০৪:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মালয়েশিয়ায় ‘অপস কুতিপ’ অভিযানে ১১৮ বাংলাদেশি আটক

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের বিশেষ অভিযানে কুয়ালালামপুরের পুডু মার্কেট এলাকার আশপাশ থেকে ১৮৬ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে, এর মধ্যে ১১৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন।

অভিযানটি পরিচালিত হয় শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ১২টা ৫ মিনিটে এবং এর নাম ছিল ‘অপস কুতিপ’। অভিযান চলাকালে বেশ কয়েকজন বিদেশি নাগরিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর বা লুকিয়ে থাকার চেষ্টা করলেও কর্তৃপক্ষের তৎপরতায় সবাইকে আটক করা সম্ভব হয়।

ইমিগ্রেশন বিভাগের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভিযানে কুয়ালালামপুর ফেডারেল টেরিটরি ইমিগ্রেশন বিভাগ, পুত্রাজায়া ও সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন বিভাগ, রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ (পিডিআরএম), কুয়ালালামপুর সিটি হল (ডিবিকেএল) এবং জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ (জেপিএন) মিলিয়ে মোট ১৩৭ জন কর্মকর্তা ও সদস্য অংশ নিয়েছিলেন।

অভিযানের সময় মোট ৩২০ জন বিদেশি নাগরিকের কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়; তাদের মধ্যে ১৮৬ জনকে বিভিন্ন ধরনের অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক করা হয়েছে। আটককদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি রয়েছে — মোট ১১৮ জন বাংলাদেশি পুরুষকে আটক করা হয়েছে।

অন্যদের মধ্যে রয়েছেন ২৮ জন ইন্দোনেশীয় (৭ পুরুষ ও ২১ নারী), ২৬ জন মিয়ানমার নাগরিক (১৩ পুরুষ ও ১৩ নারী), ৫ জন ভিয়েতনামি (৩ পুরুষ ও ২ নারী), ৪ জন নেপালি, ২ জন ভারতীয়, ১ জন পাকিস্তানি এবং ২ জন চীনা (১ পুরুষ ও ১ নারী)।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, কেউ ভিসার মেয়াদ শেষে থাকা অব্যাহত রেখেছিলেন, কেউ আবার বৈধ ভ্রমণ নথি বা অনুমতিপত্র ছাড়া অবস্থান করছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর ধারা ১৫(১)(সি) (অতিরিক্ত সময় অবস্থান) ও ধারা ৬(১)(সি) (বৈধ নথিপত্র ছাড়া অবস্থান)-এর ওপর তদন্ত শুরু হয়েছে।

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত এবং আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম এগোচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মালয়েশিয়ায় ‘অপস কুতিপ’ অভিযানে ১১৮ বাংলাদেশি আটক

প্রকাশিতঃ ০৭:২৬:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের বিশেষ অভিযানে কুয়ালালামপুরের পুডু মার্কেট এলাকার আশপাশ থেকে ১৮৬ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে, এর মধ্যে ১১৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন।

অভিযানটি পরিচালিত হয় শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ১২টা ৫ মিনিটে এবং এর নাম ছিল ‘অপস কুতিপ’। অভিযান চলাকালে বেশ কয়েকজন বিদেশি নাগরিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর বা লুকিয়ে থাকার চেষ্টা করলেও কর্তৃপক্ষের তৎপরতায় সবাইকে আটক করা সম্ভব হয়।

ইমিগ্রেশন বিভাগের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভিযানে কুয়ালালামপুর ফেডারেল টেরিটরি ইমিগ্রেশন বিভাগ, পুত্রাজায়া ও সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন বিভাগ, রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ (পিডিআরএম), কুয়ালালামপুর সিটি হল (ডিবিকেএল) এবং জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ (জেপিএন) মিলিয়ে মোট ১৩৭ জন কর্মকর্তা ও সদস্য অংশ নিয়েছিলেন।

অভিযানের সময় মোট ৩২০ জন বিদেশি নাগরিকের কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়; তাদের মধ্যে ১৮৬ জনকে বিভিন্ন ধরনের অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক করা হয়েছে। আটককদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি রয়েছে — মোট ১১৮ জন বাংলাদেশি পুরুষকে আটক করা হয়েছে।

অন্যদের মধ্যে রয়েছেন ২৮ জন ইন্দোনেশীয় (৭ পুরুষ ও ২১ নারী), ২৬ জন মিয়ানমার নাগরিক (১৩ পুরুষ ও ১৩ নারী), ৫ জন ভিয়েতনামি (৩ পুরুষ ও ২ নারী), ৪ জন নেপালি, ২ জন ভারতীয়, ১ জন পাকিস্তানি এবং ২ জন চীনা (১ পুরুষ ও ১ নারী)।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, কেউ ভিসার মেয়াদ শেষে থাকা অব্যাহত রেখেছিলেন, কেউ আবার বৈধ ভ্রমণ নথি বা অনুমতিপত্র ছাড়া অবস্থান করছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর ধারা ১৫(১)(সি) (অতিরিক্ত সময় অবস্থান) ও ধারা ৬(১)(সি) (বৈধ নথিপত্র ছাড়া অবস্থান)-এর ওপর তদন্ত শুরু হয়েছে।

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত এবং আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম এগোচ্ছে।