০৩:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

জাপানে বাজার ও যৌথ উৎপাদন খুঁজছে ইউক্রেনীয় ড্রোন নির্মাতারা

ইউরোপের সীমানা পেরিয়ে এশিয়ার বাজারে ঢোকার চেষ্টা করছে ইউক্রেনের ড্রোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে বাড়তে থাকা ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রতিরক্ষা বাজেট বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এসব প্রতিষ্ঠান জাপান ও অন্যান্য এশীয় মিত্রদের কাছে ড্রোন বিক্রি এবং যৌথ উৎপাদনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে, বলছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ইউক্রেনের অন্যতম শীর্ষ ড্রোন নির্মাতা ‘ইউফোর্স’-এর প্রধান নির্বাহী ওলেগ রোগিনস্কি গত এপ্রিল মাসে টোকিও সফর করেন। ওই সফরে তিনি জাপানের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের এবং প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে অংশ নেন এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজন মেটাতে বিপুল পরিমাণ ড্রোন উৎপাদনের প্রস্তাব দেন।

টোকিওর সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়াও ইউফোর্সের পাশাপাশি স্কাইটন, জেনারেল চেরি ও সোয়ার্মার মতো আরও several ইউক্রেনীয় প্রতিষ্ঠান জাপানে ব্যবসায়িক অংশীদার ও বাজার সন্ধান করছে। এশিয়ার বহু দেশের ভূমি, সমুদ্র ও আকাশ সীমানা রক্ষায় আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তির চাহিদা বাড়ছে—এটাই মূল চালিকাশক্তি বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

বিশেষজ্ঞদের মন্তব্য অনুযায়ী, জাপান যদি দীর্ঘদিনের অস্ত্র রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে, তা হলে ইউক্রেনীয় প্রতিষ্ঠাগুলোর সঙ্গে যৌথ উৎপাদনের নতুন দরজা খুলতে পারে। চার বছরেরও বেশি সময় ধরে রুশ অভিযানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইউক্রেন যে পর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করেছে, তা এশিয়ার দেশগুলোর কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রতিদিনের যুদ্ধক্ষেত্রের প্রয়োগ থেকে উদ্ভূত কিছু উদাহরণ ইতোমধ্যেই তা প্রমাণ করেছে। উদাহরণস্বরূপ, ইউফোর্সের তৈরি ‘মাগুরা’ নামের সামুদ্রিক ড্রোনকে কালে কৃষ্ণ সাগরে রুশ নৌবাহিনীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। রোগিনস্কি মনে করেন, পূর্ব এশিয়ার ভৌগোলিক পরিবেশ যতই আলাদা হোক না কেন, ড্রোনের কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা অপরিবর্তিত থাকবে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কিও জাপানের সঙ্গে এই ধরনের উন্নত প্রযুক্তি বিনিময় ও সহযোগিতায় ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন। সামরিক ও বাণিজ্যিক দিক থেকে জাপানের স্বার্থ ও নিরাপত্তার আশা রেখে ইউক্রেনীয় নির্মাতারা এশিয়ার বাজারে তাদের উপস্থিতি বাড়াতে তৎপর হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

জাপানে বাজার ও যৌথ উৎপাদন খুঁজছে ইউক্রেনীয় ড্রোন নির্মাতারা

প্রকাশিতঃ ০৭:২৪:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

ইউরোপের সীমানা পেরিয়ে এশিয়ার বাজারে ঢোকার চেষ্টা করছে ইউক্রেনের ড্রোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে বাড়তে থাকা ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রতিরক্ষা বাজেট বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এসব প্রতিষ্ঠান জাপান ও অন্যান্য এশীয় মিত্রদের কাছে ড্রোন বিক্রি এবং যৌথ উৎপাদনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে, বলছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ইউক্রেনের অন্যতম শীর্ষ ড্রোন নির্মাতা ‘ইউফোর্স’-এর প্রধান নির্বাহী ওলেগ রোগিনস্কি গত এপ্রিল মাসে টোকিও সফর করেন। ওই সফরে তিনি জাপানের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের এবং প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে অংশ নেন এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজন মেটাতে বিপুল পরিমাণ ড্রোন উৎপাদনের প্রস্তাব দেন।

টোকিওর সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়াও ইউফোর্সের পাশাপাশি স্কাইটন, জেনারেল চেরি ও সোয়ার্মার মতো আরও several ইউক্রেনীয় প্রতিষ্ঠান জাপানে ব্যবসায়িক অংশীদার ও বাজার সন্ধান করছে। এশিয়ার বহু দেশের ভূমি, সমুদ্র ও আকাশ সীমানা রক্ষায় আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তির চাহিদা বাড়ছে—এটাই মূল চালিকাশক্তি বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

বিশেষজ্ঞদের মন্তব্য অনুযায়ী, জাপান যদি দীর্ঘদিনের অস্ত্র রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে, তা হলে ইউক্রেনীয় প্রতিষ্ঠাগুলোর সঙ্গে যৌথ উৎপাদনের নতুন দরজা খুলতে পারে। চার বছরেরও বেশি সময় ধরে রুশ অভিযানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইউক্রেন যে পর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করেছে, তা এশিয়ার দেশগুলোর কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রতিদিনের যুদ্ধক্ষেত্রের প্রয়োগ থেকে উদ্ভূত কিছু উদাহরণ ইতোমধ্যেই তা প্রমাণ করেছে। উদাহরণস্বরূপ, ইউফোর্সের তৈরি ‘মাগুরা’ নামের সামুদ্রিক ড্রোনকে কালে কৃষ্ণ সাগরে রুশ নৌবাহিনীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। রোগিনস্কি মনে করেন, পূর্ব এশিয়ার ভৌগোলিক পরিবেশ যতই আলাদা হোক না কেন, ড্রোনের কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা অপরিবর্তিত থাকবে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কিও জাপানের সঙ্গে এই ধরনের উন্নত প্রযুক্তি বিনিময় ও সহযোগিতায় ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন। সামরিক ও বাণিজ্যিক দিক থেকে জাপানের স্বার্থ ও নিরাপত্তার আশা রেখে ইউক্রেনীয় নির্মাতারা এশিয়ার বাজারে তাদের উপস্থিতি বাড়াতে তৎপর হচ্ছে।