০৪:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

চলতি অর্থবছরে বিটিভির আয় ৮ কোটি, ব্যয় ২৫৪ কোটি: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জাতীয় সংসদে বিটিভির বড় ধরনের আয়-ব্যয়ের ফাঁক তুলে ধরেছেন। তিনি বলছেন, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (মে পর্যন্ত) করসহ বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) মোট আয় করেছে মাত্র ৮ কোটি ৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা, যেখানে পরিচালন ও সামগ্রিক ব্যয় হয়েছে ২৫৪ কোটি ১৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।

সে তথ্য সংসদের প্রশ্নোত্তর সেশনে নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদার প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান। সেসময় সংসদের বৈঠক স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রশ্নোত্তর টেবিলে এই হিসাব উপস্থাপন করা হয়।

মন্ত্রী আরও জানান, চলতি অর্থবছরে বিটিভির মোট আয়ের বড় অংশ এসেছে বিজ্ঞাপন থেকে — মোট ৫ কোটি ৭ লাখ ৯ হাজার ৪১৭ টাকা বিজ্ঞাপন খাত থেকে এসেছে, যা মোট আয়ের সিংহভাগ।

তথ্যমন্ত্রী সংসদে বিটিভির বিগত কয়েক বছরকালের আয়-ব্যয়ের হিসাবও প্রকাশ করেন। তাঁর দেওয়া তথ্যানুযায়ী:

– ২০২০-২১ অর্থবছরে আয় ছিল ৩৪ কোটি ৫ লাখ ৯৯ হাজার টাকা; ব্যয় ছিল ২৮০ কোটি ৮১ লাখ ৩৬ হাজার টাকা।

– ২০২১-২২ অর্থবছরে আয় ছিল ৪০ কোটি ২৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা; ব্যয় ছিল ২৮৫ কোটি ৪৭ লাখ ২৭ হাজার টাকা।

– ২০২২-২৩ অর্থবছরে আয় দাঁড়ায় ৩০ কোটি ৮৭ লাখ ৮৫ হাজার টাকা; ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৩৭০ কোটি ৬১ লাখ ৫১ হাজার টাকা।

– ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আয় ছিল ৪৪ কোটি ২১ লাখ ২২ হাজার টাকা; ব্যয় ছিল ২৯৮ কোটি ৫৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

– সদ্য সমাপ্ত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিটিভি আয় করে ২৭ কোটি ৬৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা; কিন্তু সরকারের পক্ষে ব্যয় হয়েছে ৩০৭ কোটি ৯২ লাখ ২২ হাজার টাকা।

এসব তথ্য থেকে পরিষ্কার যে বিটিভির আয় প্রতি বছর তুলনামূলকভাবে কম এবং ব্যয় বরাবরই অনেক বেশি, ফলে প্রতিষ্ঠানটি বড় ধরনের ঘাটতি বা লোকসানের মুখে পড়ছে। সংসদে উপস্থাপিত হিসাব নিয়ে ভবিষ্যতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে—সে প্রসঙ্গে মন্ত্রী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপ জানতে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে আরও ব্যাখ্যার প্রত্যাশা করা গেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

চলতি অর্থবছরে বিটিভির আয় ৮ কোটি, ব্যয় ২৫৪ কোটি: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ০২:২৬:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জাতীয় সংসদে বিটিভির বড় ধরনের আয়-ব্যয়ের ফাঁক তুলে ধরেছেন। তিনি বলছেন, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (মে পর্যন্ত) করসহ বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) মোট আয় করেছে মাত্র ৮ কোটি ৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা, যেখানে পরিচালন ও সামগ্রিক ব্যয় হয়েছে ২৫৪ কোটি ১৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।

সে তথ্য সংসদের প্রশ্নোত্তর সেশনে নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদার প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান। সেসময় সংসদের বৈঠক স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রশ্নোত্তর টেবিলে এই হিসাব উপস্থাপন করা হয়।

মন্ত্রী আরও জানান, চলতি অর্থবছরে বিটিভির মোট আয়ের বড় অংশ এসেছে বিজ্ঞাপন থেকে — মোট ৫ কোটি ৭ লাখ ৯ হাজার ৪১৭ টাকা বিজ্ঞাপন খাত থেকে এসেছে, যা মোট আয়ের সিংহভাগ।

তথ্যমন্ত্রী সংসদে বিটিভির বিগত কয়েক বছরকালের আয়-ব্যয়ের হিসাবও প্রকাশ করেন। তাঁর দেওয়া তথ্যানুযায়ী:

– ২০২০-২১ অর্থবছরে আয় ছিল ৩৪ কোটি ৫ লাখ ৯৯ হাজার টাকা; ব্যয় ছিল ২৮০ কোটি ৮১ লাখ ৩৬ হাজার টাকা।

– ২০২১-২২ অর্থবছরে আয় ছিল ৪০ কোটি ২৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা; ব্যয় ছিল ২৮৫ কোটি ৪৭ লাখ ২৭ হাজার টাকা।

– ২০২২-২৩ অর্থবছরে আয় দাঁড়ায় ৩০ কোটি ৮৭ লাখ ৮৫ হাজার টাকা; ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৩৭০ কোটি ৬১ লাখ ৫১ হাজার টাকা।

– ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আয় ছিল ৪৪ কোটি ২১ লাখ ২২ হাজার টাকা; ব্যয় ছিল ২৯৮ কোটি ৫৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

– সদ্য সমাপ্ত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিটিভি আয় করে ২৭ কোটি ৬৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা; কিন্তু সরকারের পক্ষে ব্যয় হয়েছে ৩০৭ কোটি ৯২ লাখ ২২ হাজার টাকা।

এসব তথ্য থেকে পরিষ্কার যে বিটিভির আয় প্রতি বছর তুলনামূলকভাবে কম এবং ব্যয় বরাবরই অনেক বেশি, ফলে প্রতিষ্ঠানটি বড় ধরনের ঘাটতি বা লোকসানের মুখে পড়ছে। সংসদে উপস্থাপিত হিসাব নিয়ে ভবিষ্যতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে—সে প্রসঙ্গে মন্ত্রী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপ জানতে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে আরও ব্যাখ্যার প্রত্যাশা করা গেছে।