১১:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যে দৃষ্টিহীন নূরজাহানের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ

বয়স ও অন্ধত্বকে ছাপিয়ে দীর্ঘদিনের এক স্বপ্ন নূরজাহান বেগমের জীবনে পূরণ হয়েছে। তিনি jarenlang আশা করতেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানকে একবারই হলেও কাছ থেকে দেখার ও কথা বলার — সেই কামনা শনিবার রাজধানীর শাহজাহানপুরে একটি জনকল্যাণমূলক অনুষ্ঠানে পূরণ হয়, যখন তিনি প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যে এসে সরাসরি আলাপ করার সুযোগ পান।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, স্বাধীনতার ঘোষক ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে সেখানে দুস্থদের মধ্যে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ওই অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে নূরজাহান বেগম প্রধানমন্ত্রীর কাছে যান। চোখে দেখতে না পেলেও উপস্থিতি অনুভব করে তিনি আবেগে ভেঙে পড়েন এবং দীর্ঘদিনের লালিত সপ্ন বাস্তবে পরিণত হওয়ায় profound শান্তি অনুভব করেন।

সাক্ষাতের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তরিকতা নিয়ে বৃদ্ধার সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁর শারীরিক ও স্বাস্হ্য সংক্রান্ত খোঁজখবর নেন। কাছাকাছি পেয়ে নূরজাহান বেগম জানান, জীবনের বড় একটি ইচ্ছা আজ পূরণ হয়েছে। সেই আবেগঘন মুহূর্তে তিনি প্রধানমন্ত্রীর মাথায় হাত দেন, তাঁর হাত ধরে দোয়া করেন — দৃশ্যটি উপস্থিত জনতা ও কর্মকর্তাদের মধ্যেও মর্মস্পর্শী ছাপ ফেলে।

নূরজাহান বেগমের জীবন নিঃসঙ্গ ও কষ্টে ভরা। তিনি মুন্সীগঞ্জের বিক্রমপুরের বাসিন্দা; বৃদ্ধ বয়সে এখন আর কোনও নিকট আত্মীয় নেই—স্বামী ও সন্তান কেউ বেঁচে নেই। তবু দারিদ্র্য ও দৃষ্টিহীনতার মধ্যেও জিয়া পরিবারের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালোবাসা থেকে এই সাক্ষাতের আকাঙ্ক্ষা পোষণ করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত এই বৃহৎ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়েই তাঁর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটে।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সাধারণ মানুষের এমন গভীর ভালোবাসা ও আস্থা প্রধানমন্ত্রীকে জনসেবায় আরও অনুপ্রাণিত করে। একজন দৃষ্টিহীন নাগরিকের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করতে পেরে প্রধানমন্ত্রীও ব্যক্তিগতভাবে খুশি প্রকাশ করেছেন। এই সাক্ষাৎ কেবল একজন মানুষের ইচ্ছা পূরণ নয়—এটি নেতৃত্ব ও সাধারণ জনগণের আন্তরিক সম্পর্কের এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবেও বিবেচিত হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যে দৃষ্টিহীন নূরজাহানের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ

প্রকাশিতঃ ১০:৪১:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

বয়স ও অন্ধত্বকে ছাপিয়ে দীর্ঘদিনের এক স্বপ্ন নূরজাহান বেগমের জীবনে পূরণ হয়েছে। তিনি jarenlang আশা করতেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানকে একবারই হলেও কাছ থেকে দেখার ও কথা বলার — সেই কামনা শনিবার রাজধানীর শাহজাহানপুরে একটি জনকল্যাণমূলক অনুষ্ঠানে পূরণ হয়, যখন তিনি প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যে এসে সরাসরি আলাপ করার সুযোগ পান।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, স্বাধীনতার ঘোষক ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে সেখানে দুস্থদের মধ্যে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ওই অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে নূরজাহান বেগম প্রধানমন্ত্রীর কাছে যান। চোখে দেখতে না পেলেও উপস্থিতি অনুভব করে তিনি আবেগে ভেঙে পড়েন এবং দীর্ঘদিনের লালিত সপ্ন বাস্তবে পরিণত হওয়ায় profound শান্তি অনুভব করেন।

সাক্ষাতের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তরিকতা নিয়ে বৃদ্ধার সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁর শারীরিক ও স্বাস্হ্য সংক্রান্ত খোঁজখবর নেন। কাছাকাছি পেয়ে নূরজাহান বেগম জানান, জীবনের বড় একটি ইচ্ছা আজ পূরণ হয়েছে। সেই আবেগঘন মুহূর্তে তিনি প্রধানমন্ত্রীর মাথায় হাত দেন, তাঁর হাত ধরে দোয়া করেন — দৃশ্যটি উপস্থিত জনতা ও কর্মকর্তাদের মধ্যেও মর্মস্পর্শী ছাপ ফেলে।

নূরজাহান বেগমের জীবন নিঃসঙ্গ ও কষ্টে ভরা। তিনি মুন্সীগঞ্জের বিক্রমপুরের বাসিন্দা; বৃদ্ধ বয়সে এখন আর কোনও নিকট আত্মীয় নেই—স্বামী ও সন্তান কেউ বেঁচে নেই। তবু দারিদ্র্য ও দৃষ্টিহীনতার মধ্যেও জিয়া পরিবারের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালোবাসা থেকে এই সাক্ষাতের আকাঙ্ক্ষা পোষণ করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত এই বৃহৎ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়েই তাঁর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটে।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সাধারণ মানুষের এমন গভীর ভালোবাসা ও আস্থা প্রধানমন্ত্রীকে জনসেবায় আরও অনুপ্রাণিত করে। একজন দৃষ্টিহীন নাগরিকের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করতে পেরে প্রধানমন্ত্রীও ব্যক্তিগতভাবে খুশি প্রকাশ করেছেন। এই সাক্ষাৎ কেবল একজন মানুষের ইচ্ছা পূরণ নয়—এটি নেতৃত্ব ও সাধারণ জনগণের আন্তরিক সম্পর্কের এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবেও বিবেচিত হবে।