০৩:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

দালিয়ানে WEF প্ল্যানারি সেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চীনের দালিয়ানে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের মর্যাদাপূর্ণ প্ল্যানারি সেশনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৪ জুন, ২০২৬) চীনের স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বিস্তৃত পরিসরে উদ্ভাবন’ (Innovating at Scale) শীর্ষক সেশনের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হয়। সেশনটির উদ্বোধনী বক্তব্য দেন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও।

এই গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন-সিওক, কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলজাস বেকতেনভ, মঙ্গোলিয়ার প্রধানমন্ত্রী উছরাল নিয়াম-ওসর, মন্টেনিগ্রোর প্রধানমন্ত্রী মিলোজকো স্পাজিচ এবং গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদু ওউরি বাহ। বিশ্বনেতারা বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, টেকসই উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে উদ্ভাবনী সমাধান প্রয়োগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

সেশনের আনুষ্ঠানিক আলোচনার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাইডলাইন ইভেন্টে বিভিন্ন দেশের সরকারি প্রধানদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্ত করার বিষয়ে মতবিনিময় করেন। উভয় পক্ষের সম্পর্ক উন্নয়ন, বাণিজ্য-আর্থিক অংশীদারিত্ব ও প্রযুক্তি-সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো নিয়ে সংক্ষিপ্ত কিন্তু ফলপ্রসূ কথোপকথন হওয়ার কথা জানা গেছে।

বৈঠকগুলোর অনানুষ্ঠানিক পরিবেশে নেতারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যুতে আলোচনা করেন, যা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার পাশাপাশি বহুপাক্ষিক মঞ্চে সহযোগিতার নতুন দ্বার খুলতে পারে বলে কূটনীতিকরা মনে করছেন। অধিবেশনের বিরতিতে বিশ্বনেতারা সম্মিলিত ফটোসেশনেও অংশ নেন।

বিশ্লেষকরা মন্তব্য করছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই চীন সফর কূটনীতি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় বাংলাদেশের জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ। রাষ্ট্র পরিচালনার উচ্চপর্যায়ের এই ধরনের অংশগ্রহণ বিদেশি ลงিবেশ, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও জ্বালানি-পরিবর্তন প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের অনুকূল অবস্থান গঠনে সহায়ক হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আগামী দিনগুলোতে দুটি দেশের মধ্যে সম্ভাব্য মিটিং ও চুক্তি বিষয়ে আরও বিবরণ প্রকাশ করা হবে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো থেকে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

দালিয়ানে WEF প্ল্যানারি সেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিতঃ ১০:৪২:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

চীনের দালিয়ানে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের মর্যাদাপূর্ণ প্ল্যানারি সেশনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৪ জুন, ২০২৬) চীনের স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বিস্তৃত পরিসরে উদ্ভাবন’ (Innovating at Scale) শীর্ষক সেশনের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হয়। সেশনটির উদ্বোধনী বক্তব্য দেন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও।

এই গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন-সিওক, কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলজাস বেকতেনভ, মঙ্গোলিয়ার প্রধানমন্ত্রী উছরাল নিয়াম-ওসর, মন্টেনিগ্রোর প্রধানমন্ত্রী মিলোজকো স্পাজিচ এবং গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদু ওউরি বাহ। বিশ্বনেতারা বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, টেকসই উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে উদ্ভাবনী সমাধান প্রয়োগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

সেশনের আনুষ্ঠানিক আলোচনার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাইডলাইন ইভেন্টে বিভিন্ন দেশের সরকারি প্রধানদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্ত করার বিষয়ে মতবিনিময় করেন। উভয় পক্ষের সম্পর্ক উন্নয়ন, বাণিজ্য-আর্থিক অংশীদারিত্ব ও প্রযুক্তি-সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো নিয়ে সংক্ষিপ্ত কিন্তু ফলপ্রসূ কথোপকথন হওয়ার কথা জানা গেছে।

বৈঠকগুলোর অনানুষ্ঠানিক পরিবেশে নেতারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যুতে আলোচনা করেন, যা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার পাশাপাশি বহুপাক্ষিক মঞ্চে সহযোগিতার নতুন দ্বার খুলতে পারে বলে কূটনীতিকরা মনে করছেন। অধিবেশনের বিরতিতে বিশ্বনেতারা সম্মিলিত ফটোসেশনেও অংশ নেন।

বিশ্লেষকরা মন্তব্য করছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই চীন সফর কূটনীতি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় বাংলাদেশের জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ। রাষ্ট্র পরিচালনার উচ্চপর্যায়ের এই ধরনের অংশগ্রহণ বিদেশি ลงিবেশ, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও জ্বালানি-পরিবর্তন প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের অনুকূল অবস্থান গঠনে সহায়ক হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আগামী দিনগুলোতে দুটি দেশের মধ্যে সম্ভাব্য মিটিং ও চুক্তি বিষয়ে আরও বিবরণ প্রকাশ করা হবে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো থেকে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।