০৬:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

দেশকে শিল্পসমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করতে সরকার সর্বাত্মক উদ্যোগ নেবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশকে শিল্পসমৃদ্ধ রাষ্ট্রে রূপান্তর করতে বর্তমান সরকার সবকিছু করতে প্রস্তুত। তিনি এসব কথা বলেছেন শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘‘রোড ফর ট্রেড, গ্রোথ অ্যান্ড ইকোনমিক ডিপ্লোমাসি ২০২৬—ঝুঁকি মোকাবিলা: স্থিতিশীলতা কাজে লাগানো’’ শীর্ষক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে।

মন্ত্রী বলেন, এই সম্মেলনের মূল থিম দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যত নির্ধারণে সাহসিকতা ও সঠিক কৌশলের প্রতিফলন। ২০২৬ সালের জন্য গৃহীত বাণিজ্য, প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক কূটনীতির রূপরেখায় ঝুঁকি মোকাবিলা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি-ই আগামীকের পথচলার মূল চেতনাকে ধারণ করেছে। এটি স্পষ্ট করে যে, নতুন বাংলাদেশের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তা বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও বলেছেন, বর্তমান প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণের পর ১০০ দিন পার করেছে। সরকার নির্দিষ্টভাবে কাজ করছে বাংলাদেশকে নিরাপদ, স্থিতিস্থাপক ও শিল্পসমৃদ্ধ একটি দেশে تبدیل করার ওপর—যেখানে প্রতিটি নাগরিক সমৃদ্ধি ও মর্যাদার ন্যায্য অংশীদার হবে।

মন্ত্রী development পরিকল্পনায় কৃষক, শ্রমিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদেরকে প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, সরকার চাই তৃণমূল পর্যায়ে উন্নয়নের সুফল পৌঁছাক এবং এজন্য শাসন কাঠামো পুনর্গঠন করা হবে যাতে সেবা জনগণের দোরগোড়ে পৌঁছে যায়।

সাবেক শাসনামলে দেশের গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়ার অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান সরকার সেই ক্ষত সারাতে কাজ করবে এবং শাসনব্যবস্থা শক্তিশালী করে জনকল্যাণ নিশ্চিত করবে। তিনি যোগ করেন, বড় লক্ষ্য হলো সকল নাগরিকের মর্যাদা, ন্যায়বিচার ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করা।

মন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশ বিশ্বজুড়ে অংশীদারদের জন্য একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশটি একটি প্রতিযোগিতামূলক, স্থিতিশীল, নৈতিক ও জনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে আগ্রহী।

সমাপ্তিতে মির্জা ফখরুল বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেন, ‘‘আমাদের রূপকল্পে বিনিয়োগ করুন—আপনারা হতাশ হবেন না।’’

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

দেশকে শিল্পসমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করতে সরকার সর্বাত্মক উদ্যোগ নেবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ০৭:২৭:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশকে শিল্পসমৃদ্ধ রাষ্ট্রে রূপান্তর করতে বর্তমান সরকার সবকিছু করতে প্রস্তুত। তিনি এসব কথা বলেছেন শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘‘রোড ফর ট্রেড, গ্রোথ অ্যান্ড ইকোনমিক ডিপ্লোমাসি ২০২৬—ঝুঁকি মোকাবিলা: স্থিতিশীলতা কাজে লাগানো’’ শীর্ষক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে।

মন্ত্রী বলেন, এই সম্মেলনের মূল থিম দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যত নির্ধারণে সাহসিকতা ও সঠিক কৌশলের প্রতিফলন। ২০২৬ সালের জন্য গৃহীত বাণিজ্য, প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক কূটনীতির রূপরেখায় ঝুঁকি মোকাবিলা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি-ই আগামীকের পথচলার মূল চেতনাকে ধারণ করেছে। এটি স্পষ্ট করে যে, নতুন বাংলাদেশের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তা বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও বলেছেন, বর্তমান প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণের পর ১০০ দিন পার করেছে। সরকার নির্দিষ্টভাবে কাজ করছে বাংলাদেশকে নিরাপদ, স্থিতিস্থাপক ও শিল্পসমৃদ্ধ একটি দেশে تبدیل করার ওপর—যেখানে প্রতিটি নাগরিক সমৃদ্ধি ও মর্যাদার ন্যায্য অংশীদার হবে।

মন্ত্রী development পরিকল্পনায় কৃষক, শ্রমিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদেরকে প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, সরকার চাই তৃণমূল পর্যায়ে উন্নয়নের সুফল পৌঁছাক এবং এজন্য শাসন কাঠামো পুনর্গঠন করা হবে যাতে সেবা জনগণের দোরগোড়ে পৌঁছে যায়।

সাবেক শাসনামলে দেশের গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়ার অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান সরকার সেই ক্ষত সারাতে কাজ করবে এবং শাসনব্যবস্থা শক্তিশালী করে জনকল্যাণ নিশ্চিত করবে। তিনি যোগ করেন, বড় লক্ষ্য হলো সকল নাগরিকের মর্যাদা, ন্যায়বিচার ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করা।

মন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশ বিশ্বজুড়ে অংশীদারদের জন্য একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশটি একটি প্রতিযোগিতামূলক, স্থিতিশীল, নৈতিক ও জনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে আগ্রহী।

সমাপ্তিতে মির্জা ফখরুল বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেন, ‘‘আমাদের রূপকল্পে বিনিয়োগ করুন—আপনারা হতাশ হবেন না।’’