১২:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে মালদ্বীপকে ৪-২ হারিয়ে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে মালদ্বীপকে ৪-২ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। গোয়ার জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে খেলা ম্যাচে অনেক উত্থান-পতনের পর সাক্ষ্য মিলেছে সাহসিকতা ও ধৈর্যের; শেষ পর্যন্ত পুরো পয়েন্টটাই নিয়েছে সাবিনারা। এই জয় দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারত—উভয় দলই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে এবং টানা দুই হারে টুর্নামেন্ট থেকে মালদ্বীপের বিদায় নিশ্চিত হয়েছে। আগামী ৩১ মে গ্রুপ সেরা হওয়ার লড়াইয়ে ভারতের সঙ্গে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ; গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় ভারতের জন্য একটি ড্রও যথেষ্ট হবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য।

ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের দিকেই ছিল আক্রমণাত্মক সুবিধা। খেলাটি শুরু হতেই প্রথম মিনিটে সুইডেন প্রবাসী আনিকা সিদ্দিকী দ্রুত লক্ষ্যে গল করে দলের জন্য এগিয়ে নেন। ৩৪ মিনিটে উমহেলার গোল সেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে বাংলাদেশের জন্য পরিস্থিতি অনুকূল করে। কিন্তু অতিরিক্ত আক্রমণের কৌশলে কোচ বাটলারের দল যখন রক্ষণে সামান্য সরলতা দেখায়, ততক্ষণেই মালদ্বীপ সুযোগ নিয়ে মাঠে ফেরে। প্রথমার্ধের শেষ নাগাদ মালদ্বীপের ফরোয়ার্ড নুরা আগুয়ানের সঠিক লব শটে গোলরক্ষক মিলির ওপর থেকে বল জালে গিয়ে ম্যাচের লড়াই জমে ওঠে।

বিরতির পর ৫৭ মিনিটে মালদ্বীপ আবারও সমতায় ফেরে; ফাজলারের শট মিলির হাত থেকে ফসে গিয়েছিল এবং সেটি গোলের রূপ নেয়। আশা মতোই মালদ্বীপ ম্যাচে ফিরে এসে বার বার বাংলাদেশের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করে, তাদের লড়াকু মানসিকতা এদিন স্পষ্ট ছিল। তবে ৬৩ মিনিটে মালদ্বীপ গোলরক্ষকের এক ভুলের সুযোগ নিতে জানে বাংলাদেশের সুরভি আকন্দ প্রীতি, তার লক্ষ্যে করা শটে বাংলাদেশ পুনরায় ৩-২ এগিয়ে যায়।

ম্যাচের শেষ দিকে বাংলাদেশের রক্ষণে আক্রমণ ও কন্‍ट্রা আক্রমণে চাপ থাকলেও রিতুপর্ণা চাকমা বহু দূরপাল্লার শক্তিশালী শটে বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করলেও সেগুলো কাজে লাগানো হয়নি। ইনজুরি টাইমে রিতুপর্ণার কোর্নার থেকে কিসকু কোহাতি সুচারুভাবে গোল করলে ব্যবধান ৪-২ হয়ে বাংলাদেশ নিশ্চিত করেছে ম্যাচ। শেষ মুহূর্তে গোলটি দলের জন্য স্বস্তি আর নিশ্চিত জয়ের হাসি বয়ে আনলো।

সমগ্র ম্যাচ জুড়ে বাংলাদেশের আক্রমণ ও ক্ষণিক কয়েকটি রক্ষা-বিগ্রহ মিলিয়ে উত্তেজনাপূর্ণ প্রতিযোগিতা দেখতে পেয়েছিল দর্শকরা। ম্যাচের ফল বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ—টিমটি সেমিফাইনালে পৌঁছিয়েছে এবং পরবর্তী প্রতিপক্ষ ভারতকে মোকাবেলায় নিজেদের মনের জোর ও কৌশল আরও গুছিয়ে নিতে হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে মালদ্বীপকে ৪-২ হারিয়ে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

প্রকাশিতঃ ০২:২২:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে মালদ্বীপকে ৪-২ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। গোয়ার জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে খেলা ম্যাচে অনেক উত্থান-পতনের পর সাক্ষ্য মিলেছে সাহসিকতা ও ধৈর্যের; শেষ পর্যন্ত পুরো পয়েন্টটাই নিয়েছে সাবিনারা। এই জয় দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারত—উভয় দলই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে এবং টানা দুই হারে টুর্নামেন্ট থেকে মালদ্বীপের বিদায় নিশ্চিত হয়েছে। আগামী ৩১ মে গ্রুপ সেরা হওয়ার লড়াইয়ে ভারতের সঙ্গে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ; গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় ভারতের জন্য একটি ড্রও যথেষ্ট হবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য।

ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের দিকেই ছিল আক্রমণাত্মক সুবিধা। খেলাটি শুরু হতেই প্রথম মিনিটে সুইডেন প্রবাসী আনিকা সিদ্দিকী দ্রুত লক্ষ্যে গল করে দলের জন্য এগিয়ে নেন। ৩৪ মিনিটে উমহেলার গোল সেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে বাংলাদেশের জন্য পরিস্থিতি অনুকূল করে। কিন্তু অতিরিক্ত আক্রমণের কৌশলে কোচ বাটলারের দল যখন রক্ষণে সামান্য সরলতা দেখায়, ততক্ষণেই মালদ্বীপ সুযোগ নিয়ে মাঠে ফেরে। প্রথমার্ধের শেষ নাগাদ মালদ্বীপের ফরোয়ার্ড নুরা আগুয়ানের সঠিক লব শটে গোলরক্ষক মিলির ওপর থেকে বল জালে গিয়ে ম্যাচের লড়াই জমে ওঠে।

বিরতির পর ৫৭ মিনিটে মালদ্বীপ আবারও সমতায় ফেরে; ফাজলারের শট মিলির হাত থেকে ফসে গিয়েছিল এবং সেটি গোলের রূপ নেয়। আশা মতোই মালদ্বীপ ম্যাচে ফিরে এসে বার বার বাংলাদেশের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করে, তাদের লড়াকু মানসিকতা এদিন স্পষ্ট ছিল। তবে ৬৩ মিনিটে মালদ্বীপ গোলরক্ষকের এক ভুলের সুযোগ নিতে জানে বাংলাদেশের সুরভি আকন্দ প্রীতি, তার লক্ষ্যে করা শটে বাংলাদেশ পুনরায় ৩-২ এগিয়ে যায়।

ম্যাচের শেষ দিকে বাংলাদেশের রক্ষণে আক্রমণ ও কন্‍ट্রা আক্রমণে চাপ থাকলেও রিতুপর্ণা চাকমা বহু দূরপাল্লার শক্তিশালী শটে বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করলেও সেগুলো কাজে লাগানো হয়নি। ইনজুরি টাইমে রিতুপর্ণার কোর্নার থেকে কিসকু কোহাতি সুচারুভাবে গোল করলে ব্যবধান ৪-২ হয়ে বাংলাদেশ নিশ্চিত করেছে ম্যাচ। শেষ মুহূর্তে গোলটি দলের জন্য স্বস্তি আর নিশ্চিত জয়ের হাসি বয়ে আনলো।

সমগ্র ম্যাচ জুড়ে বাংলাদেশের আক্রমণ ও ক্ষণিক কয়েকটি রক্ষা-বিগ্রহ মিলিয়ে উত্তেজনাপূর্ণ প্রতিযোগিতা দেখতে পেয়েছিল দর্শকরা। ম্যাচের ফল বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ—টিমটি সেমিফাইনালে পৌঁছিয়েছে এবং পরবর্তী প্রতিপক্ষ ভারতকে মোকাবেলায় নিজেদের মনের জোর ও কৌশল আরও গুছিয়ে নিতে হবে।