০৩:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মার্কিন তুলায় তৈরি পোশাকের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার চাইছে বাংলাদেশ

মার্কিন তুলা ও কৃত্রিম তন্তু (এমএমএফ) ব্যবহার করে বাংলাদেশে তৈরি পোশাকের যুক্তরাষ্ট্রে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বাস্তবায়নে বুদ্ধিমান অগ্রগতি না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন টেক্সটাইল ও রপ্তানিকারক উদ্যোগীরা। এই অনিশ্চয়তা দ্রুত দূর করতে ও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করতে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) ঢাকার গুলশানে মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে গত বুধবার একটি বৈঠক করেছিল।

বৈঠকটি সভাপতিত্ব করেন বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল। সভায় স্থানীয় প্রাথমিক টেক্সটাইল শিল্পের টেকসই উন্নয়ন, এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং রফতানি সক্ষমতা বাড়ানোর জরুরি প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে বাণিজ্য চুক্তির ‘ধারা ৫.৩’ দ্রুত কার্যকর করা লক্ষ্যে জোর দেওয়া হয়—এই ধারা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানীকৃত তুলা ও ম্যান-মেড ফাইবার ব্যবহার করে বাংলাদেশে উৎপাদিত পোশাক যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশের সুযোগ পাবে।

উদ্যোক্তারা বলেন, ধারা ৫.৩ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক বিশ্ববাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে কাঁচামাল আমদানি দ্রুত বাড়বে—ফলে উভয় দেশের জন্য লাভজনক বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে উঠবে। কিন্তু চুক্তির কার্যকরকরণে দীর্ঘ বিলম্ব ও অস্পষ্টতার কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হতাশা বেড়েছে। এই ব্যাকলগ মোকাবেলায় ‘রুলস অব অরিজিন’ চূড়ান্তকরণ এবং বাস্তবগত অগ্রগতি নিশ্চিত করতেও বিটিএমএ প্রতিনিধি দল যথেষ্ট জোরদারি করেন।

মার্কিন দূতাবাস থেকে পলিটিক্যাল-ইকোনমিক কাউন্সেলর এরিক গিলান এবং এগ্রিকালচারাল অ্যাটাচে এরিন কভার্টসহ ঊর্ধ্বতন কয়েকজন কর্মকর্তা বৈঠকে অংশ নেন। উভয় পক্ষ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির সুযোগ, মার্কিন তুলার ব্যবহার বাড়ানো এবং কেন্দ্রীয় বন্ডেড ওয়্যারহাউস দ্রুত বাস্তবায়নের গুরুত্ব নিয়ে গঠনমূলক আলাপচারিতা করেন। এছাড়া মার্কিন কাঁচামাল ব্যবহার করে উৎপাদিত পণ্যের জন্য মার্কিন বাজারে সুবিধা নিশ্চিতকরণকেও বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয়ে রাখা হয়।

বিটিএমএ-এর শীর্ষ পরিচালকবৃন্দ ও সাবেক কর্মকর্তারা এই নীতিনির্ধারণী সংলাপে অংশগ্রহণ করেন এবং দ্রুত বাস্তবায়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তারা জানান, দ্রুত পদক্ষেপ নিলে বিনিয়োগের অবস্থা স্থিতিশীল হবে ও দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব আরও মজবুত হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মার্কিন তুলায় তৈরি পোশাকের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার চাইছে বাংলাদেশ

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

মার্কিন তুলা ও কৃত্রিম তন্তু (এমএমএফ) ব্যবহার করে বাংলাদেশে তৈরি পোশাকের যুক্তরাষ্ট্রে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বাস্তবায়নে বুদ্ধিমান অগ্রগতি না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন টেক্সটাইল ও রপ্তানিকারক উদ্যোগীরা। এই অনিশ্চয়তা দ্রুত দূর করতে ও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করতে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) ঢাকার গুলশানে মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে গত বুধবার একটি বৈঠক করেছিল।

বৈঠকটি সভাপতিত্ব করেন বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল। সভায় স্থানীয় প্রাথমিক টেক্সটাইল শিল্পের টেকসই উন্নয়ন, এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং রফতানি সক্ষমতা বাড়ানোর জরুরি প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে বাণিজ্য চুক্তির ‘ধারা ৫.৩’ দ্রুত কার্যকর করা লক্ষ্যে জোর দেওয়া হয়—এই ধারা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানীকৃত তুলা ও ম্যান-মেড ফাইবার ব্যবহার করে বাংলাদেশে উৎপাদিত পোশাক যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশের সুযোগ পাবে।

উদ্যোক্তারা বলেন, ধারা ৫.৩ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক বিশ্ববাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে কাঁচামাল আমদানি দ্রুত বাড়বে—ফলে উভয় দেশের জন্য লাভজনক বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে উঠবে। কিন্তু চুক্তির কার্যকরকরণে দীর্ঘ বিলম্ব ও অস্পষ্টতার কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হতাশা বেড়েছে। এই ব্যাকলগ মোকাবেলায় ‘রুলস অব অরিজিন’ চূড়ান্তকরণ এবং বাস্তবগত অগ্রগতি নিশ্চিত করতেও বিটিএমএ প্রতিনিধি দল যথেষ্ট জোরদারি করেন।

মার্কিন দূতাবাস থেকে পলিটিক্যাল-ইকোনমিক কাউন্সেলর এরিক গিলান এবং এগ্রিকালচারাল অ্যাটাচে এরিন কভার্টসহ ঊর্ধ্বতন কয়েকজন কর্মকর্তা বৈঠকে অংশ নেন। উভয় পক্ষ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির সুযোগ, মার্কিন তুলার ব্যবহার বাড়ানো এবং কেন্দ্রীয় বন্ডেড ওয়্যারহাউস দ্রুত বাস্তবায়নের গুরুত্ব নিয়ে গঠনমূলক আলাপচারিতা করেন। এছাড়া মার্কিন কাঁচামাল ব্যবহার করে উৎপাদিত পণ্যের জন্য মার্কিন বাজারে সুবিধা নিশ্চিতকরণকেও বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয়ে রাখা হয়।

বিটিএমএ-এর শীর্ষ পরিচালকবৃন্দ ও সাবেক কর্মকর্তারা এই নীতিনির্ধারণী সংলাপে অংশগ্রহণ করেন এবং দ্রুত বাস্তবায়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তারা জানান, দ্রুত পদক্ষেপ নিলে বিনিয়োগের অবস্থা স্থিতিশীল হবে ও দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব আরও মজবুত হবে।