০১:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ডিজিটাল অর্থনীতির চূড়ান্ত ধাপে বাংলাদেশ: বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’ কার্যকর

নগদ লেনদেন কমিয়ে পুরো দেশকে ক্যাশলেস অর্থনীতির দিকে ধাবিত করার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে প্রতিদিনই ব্যবহারযোগ্য ‘বাংলা কিউআর’ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধান অনুযায়ী বুধবার ১ জুলাই থেকে দেশের প্রতিটি বাণিজ্যিক স্থানে সার্বজনীন আন্তঃলেনদেন ব্যবস্থা ‘বাংলা কিউআর’ চালু করা হয়েছে।

নতুন ব্যবস্থা অনুযায়ী গ্রাহকের প্রতি হাজার টাকার লেনদেনে সর্বোচ্চ চার্জ হবে সাড়ে ১১ টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, এই সার্বজনীন কিউআর ব্যবস্থার ফলে আর্থিক লেনদেনে প্রতারণা কমবে এবং লেনদেনের স্বচ্ছতা বাড়বে।

ব্যাংকাররা বলছেন, ‘বাংলা কিউআর’ কার্যকর হলে দুর্নীতি কমবে এবং সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়বে। একেবারে কার্যকর হলে অর্থ টাকার ছাপা ও তার ব্যবস্থাপনার খরচ—যা বর্তমানে বছরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা—তাতে বড় পরিমাণে সাশ্রয় করা সম্ভব হবে বলে তাদের ধারণা।

নতুন নিয়ম অনুসারে দোকানগুলোকে আলাদা আলাদা ব্যাংক বা মোবাইল আর্থিক সেবার (এমএফএস) কিউআর কোড ঝুলিয়ে রাখার ঝঞ্ঝাট থেকে মুক্তি মিলবে। একটিমাত্র ‘বাংলা কিউআর’ থাকলেই যেকোনো ব্যাংকিং বা এমএফএস অ্যাপ থেকে সরাসরি বিক্রেতার অ্যাকাউন্টে মুহূর্তেই টাকা স্থানান্তর করা যাবে। ফলে ব্যবসায়ীরা এক কোডেই সব ধরনের পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারবেন।

সাবেক ব্যাংকার সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ বলেন, এটা যদি ব্যাপকভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে বড় শপিংমল ও সুপারশপের বাইরে ফুটপাতের চায়ের দোকান থেকে গ্রামের খামারের মুদি দোকান পর্যন্ত ‘বাংলা কিউআর’ পৌঁছে যাবে। তখন মানিব্যাগ বা ছেঁড়া নোটের ব্যবহার সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কমে যাবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক পূর্বেই ১ এপ্রিল সকল ব্যাংক ও আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দিয়েছিল যে ৩০ জুনের মধ্যে তাদের নিজস্ব কিউআর কোড সরিয়ে বাধ্যতামূলকভাবে ‘বাংলা কিউআর’ স্থাপন করতে হবে। এই নির্দেশনা অনুযায়ী এক জুলাই থেকে নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ডিজিটাল অর্থনীতির চূড়ান্ত ধাপে বাংলাদেশ: বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’ কার্যকর

প্রকাশিতঃ ০৭:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

নগদ লেনদেন কমিয়ে পুরো দেশকে ক্যাশলেস অর্থনীতির দিকে ধাবিত করার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে প্রতিদিনই ব্যবহারযোগ্য ‘বাংলা কিউআর’ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধান অনুযায়ী বুধবার ১ জুলাই থেকে দেশের প্রতিটি বাণিজ্যিক স্থানে সার্বজনীন আন্তঃলেনদেন ব্যবস্থা ‘বাংলা কিউআর’ চালু করা হয়েছে।

নতুন ব্যবস্থা অনুযায়ী গ্রাহকের প্রতি হাজার টাকার লেনদেনে সর্বোচ্চ চার্জ হবে সাড়ে ১১ টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, এই সার্বজনীন কিউআর ব্যবস্থার ফলে আর্থিক লেনদেনে প্রতারণা কমবে এবং লেনদেনের স্বচ্ছতা বাড়বে।

ব্যাংকাররা বলছেন, ‘বাংলা কিউআর’ কার্যকর হলে দুর্নীতি কমবে এবং সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়বে। একেবারে কার্যকর হলে অর্থ টাকার ছাপা ও তার ব্যবস্থাপনার খরচ—যা বর্তমানে বছরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা—তাতে বড় পরিমাণে সাশ্রয় করা সম্ভব হবে বলে তাদের ধারণা।

নতুন নিয়ম অনুসারে দোকানগুলোকে আলাদা আলাদা ব্যাংক বা মোবাইল আর্থিক সেবার (এমএফএস) কিউআর কোড ঝুলিয়ে রাখার ঝঞ্ঝাট থেকে মুক্তি মিলবে। একটিমাত্র ‘বাংলা কিউআর’ থাকলেই যেকোনো ব্যাংকিং বা এমএফএস অ্যাপ থেকে সরাসরি বিক্রেতার অ্যাকাউন্টে মুহূর্তেই টাকা স্থানান্তর করা যাবে। ফলে ব্যবসায়ীরা এক কোডেই সব ধরনের পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারবেন।

সাবেক ব্যাংকার সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ বলেন, এটা যদি ব্যাপকভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে বড় শপিংমল ও সুপারশপের বাইরে ফুটপাতের চায়ের দোকান থেকে গ্রামের খামারের মুদি দোকান পর্যন্ত ‘বাংলা কিউআর’ পৌঁছে যাবে। তখন মানিব্যাগ বা ছেঁড়া নোটের ব্যবহার সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কমে যাবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক পূর্বেই ১ এপ্রিল সকল ব্যাংক ও আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দিয়েছিল যে ৩০ জুনের মধ্যে তাদের নিজস্ব কিউআর কোড সরিয়ে বাধ্যতামূলকভাবে ‘বাংলা কিউআর’ স্থাপন করতে হবে। এই নির্দেশনা অনুযায়ী এক জুলাই থেকে নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে।