০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

আরব আমিরাত ৬ দেশের নাগরিকদের অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা দিল

সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা আরও ছয় দেশের নাগরিকদের জন্য খুলে দিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেছে, যা গালফ নিউজে প্রকাশিত হয়েছে।

নতুন নির্দেশনায় ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, কেনিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকরা আরব আমিরাতে পৌঁছানোর পর তাৎক্ষণিকভাবে ভিসা নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই ছয় দেশের পর্যটক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য দুটো মেয়াদের অন-অ্যারাইভাল ভিসা চালু করা হয়েছে — ১৪ দিন এবং ৬০ দিন।

ভিসার ফি নির্ধারিত হয়েছে ১৪ দিনের জন্য ১০০ দিরহাম (বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ৩,৩৪১ টাকা) এবং ৬০ দিনের জন্য ২৫০ দিরহাম (প্রায় ৮,৩৫১ টাকা)। আগ্রহী ভ্রমণকারীরা তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী কোনো একটি মেয়াদের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

এর আগে আরব আমিরাত অন-অ্যারাইভাল ভিসার সুযোগ দিয়েছিল মোট ৩৫টি দেশের নাগরিককে; এ তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, কানাডাসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশ ছিল। নতুন ছয়টি দেশের যোগে সুবিধাভোগী দেশের সংখ্যা এখন ৪১-এ দাঁড়ালো।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানোই এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল উদ্দেশ্য। মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, এই সুযোগের মাধ্যমে আগতরা আরব আমিরাতের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, বিশ্বমানের পর্যটন আকর্ষণ, গতিশীল অর্থনীতি ও প্রতিযোগিতামূলক বাণিজ্যিক পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক পর্যটন ও বাণিজ্যিক হাব হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করার অংশ হিসেবে আমিরাত সরকার এই স্ট্র্যাটেজিক পদক্ষেপ নিয়েছে। নতুন ভিসা উদ্যোগে পর্যটক ও ব্যবসায়িক আগ্রহ বৃদ্ধি পেলে দেশটির পর্যটন ও অর্থনীতির ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ার আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

আরব আমিরাত ৬ দেশের নাগরিকদের অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা দিল

প্রকাশিতঃ ১০:৩৯:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা আরও ছয় দেশের নাগরিকদের জন্য খুলে দিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেছে, যা গালফ নিউজে প্রকাশিত হয়েছে।

নতুন নির্দেশনায় ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, কেনিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকরা আরব আমিরাতে পৌঁছানোর পর তাৎক্ষণিকভাবে ভিসা নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই ছয় দেশের পর্যটক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য দুটো মেয়াদের অন-অ্যারাইভাল ভিসা চালু করা হয়েছে — ১৪ দিন এবং ৬০ দিন।

ভিসার ফি নির্ধারিত হয়েছে ১৪ দিনের জন্য ১০০ দিরহাম (বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ৩,৩৪১ টাকা) এবং ৬০ দিনের জন্য ২৫০ দিরহাম (প্রায় ৮,৩৫১ টাকা)। আগ্রহী ভ্রমণকারীরা তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী কোনো একটি মেয়াদের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

এর আগে আরব আমিরাত অন-অ্যারাইভাল ভিসার সুযোগ দিয়েছিল মোট ৩৫টি দেশের নাগরিককে; এ তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, কানাডাসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশ ছিল। নতুন ছয়টি দেশের যোগে সুবিধাভোগী দেশের সংখ্যা এখন ৪১-এ দাঁড়ালো।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানোই এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল উদ্দেশ্য। মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, এই সুযোগের মাধ্যমে আগতরা আরব আমিরাতের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, বিশ্বমানের পর্যটন আকর্ষণ, গতিশীল অর্থনীতি ও প্রতিযোগিতামূলক বাণিজ্যিক পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক পর্যটন ও বাণিজ্যিক হাব হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করার অংশ হিসেবে আমিরাত সরকার এই স্ট্র্যাটেজিক পদক্ষেপ নিয়েছে। নতুন ভিসা উদ্যোগে পর্যটক ও ব্যবসায়িক আগ্রহ বৃদ্ধি পেলে দেশটির পর্যটন ও অর্থনীতির ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ার আশা করা হচ্ছে।