কর্মব্যস্ততা ও ছুটির সীমাবদ্ধতার কারণে অনেকে ঈদের আগে ঢাকা ছাড়তে পারেননি। বিশেষ করে জরুরি সেবায় নিয়োজিত কর্মী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রথম দিন এখানে কাটিয়ে এখন পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে গ্রামের দিকে বের হয়েছেন। অনেকে বলছেন, প্রথম দিনের ভিড় ও ঝক্কি এড়ানোর জন্যই তারা পরিকল্পিতভাবে দ্বিতীয় দিনে যাত্রা শুরু করেছেন।

আজকের যাত্রাপথে যানচলাচল তুলনামূলকভাবে কম থাকায় ভ্রমণ তুলনামূলকভাবে আরামদায়ক হচ্ছে। মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট না থাকায় অনেক যাত্রীই স্বস্তি পেয়েছেন এবং আশা করছেন বাকিটা ছুটির সময়ে স্বজনের সঙ্গে ভালো সময় কাটাতে পারবেন। আবহাওয়াও অনুকূল থাকায় পরিস্থিতি আরও সহজ হয়েছে।

পরিবহন শ্রমিকরা বলছেন, নির্ধারিত টার্মিনালের বাইরে সড়কের মোড়ে ওঠা-নামা বাড়ায় তাদের কাজও ভারসাম্য বজায় রয়েছে। টিকিট আন্দোলন ছিল স্বাভাবিকের চেয়ে কম পরিমাণে, তবে যাত্রী সংখ্যা মোটেই কম নয়; বাসগুলোও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সময়মতো গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে।

প্রশাসন মহলও মহাসড়ক ও টার্মিনাল এলাকায় নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নজরদারি বাড়িয়েছে। পুরো দৃশ্য দেখে যাত্রী ও চালকরা আশাপ্রকাশ করছেন—বড় কোনো জটলা ছাড়াই অনেকেই এখন প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার পথে।