০১:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বেলুচিস্তান-খাইবার সীমান্তে বাস খাদে পড়ে নিহত ৪০

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের ঝোব জেলায় এক যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে কমপক্ষে ৪০ জন নিহত এবং আটজন আহত হয়েছেন। প্রথমিকভাবে পুলিশ ও উদ্ধারকর্তারা বলছেন, বাসটির ব্রেক বিকল হওয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দুর্ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (৩ জুলাই) শেরানি জেলার ধানাসার এলাকায়, যখন বাসটি প্রাদেশিক সীমান্ত পেরিয়ে খাইবার পাখতুনখাওয়ার ডেরা ইসমাইল খান অঞ্চলের দিকে যাচ্ছিল—এমনটাই জানিয়েছে দেশীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।

পুলিশের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, ঝোবের দানাসার এলাকায় ব্রেক ফেল করলে বাসটি রাস্তাঘাটের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। আহতদের উদ্ধার করে ঝোব জেলা সদর (ডিএইচকিউ) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের চিকিৎসা চলছে।

জিও নিউজের প্রতিবেদনে বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রীর গণমাধ্যম বিষয়ক উপদেষ্টা শহীদ রিন্দ নিহতের সংখ্যা ৪০ জন হিসেবে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দুর্ঘটনাটি প্রধানত বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়া সীমান্তবর্তী এলাকায় ঘটেছে।

রিন্দ আরও জানান, বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়া সরকারের যৌথ উদ্ধারকর্ম চলছে। এ কাজে প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (পিডিএমএ), স্বাস্থ্য বিভাগ, ফ্রন্টিয়ার কর্পস (এফসি) ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে মোতায়েন করা হয়েছে। দ্রুত সহায়তার জন্য তিনি খাইবার পাখতুনখোয়া সরকারের অবিলম্বে তৎপরতার প্রশংসাও করেছেন।

প্রাথমিক তথ্যে বলা হয়েছে, বাসটিতে ধারণক্ষমতার তুলনায় বেশি যাত্রী ছিলেন। আগে বিকল হয়ে পড়া আরেকটি বাস থেকে যাত্রীরা ওই বাসে ওঠার পরই তারা যাত্রায় ছিলেন—তাই অতিরিক্ত যাত্রী থাকার বিষয়টিও আহত ও নিহতের উচ্চ সংখ্যার একটি কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দুর্ঘটনার সঠিক কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছেন। আঘাতপ্রাপ্তদের চিকিৎসা, নিহতদের পরিচয় শনাক্ত এবং শোকগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা প্রদানের কাজও চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে দুর্ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

এদিকে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করে আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বেলুচিস্তান-খাইবার সীমান্তে বাস খাদে পড়ে নিহত ৪০

প্রকাশিতঃ ০৭:২৪:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের ঝোব জেলায় এক যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে কমপক্ষে ৪০ জন নিহত এবং আটজন আহত হয়েছেন। প্রথমিকভাবে পুলিশ ও উদ্ধারকর্তারা বলছেন, বাসটির ব্রেক বিকল হওয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দুর্ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (৩ জুলাই) শেরানি জেলার ধানাসার এলাকায়, যখন বাসটি প্রাদেশিক সীমান্ত পেরিয়ে খাইবার পাখতুনখাওয়ার ডেরা ইসমাইল খান অঞ্চলের দিকে যাচ্ছিল—এমনটাই জানিয়েছে দেশীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।

পুলিশের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, ঝোবের দানাসার এলাকায় ব্রেক ফেল করলে বাসটি রাস্তাঘাটের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। আহতদের উদ্ধার করে ঝোব জেলা সদর (ডিএইচকিউ) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের চিকিৎসা চলছে।

জিও নিউজের প্রতিবেদনে বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রীর গণমাধ্যম বিষয়ক উপদেষ্টা শহীদ রিন্দ নিহতের সংখ্যা ৪০ জন হিসেবে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দুর্ঘটনাটি প্রধানত বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়া সীমান্তবর্তী এলাকায় ঘটেছে।

রিন্দ আরও জানান, বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়া সরকারের যৌথ উদ্ধারকর্ম চলছে। এ কাজে প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (পিডিএমএ), স্বাস্থ্য বিভাগ, ফ্রন্টিয়ার কর্পস (এফসি) ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে মোতায়েন করা হয়েছে। দ্রুত সহায়তার জন্য তিনি খাইবার পাখতুনখোয়া সরকারের অবিলম্বে তৎপরতার প্রশংসাও করেছেন।

প্রাথমিক তথ্যে বলা হয়েছে, বাসটিতে ধারণক্ষমতার তুলনায় বেশি যাত্রী ছিলেন। আগে বিকল হয়ে পড়া আরেকটি বাস থেকে যাত্রীরা ওই বাসে ওঠার পরই তারা যাত্রায় ছিলেন—তাই অতিরিক্ত যাত্রী থাকার বিষয়টিও আহত ও নিহতের উচ্চ সংখ্যার একটি কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দুর্ঘটনার সঠিক কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছেন। আঘাতপ্রাপ্তদের চিকিৎসা, নিহতদের পরিচয় শনাক্ত এবং শোকগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা প্রদানের কাজও চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে দুর্ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

এদিকে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করে আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।