০৪:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

শিশু শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগই জাতি গঠনের মূল: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য। আত্মবিশ্বাসী, দক্ষ ও মানবিক একটি প্রজন্ম গড়ে তোলার জন্য পাঠ্য বিষয়ের সঙ্গে খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সমভাবে গুরুত্ব দেওয়া অপরিহার্য।

শনিবার (২০ জুন) ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ উপলক্ষে প্রদান করা এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রীর এসব কথা বলা হয়েছে। তিনি এই টুর্নামেন্টকে ইতিবাচক ও সুফলবাহী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শিক্ষা খাতের আধুনিকায়ন ও পরিমার্জনে কাজ করছে। পাঠ্যক্রমে খেলাধুলাকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা চলছে; চতুর্থ শ্রেণি থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, কারাতে ও সাঁতারসহ বিভিন্ন খেলা পাঠ্যক্রমে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার সঙ্গে শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞানই নয়, ব্যবহারিক ক্লাস ও মূল্যায়নের মাধ্যমেও শিক্ষার্থীরা ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবে। এর ফলে মাদকাসক্তি ও মোবাইল ফোন আসক্তির মতো সামাজিক সমস্যাগুলো রোধে সহায়তা মিলবে বলে তার বিশ্বাস।

বাণীতে জানানো হয়েছে, সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬-এর জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। নীতিমালার আওতায় দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় — মোট ৬৫,৫৬৯টি — এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে। এতে মোট ৯৯,৪৮,৯৫৬ জন বালক-বালিকা (বালক ৪৬,৯১,৯৯৬; বালিকা ৫২,৫৬,৯৬০) অংশগ্রহণ করেছে।

এই টুর্নামেন্টে বালক ও বালিকা উভয়ের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চয় করা হয়েছে। এ বছর সারাদেশে বালক ও বালিকা মিলে মোট ১,২৩,৯৭৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবলকে কলেবর বিবেচনায় বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ফুটবল টুর্নামেন্ট হিসেবে আখ্যায়িত করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি মননশক্তি বাড়াতে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দিচ্ছে। ফলশ্রুতিতে দেশি ও আন্তর্জাতিক মাঠে আমাদের ছেলেমেয়েরা বিশেষ করে ফুটবলে সাফল্য অর্জন করছে।

শেষে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে টুর্নামেন্টের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী শিশুরা দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ হবে এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের নাম উজ্জ্বল করবে। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’-এর সার্বিক সফলতা কামনা করা হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

শিশু শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগই জাতি গঠনের মূল: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ১০:৪১:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য। আত্মবিশ্বাসী, দক্ষ ও মানবিক একটি প্রজন্ম গড়ে তোলার জন্য পাঠ্য বিষয়ের সঙ্গে খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সমভাবে গুরুত্ব দেওয়া অপরিহার্য।

শনিবার (২০ জুন) ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ উপলক্ষে প্রদান করা এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রীর এসব কথা বলা হয়েছে। তিনি এই টুর্নামেন্টকে ইতিবাচক ও সুফলবাহী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শিক্ষা খাতের আধুনিকায়ন ও পরিমার্জনে কাজ করছে। পাঠ্যক্রমে খেলাধুলাকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা চলছে; চতুর্থ শ্রেণি থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, কারাতে ও সাঁতারসহ বিভিন্ন খেলা পাঠ্যক্রমে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার সঙ্গে শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞানই নয়, ব্যবহারিক ক্লাস ও মূল্যায়নের মাধ্যমেও শিক্ষার্থীরা ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবে। এর ফলে মাদকাসক্তি ও মোবাইল ফোন আসক্তির মতো সামাজিক সমস্যাগুলো রোধে সহায়তা মিলবে বলে তার বিশ্বাস।

বাণীতে জানানো হয়েছে, সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬-এর জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। নীতিমালার আওতায় দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় — মোট ৬৫,৫৬৯টি — এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে। এতে মোট ৯৯,৪৮,৯৫৬ জন বালক-বালিকা (বালক ৪৬,৯১,৯৯৬; বালিকা ৫২,৫৬,৯৬০) অংশগ্রহণ করেছে।

এই টুর্নামেন্টে বালক ও বালিকা উভয়ের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চয় করা হয়েছে। এ বছর সারাদেশে বালক ও বালিকা মিলে মোট ১,২৩,৯৭৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবলকে কলেবর বিবেচনায় বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ফুটবল টুর্নামেন্ট হিসেবে আখ্যায়িত করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি মননশক্তি বাড়াতে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দিচ্ছে। ফলশ্রুতিতে দেশি ও আন্তর্জাতিক মাঠে আমাদের ছেলেমেয়েরা বিশেষ করে ফুটবলে সাফল্য অর্জন করছে।

শেষে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে টুর্নামেন্টের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী শিশুরা দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ হবে এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের নাম উজ্জ্বল করবে। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’-এর সার্বিক সফলতা কামনা করা হয়েছে।