০২:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বাজার চাহিদা মেটাতে স্কয়ার চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন শুরু করবে

দেশের শীর্ষ ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি বাজারে ক্রমবর্ধমান ওষুধের চাহিদা মেটাতে চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানিটি আজ সোমবার (২৯ জুন, ২০২৬) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

ডিএসইতে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গতকাল রোববার (২৮ জুন, ২০২৬) স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের পরিচালনা পর্ষদের এক সভায় ‘সি টু সি ফার্মা লিমিটেড’ নামে একটি স্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারীর সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক (contract manufacturing) উৎপাদনের চুক্তি অনুমোদিত হয়েছে। এই চুক্তির অধীনে সি টু সি ফার্মা কোম্পানির ফর্মুলা ও মান নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ উৎপাদন করবে।

কোম্পানি সূত্রে বলা হয়েছে, নিজস্ব উৎপাদন ক্ষমতার পাশাপাশি এই চুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থা অনুসরণ করলে বাজারে দ্রুত ও ব্যাপকভাবে চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে নতুন জীবনরক্ষাকারী ওষুধ বাজারে আনা ও বাজারজাত করাও দ্রুততর হবে, যা শেষ ব্যবহারকারীর জন্য সুবিধাজনক হবে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ চুক্তিটির অনুলিপি সরবরাহ করার জন্য স্কয়ারকে অনুরোধ করেছে; তবে সর্বশেষ খবর পর্যন্ত ওই চুক্তির অনুলিপি স্টক এক্সচেঞ্জের কাছে পৌঁছায়নি।

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস দীর্ঘদিন ধরে দেশের ওষুধ খাতে নেতৃত্ব ধরে রেখেছে। কোম্পানিটি ১৯৯৫ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমানে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন দাঁড়িয়েছে ৮৮৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকায়। শেয়ারমালিকদের মধ্যে সাধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের (উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের অংশ বাদে) মালিকানা আনুমানিক ৫৫.৮৫ শতাংশ। গত রোববার (২৮ জুন) ডিএসইতে কোম্পানির শেয়ারের সমাপনী দর ছিল প্রতি শেয়ার ২২৬ টাকা ৫০ পয়সা।

বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন সম্প্রসারণ হলে কোম্পানির উৎপাদনশক্তি ও মুনাফায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। কোম্পানি কখন থেকে ও কী পরিমাণে উৎপাদন সম্প্রসারণ করবে—এবং চুক্তির বিস্তারিত শর্তাবলি—সেগুলো সম্পর্কে স্টক এক্সচেঞ্জে চুক্তির অনুলিপি পৌঁছানোর পর নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বাজার চাহিদা মেটাতে স্কয়ার চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন শুরু করবে

প্রকাশিতঃ ০৭:২৪:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

দেশের শীর্ষ ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি বাজারে ক্রমবর্ধমান ওষুধের চাহিদা মেটাতে চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানিটি আজ সোমবার (২৯ জুন, ২০২৬) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

ডিএসইতে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গতকাল রোববার (২৮ জুন, ২০২৬) স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের পরিচালনা পর্ষদের এক সভায় ‘সি টু সি ফার্মা লিমিটেড’ নামে একটি স্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারীর সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক (contract manufacturing) উৎপাদনের চুক্তি অনুমোদিত হয়েছে। এই চুক্তির অধীনে সি টু সি ফার্মা কোম্পানির ফর্মুলা ও মান নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ উৎপাদন করবে।

কোম্পানি সূত্রে বলা হয়েছে, নিজস্ব উৎপাদন ক্ষমতার পাশাপাশি এই চুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থা অনুসরণ করলে বাজারে দ্রুত ও ব্যাপকভাবে চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে নতুন জীবনরক্ষাকারী ওষুধ বাজারে আনা ও বাজারজাত করাও দ্রুততর হবে, যা শেষ ব্যবহারকারীর জন্য সুবিধাজনক হবে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ চুক্তিটির অনুলিপি সরবরাহ করার জন্য স্কয়ারকে অনুরোধ করেছে; তবে সর্বশেষ খবর পর্যন্ত ওই চুক্তির অনুলিপি স্টক এক্সচেঞ্জের কাছে পৌঁছায়নি।

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস দীর্ঘদিন ধরে দেশের ওষুধ খাতে নেতৃত্ব ধরে রেখেছে। কোম্পানিটি ১৯৯৫ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমানে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন দাঁড়িয়েছে ৮৮৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকায়। শেয়ারমালিকদের মধ্যে সাধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের (উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের অংশ বাদে) মালিকানা আনুমানিক ৫৫.৮৫ শতাংশ। গত রোববার (২৮ জুন) ডিএসইতে কোম্পানির শেয়ারের সমাপনী দর ছিল প্রতি শেয়ার ২২৬ টাকা ৫০ পয়সা।

বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন সম্প্রসারণ হলে কোম্পানির উৎপাদনশক্তি ও মুনাফায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। কোম্পানি কখন থেকে ও কী পরিমাণে উৎপাদন সম্প্রসারণ করবে—এবং চুক্তির বিস্তারিত শর্তাবলি—সেগুলো সম্পর্কে স্টক এক্সচেঞ্জে চুক্তির অনুলিপি পৌঁছানোর পর নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হবে।