০৩:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

সপ্তাহের শেষ দিনে ডিএসই ও সিএসইতে সূচক ও লেনদেন বৃদ্ধি

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দেশের দুই প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) উভয় স্থানে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। এদিন উভয় বাজারেই মূল্যসূচক বাড়ার পাশাপাশি লেনদেনেও উল্লেখযোগ্য বাড়তি রেকর্ড হয়েছে বলে ডিএসই ও সিএসই সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৫ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৬৫২ পয়েন্টে অবস্থান করেছে। একই সঙ্গে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৪৩ পয়েন্টে ও ডিএসই-৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট বাড়লে ২ হাজার ১৩১ পয়েন্টে পৌঁছেছে। এদিন ডিএসইতে মোট ১ হাজার ১১০ কোটি ৭৪ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে, যা গত কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় ১৭০ কোটি টাকার বেশি (গতকাল ছিল ৯৪০ কোটি ২১ লাখ টাকা)।

ডিএসইতে এদিন মোট ৩৯৫টি প্রতিষ্ঠান ও ইউনিটে লেনদেন হয়েছে; এর মধ্যে ২৭৩টির বাজারদর বাড়েছে, ৬৮টির দাম কমেছে এবং ৫৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার অপরিবর্তিত ছিল। লেনদেনের শীর্ষে ছিলেন বেক্সিমকো ফার্মা, আইপিডিসি, ন্যাশনাল ফিড, ব্র্যাক ব্যাংক ও সামিট পোর্টের মতো বড় নামগুলো। বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার উত্থান বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে দিয়েছে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ২৯ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ১৫ হাজার ১৪৯ পয়েন্টে উঠেছে। সিএসইতে লেনদেনকৃত ২৪০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৩৩টির দাম বেড়েছে এবং ৬৯টির দাম কমেছে। সিএসইতে এদিন লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৯৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা, যা আগের দিনের ৫৮ কোটি ৮০ লাখ টাকার তুলনায় প্রায় ৪০ কোটি টাকা বেশি।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সপ্তাহের শেষ দিকে এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা সেক্টরভিত্তিক কেনাকাটা ও পুনরুক্তার প্রবণতার কারণে সৃষ্টি হয়েছে এবং এটি বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে সহায়ক হবে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ধারাবাহিক ফলাফল ও নির্বাচনী ক্যালেন্ডার ছাড়াও ঝুঁকি-প্রবণতা নিয়ন্ত্রনে বাজারে সচেতন বিনিয়োগকারীর অংশগ্রহণ বাড়লে এমন ইতিবাচক পরিবর্তন ধরে রাখা সম্ভব।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

সপ্তাহের শেষ দিনে ডিএসই ও সিএসইতে সূচক ও লেনদেন বৃদ্ধি

প্রকাশিতঃ ০৭:২৩:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দেশের দুই প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) উভয় স্থানে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। এদিন উভয় বাজারেই মূল্যসূচক বাড়ার পাশাপাশি লেনদেনেও উল্লেখযোগ্য বাড়তি রেকর্ড হয়েছে বলে ডিএসই ও সিএসই সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৫ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৬৫২ পয়েন্টে অবস্থান করেছে। একই সঙ্গে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৪৩ পয়েন্টে ও ডিএসই-৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট বাড়লে ২ হাজার ১৩১ পয়েন্টে পৌঁছেছে। এদিন ডিএসইতে মোট ১ হাজার ১১০ কোটি ৭৪ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে, যা গত কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় ১৭০ কোটি টাকার বেশি (গতকাল ছিল ৯৪০ কোটি ২১ লাখ টাকা)।

ডিএসইতে এদিন মোট ৩৯৫টি প্রতিষ্ঠান ও ইউনিটে লেনদেন হয়েছে; এর মধ্যে ২৭৩টির বাজারদর বাড়েছে, ৬৮টির দাম কমেছে এবং ৫৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার অপরিবর্তিত ছিল। লেনদেনের শীর্ষে ছিলেন বেক্সিমকো ফার্মা, আইপিডিসি, ন্যাশনাল ফিড, ব্র্যাক ব্যাংক ও সামিট পোর্টের মতো বড় নামগুলো। বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার উত্থান বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে দিয়েছে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ২৯ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ১৫ হাজার ১৪৯ পয়েন্টে উঠেছে। সিএসইতে লেনদেনকৃত ২৪০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৩৩টির দাম বেড়েছে এবং ৬৯টির দাম কমেছে। সিএসইতে এদিন লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৯৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা, যা আগের দিনের ৫৮ কোটি ৮০ লাখ টাকার তুলনায় প্রায় ৪০ কোটি টাকা বেশি।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সপ্তাহের শেষ দিকে এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা সেক্টরভিত্তিক কেনাকাটা ও পুনরুক্তার প্রবণতার কারণে সৃষ্টি হয়েছে এবং এটি বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে সহায়ক হবে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ধারাবাহিক ফলাফল ও নির্বাচনী ক্যালেন্ডার ছাড়াও ঝুঁকি-প্রবণতা নিয়ন্ত্রনে বাজারে সচেতন বিনিয়োগকারীর অংশগ্রহণ বাড়লে এমন ইতিবাচক পরিবর্তন ধরে রাখা সম্ভব।