০৪:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

১৭ বছর পর ইংল্যান্ডে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

দীর্ঘ ১৭ বছরের বিরতি কাটিয়ে অবশেষে ইংল্যান্ডের মাটিতে ফের টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় দল। চলতি পরিকল্পনা অনুসারে ২০২৭ সালের মে মাসের শেষ দিকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একটি একমাত্র টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই ম্যাচটি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ (ডব্লিউটিসি) স্লটের বাইরে একটি দ্বিপক্ষীয় ম্যাচ হলেও ভেন্যু নির্ধারণ এখনো চূড়ান্ত নয়—এটি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের স্থানপত্রের ওপর নির্ভর করছে। লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী লর্ডস অথবা ওভাল—দুইটিই সম্ভাব্য আয়োজক স্থান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সম্প্রতি লর্ডস উইকেট নিয়ে সমালোচনার মাত্রা বেড়েছে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের সাম্প্রতিক টেস্ট চার দিনেই শেষ হয়েছিল ও মোট ওভার হয়েছিল মাত্র ১৬৬—এমন বোলিং-সহায়ক উইকেট দেখা গেছে বলেই বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। এ কারণে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালটি লর্ডস থেকে ওভালে স্থানান্তর করার কথা ভাবছে। যদি ফাইনাল ওভালে চলে যায়, তাহলে বাংলাদেশের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টটি ঐতিহ্যবাহী লর্ডসেই আয়োজন করার সম্ভাবনা বেশি।

সূচিত সময়সূচি অনুযায়ী ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রথমে ইংল্যান্ড দল বাংলাদেশ সফরে এসে দুইটি টেস্ট খেলবে—ভেন্যু হবে ঢাকা ও চট্টগ্রাম। এরপর মার্চে টেস্ট ক্রিকেটের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটি বিশেষ টেস্ট খেলবে ইংল্যান্ড। এরপর মে মাসে নিজেদের মাটিতে প্রথমে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একমাত্র আইনের টেস্ট ও পরে অস্ট্রেলিয়ার সম্মুখীন হবে তারা। ইংল্যান্ড ২০২৭ সালে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টানা নয়টি টেস্ট খেলার পরিকল্পনা করছে, যা দর্শক এবং খেলোয়াড়দের জন্য লাল বলের ক্রিকেটে প্রস্তুতির বড় সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হবে।

এই ম্যাচটি বেন স্টোকসদের দলে লাল বলের ক্রিকেটে নিজেদের ধার-সংহত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে পারে—বিশেষ করে অ্যাশেজের আগে। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশের জন্যও বড় সুযোগ, যেখানে ইংলিশ কন্ডিশনে নিজেদের মানিয়ে নেওয়া ও অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের সুযোগ মিলবে।

ইতিহাসের কথাও স্মরণীয়: বাংলাদেশ শেষবার ইংল্যান্ড সফরে গিয়েছিল ২০১০ সালে। সেই দুই ম্যাচের সিরিজে ওপেনার তামিম ইকবাল ব্যাক-টু-ব্যাক সেঞ্চুরি করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন এবং সাকিব আল হাসান বল হাতে পাঁচ উইকেট করেছিলেন। ২০১০ সালের ঐ সফরের স্কোয়াড থেকে বর্তমানে টেস্ট দলে সক্রিয় থাকা একমাত্র ক্রিকেটার হলেন উইকেটকিপার ব্যাটার মুশফিকুর রহিম।

চূড়ান্ত ভেন্যু ও নির্দিষ্ট তারিখ এখনও নিশ্চিত না হওয়া সত্ত্বেও, ১৭ বছরের বিরতির পর ইংলিশ মাটিতে টেস্ট খেলাটা বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য আনন্দের এক বড় খবর। ভেন্যু নির্ধারণ, টিকিট ও শিডিউলের চূড়ান্তকরণ হলে ম্যাচ সম্পর্কে আরও রোমাঞ্চকর তথ্য জানা যাবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

১৭ বছর পর ইংল্যান্ডে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

প্রকাশিতঃ ১০:৩৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

দীর্ঘ ১৭ বছরের বিরতি কাটিয়ে অবশেষে ইংল্যান্ডের মাটিতে ফের টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় দল। চলতি পরিকল্পনা অনুসারে ২০২৭ সালের মে মাসের শেষ দিকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একটি একমাত্র টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই ম্যাচটি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ (ডব্লিউটিসি) স্লটের বাইরে একটি দ্বিপক্ষীয় ম্যাচ হলেও ভেন্যু নির্ধারণ এখনো চূড়ান্ত নয়—এটি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের স্থানপত্রের ওপর নির্ভর করছে। লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী লর্ডস অথবা ওভাল—দুইটিই সম্ভাব্য আয়োজক স্থান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সম্প্রতি লর্ডস উইকেট নিয়ে সমালোচনার মাত্রা বেড়েছে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের সাম্প্রতিক টেস্ট চার দিনেই শেষ হয়েছিল ও মোট ওভার হয়েছিল মাত্র ১৬৬—এমন বোলিং-সহায়ক উইকেট দেখা গেছে বলেই বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। এ কারণে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালটি লর্ডস থেকে ওভালে স্থানান্তর করার কথা ভাবছে। যদি ফাইনাল ওভালে চলে যায়, তাহলে বাংলাদেশের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টটি ঐতিহ্যবাহী লর্ডসেই আয়োজন করার সম্ভাবনা বেশি।

সূচিত সময়সূচি অনুযায়ী ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রথমে ইংল্যান্ড দল বাংলাদেশ সফরে এসে দুইটি টেস্ট খেলবে—ভেন্যু হবে ঢাকা ও চট্টগ্রাম। এরপর মার্চে টেস্ট ক্রিকেটের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটি বিশেষ টেস্ট খেলবে ইংল্যান্ড। এরপর মে মাসে নিজেদের মাটিতে প্রথমে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একমাত্র আইনের টেস্ট ও পরে অস্ট্রেলিয়ার সম্মুখীন হবে তারা। ইংল্যান্ড ২০২৭ সালে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টানা নয়টি টেস্ট খেলার পরিকল্পনা করছে, যা দর্শক এবং খেলোয়াড়দের জন্য লাল বলের ক্রিকেটে প্রস্তুতির বড় সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হবে।

এই ম্যাচটি বেন স্টোকসদের দলে লাল বলের ক্রিকেটে নিজেদের ধার-সংহত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে পারে—বিশেষ করে অ্যাশেজের আগে। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশের জন্যও বড় সুযোগ, যেখানে ইংলিশ কন্ডিশনে নিজেদের মানিয়ে নেওয়া ও অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের সুযোগ মিলবে।

ইতিহাসের কথাও স্মরণীয়: বাংলাদেশ শেষবার ইংল্যান্ড সফরে গিয়েছিল ২০১০ সালে। সেই দুই ম্যাচের সিরিজে ওপেনার তামিম ইকবাল ব্যাক-টু-ব্যাক সেঞ্চুরি করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন এবং সাকিব আল হাসান বল হাতে পাঁচ উইকেট করেছিলেন। ২০১০ সালের ঐ সফরের স্কোয়াড থেকে বর্তমানে টেস্ট দলে সক্রিয় থাকা একমাত্র ক্রিকেটার হলেন উইকেটকিপার ব্যাটার মুশফিকুর রহিম।

চূড়ান্ত ভেন্যু ও নির্দিষ্ট তারিখ এখনও নিশ্চিত না হওয়া সত্ত্বেও, ১৭ বছরের বিরতির পর ইংলিশ মাটিতে টেস্ট খেলাটা বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য আনন্দের এক বড় খবর। ভেন্যু নির্ধারণ, টিকিট ও শিডিউলের চূড়ান্তকরণ হলে ম্যাচ সম্পর্কে আরও রোমাঞ্চকর তথ্য জানা যাবে।