০২:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ইতিহাস গড়লো গণতান্ত্রিক কঙ্গো — প্রথমবার বিশ্বকাপ নকআউটে

৫২ বছর পর বিশ্বকাপ মঞ্চে ফিরে গণতান্ত্রিক কঙ্গো এক অভূতপূর্ব ইতিহাস রচনা করেছে। নিজেদের বাঁচা-মরার শেষ গ্রুপ ম্যাচে উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে তারা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নিল।

অ্যারেনা: আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখল ও আক্রমণে প্রাধান্য ছিল কঙ্গো দলের। তবুও ম্যাচের মাত্র ১০ মিনিটে রক্ষণভাগের একটি কাজে অমনোযোগিতার সুযোগ নিয়ে এগিয়ে যায় উজবেকিস্তান; গোলটি করে ফরওয়ার্ড এলদর শোমুরোদভ। ওই গোলের পর থেকে কঙ্গো মরিয়া হয়ে আক্রমণ করলেও প্রথমার্ধ ও উদ্বেগাপন্ন বেশ কিছু সময় ধরে উজবেকিস্তান তাদের শক্ত জমাট প্রতিরোধ রাখে।

ম্যাচের ৬৮ মিনিটে উজবেক ডিফেন্ডার আবদুকোদির খুসানোভের একটি ভুল ক্লিয়ার করার মুহূর্তে কঙ্গোর উইঙ্গার ইওয়ান উইসার পায়ে আঘাত করলে রেফারি পেনাল্টির নিশান বাজান। স্পটকিক থেকে নিখুঁতভাবে গোল করে খেলা ১-১ সমতায় ফেরান উইসা। তীব্র উত্তেজনার এক পর্যায়ে ৭৮ মিনিটে ফিস্তন মায়েলে কঙ্গোকে এগিয়ে দেন এবং ম্যাচের যোগ সময়ের প্রথম মিনিটে উইসা নিজের দ্বিতীয় গোল করে জয়কে নিশ্চিত করেন — শেষ স্কোর ৩-1।

এই জয়ের মাধ্যমে কঙ্গো গ্রুপে ৪ পয়েন্ট নিয়ে পরের রাউন্ডে ওঠে; তাদের জন্য এটি বিশ্বকাপ মঞ্চে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ সাফল্য। গত শতকের ১৯৭৪ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার পর ওই আসরে তারা তিন ম্যাচেই হেরেছিল এবং বিশেষ করে যুগোস্লাভিয়ার বিপক্ষে ৯-০ গোলে পরাজিত হওয়া ছিল কষ্টকর স্মৃতি। দীর্ঘ এই বিরতির পর এ বার ফিরে এসে কঙ্গো শুরু থেকেই ভিন্ন-মাত্রার ফুটবল দেখিয়েছে — প্রথম ম্যাচে পর্তুগালের সঙ্গে ১-১ ড্র ও কলম্বিয়ার বিপক্ষে কড়াকড়ি হারে (১-০) প্রতিরোধ দেখিয়েছিল তারা।

অব섯্য, দেশের ইতিহাসে এই পদক্ষেপ আনন্দ-উৎসবের কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে; খেলোয়াড়দের কঠোর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস ও মনোবল কঙ্গোকে বিশ্ব কাপে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। এখন নকআউট পর্বে তাদের ছক কেমন দাঁড়ায়, দেখতে অপেক্ষা করতে হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ইতিহাস গড়লো গণতান্ত্রিক কঙ্গো — প্রথমবার বিশ্বকাপ নকআউটে

প্রকাশিতঃ ১০:৩৭:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

৫২ বছর পর বিশ্বকাপ মঞ্চে ফিরে গণতান্ত্রিক কঙ্গো এক অভূতপূর্ব ইতিহাস রচনা করেছে। নিজেদের বাঁচা-মরার শেষ গ্রুপ ম্যাচে উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে তারা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নিল।

অ্যারেনা: আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখল ও আক্রমণে প্রাধান্য ছিল কঙ্গো দলের। তবুও ম্যাচের মাত্র ১০ মিনিটে রক্ষণভাগের একটি কাজে অমনোযোগিতার সুযোগ নিয়ে এগিয়ে যায় উজবেকিস্তান; গোলটি করে ফরওয়ার্ড এলদর শোমুরোদভ। ওই গোলের পর থেকে কঙ্গো মরিয়া হয়ে আক্রমণ করলেও প্রথমার্ধ ও উদ্বেগাপন্ন বেশ কিছু সময় ধরে উজবেকিস্তান তাদের শক্ত জমাট প্রতিরোধ রাখে।

ম্যাচের ৬৮ মিনিটে উজবেক ডিফেন্ডার আবদুকোদির খুসানোভের একটি ভুল ক্লিয়ার করার মুহূর্তে কঙ্গোর উইঙ্গার ইওয়ান উইসার পায়ে আঘাত করলে রেফারি পেনাল্টির নিশান বাজান। স্পটকিক থেকে নিখুঁতভাবে গোল করে খেলা ১-১ সমতায় ফেরান উইসা। তীব্র উত্তেজনার এক পর্যায়ে ৭৮ মিনিটে ফিস্তন মায়েলে কঙ্গোকে এগিয়ে দেন এবং ম্যাচের যোগ সময়ের প্রথম মিনিটে উইসা নিজের দ্বিতীয় গোল করে জয়কে নিশ্চিত করেন — শেষ স্কোর ৩-1।

এই জয়ের মাধ্যমে কঙ্গো গ্রুপে ৪ পয়েন্ট নিয়ে পরের রাউন্ডে ওঠে; তাদের জন্য এটি বিশ্বকাপ মঞ্চে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ সাফল্য। গত শতকের ১৯৭৪ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার পর ওই আসরে তারা তিন ম্যাচেই হেরেছিল এবং বিশেষ করে যুগোস্লাভিয়ার বিপক্ষে ৯-০ গোলে পরাজিত হওয়া ছিল কষ্টকর স্মৃতি। দীর্ঘ এই বিরতির পর এ বার ফিরে এসে কঙ্গো শুরু থেকেই ভিন্ন-মাত্রার ফুটবল দেখিয়েছে — প্রথম ম্যাচে পর্তুগালের সঙ্গে ১-১ ড্র ও কলম্বিয়ার বিপক্ষে কড়াকড়ি হারে (১-০) প্রতিরোধ দেখিয়েছিল তারা।

অব섯্য, দেশের ইতিহাসে এই পদক্ষেপ আনন্দ-উৎসবের কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে; খেলোয়াড়দের কঠোর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস ও মনোবল কঙ্গোকে বিশ্ব কাপে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। এখন নকআউট পর্বে তাদের ছক কেমন দাঁড়ায়, দেখতে অপেক্ষা করতে হবে।