১১:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

আইপিএল ফাইনালের পর গুজরাট টাইটান্সের টিম বাসে আগুনের আতঙ্ক

আইপিএলের ফাইনালে হার ঢেলায় মুচকি ব্যথা কাটতে না কাটতেই গুজরাট টাইটান্স খেলোয়াড়দের জন্য ঘটে গেছে একটি চরম অস্বস্তিকর ঘটনা। রোববার রাতে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম থেকে হোটেলে ফেরার পথে দলের টিম বাসে হঠাৎ করে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং ভেতর ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে।

পিটিআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাসের বৈদ্যুতিক সিস্টেমে শর্ট সার্কিট হয়ে আগুন ধরার বিষয়টি ঘটেছে। ধোঁয়া দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় বাস চালক রাস্তার পাশে গাড়িটি থামিয়ে ড্রেস ও নিরাপত্তা কর্মীদের সহযোগিতায় দ্রুত সবাইকে নিরাপদ করে নামান। বৈঘট্য দ্রুত সামলানো না হলে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতো, তবে চালক ও কর্মীদের সাবলীলতায় তা রোধ করা সম্ভব হয়।

ঘটনার সময় বাসে থাকা খেলোয়াড় ও স্টাফদের মধ্যে অস্থিরতা দেখা যায়। বিশেষ করে শুভমান গিল ও মোহাম্মদ সিরাজকে প্রায় এক ঘণ্টা রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়েছে, আর কাগিসো রাবাদা-ও রাস্তায় বিচলিত ভঙ্গিতে দেখা গেছেন। বেশিক্ষণ ধোঁয়ার মধ্যে দাঁড়াতে না পারায় খেলা হারার মানসিক কষ্টের সঙ্গে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা তাঁদের উপর মানসিক চাপ আরও বাড়িয়ে দেয়।

বিগলির পরে বিকল বাসটি সরিয়ে নেওয়া হয় এবং ফ্র্যাঞ্চাইজির দ্রুত ব্যবস্থাপনায় একটি বিকল্প বাস পাঠানো হয়। পরে সেখানেই উঠে দলবল নিরাপদে হোটেলে ফেরেন। ফ্র্যাঞ্চাইজির তরফে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, টিমের সকল ক্রিকেটার ও কোচিং স্টাফ নিরাপদ আছেন এবং কারো প্রতি কোনো শারীরিক আঘাত নেই।

ঘটনার পর ক্রিকেট মহলে তাঁদের সাম্প্রতিক কড়া সূচি ও দীর্ঘ ভ্রমণজনিত ক্লান্তি নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। দলটি ধর্মশালা ও মুল্লানপুর হয়ে আহমেদাবাদে পৌঁছাতে গিয়েছিল, যেখানে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে অতিরিক্ত চাপ পড়েছিল এবং ফাইনালের ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে তারা গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরেছিল।

তবে দলের ডিরেক্টর অব ক্রিকেট বিক্রম সোলাঙ্কি সততভাবে হারের জন্য ভ্রমণক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দাবি করতে রাজি হননি। তিনি জানিয়েছেন যে দলের উপর ক্লান্তি ছিল, কিন্তু তাদের চেষ্টা ছিল মাঠে সেরাটা দেওয়ার, এবং প্রতিপক্ষ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু deserved credit পেয়েছে।

ফ্র্যাঞ্চাইজির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, খেলোয়াড়দের মানসিক ও শারীরিক স্বস্তির খাতিরে পর্যাপ্ত বিশ্রামের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আইপিএলের এই আসর গুজরাটের জন্য হারের তিক্ততা আর বাসে ঘটে যাওয়া এই আতঙ্কজনক ঘটনার স্মৃতি রেখেই শেষ হলো, কিন্তু বড় কোনো আঘাত ছাড়াই সবাই সুস্থ থাকায় ভক্ত ও সংশ্লিষ্টরা নানাভাবে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

আইপিএল ফাইনালের পর গুজরাট টাইটান্সের টিম বাসে আগুনের আতঙ্ক

প্রকাশিতঃ ০২:২৫:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

আইপিএলের ফাইনালে হার ঢেলায় মুচকি ব্যথা কাটতে না কাটতেই গুজরাট টাইটান্স খেলোয়াড়দের জন্য ঘটে গেছে একটি চরম অস্বস্তিকর ঘটনা। রোববার রাতে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম থেকে হোটেলে ফেরার পথে দলের টিম বাসে হঠাৎ করে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং ভেতর ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে।

পিটিআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাসের বৈদ্যুতিক সিস্টেমে শর্ট সার্কিট হয়ে আগুন ধরার বিষয়টি ঘটেছে। ধোঁয়া দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় বাস চালক রাস্তার পাশে গাড়িটি থামিয়ে ড্রেস ও নিরাপত্তা কর্মীদের সহযোগিতায় দ্রুত সবাইকে নিরাপদ করে নামান। বৈঘট্য দ্রুত সামলানো না হলে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতো, তবে চালক ও কর্মীদের সাবলীলতায় তা রোধ করা সম্ভব হয়।

ঘটনার সময় বাসে থাকা খেলোয়াড় ও স্টাফদের মধ্যে অস্থিরতা দেখা যায়। বিশেষ করে শুভমান গিল ও মোহাম্মদ সিরাজকে প্রায় এক ঘণ্টা রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়েছে, আর কাগিসো রাবাদা-ও রাস্তায় বিচলিত ভঙ্গিতে দেখা গেছেন। বেশিক্ষণ ধোঁয়ার মধ্যে দাঁড়াতে না পারায় খেলা হারার মানসিক কষ্টের সঙ্গে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা তাঁদের উপর মানসিক চাপ আরও বাড়িয়ে দেয়।

বিগলির পরে বিকল বাসটি সরিয়ে নেওয়া হয় এবং ফ্র্যাঞ্চাইজির দ্রুত ব্যবস্থাপনায় একটি বিকল্প বাস পাঠানো হয়। পরে সেখানেই উঠে দলবল নিরাপদে হোটেলে ফেরেন। ফ্র্যাঞ্চাইজির তরফে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, টিমের সকল ক্রিকেটার ও কোচিং স্টাফ নিরাপদ আছেন এবং কারো প্রতি কোনো শারীরিক আঘাত নেই।

ঘটনার পর ক্রিকেট মহলে তাঁদের সাম্প্রতিক কড়া সূচি ও দীর্ঘ ভ্রমণজনিত ক্লান্তি নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। দলটি ধর্মশালা ও মুল্লানপুর হয়ে আহমেদাবাদে পৌঁছাতে গিয়েছিল, যেখানে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে অতিরিক্ত চাপ পড়েছিল এবং ফাইনালের ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে তারা গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরেছিল।

তবে দলের ডিরেক্টর অব ক্রিকেট বিক্রম সোলাঙ্কি সততভাবে হারের জন্য ভ্রমণক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দাবি করতে রাজি হননি। তিনি জানিয়েছেন যে দলের উপর ক্লান্তি ছিল, কিন্তু তাদের চেষ্টা ছিল মাঠে সেরাটা দেওয়ার, এবং প্রতিপক্ষ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু deserved credit পেয়েছে।

ফ্র্যাঞ্চাইজির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, খেলোয়াড়দের মানসিক ও শারীরিক স্বস্তির খাতিরে পর্যাপ্ত বিশ্রামের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আইপিএলের এই আসর গুজরাটের জন্য হারের তিক্ততা আর বাসে ঘটে যাওয়া এই আতঙ্কজনক ঘটনার স্মৃতি রেখেই শেষ হলো, কিন্তু বড় কোনো আঘাত ছাড়াই সবাই সুস্থ থাকায় ভক্ত ও সংশ্লিষ্টরা নানাভাবে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।