১২:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী নিজের বেতনের ১০% সরকারি কোষাগারে দিচ্ছেন

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পথ অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতি মাসে তার বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিচ্ছেন—এমন তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীতে বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এই ঘোষণা দেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও অনুরোধ করেছেন যে প্রত্যেকেই নিজের বেতনের একটি নির্দিষ্ট অংশ রাষ্ট্রীয় তহবিলে জমা দিয়ে সহায়তা করতে পারেন। মন্ত্রিসভার এক বৈঠকের কথা স্মরণ করে তিনি সভায় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত অনুরোধের বয়ানও উদ্ধৃত করেন।

বৈঠক থেকে উদ্ধৃত ওই বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বিনীত কণ্ঠে বলেছেন যে তিনি নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মন্ত্রীদের সতর্ক করেছেন—‘‘আমি অনেক চিন্তা-ভাবনা করে দেখেছি, আপনাদের আমার বলা উচিত। আমার আব্বা (সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান) প্রতিমাসে তার বেতন থেকে ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতেন — গরিব-মিসকিন মানুষের সহায়তা বা সরকারি প্রয়োজনে খরচ করার জন্য। আমি নিজে বেতন নিচ্ছি; আমার বেসিক বেতন এক লাখ পনেরো হাজার টাকা। আমি ১০ শতাংশ হিসেবে প্রতি মাসে ১১ হাজার ৫০০ টাকা জমা দেই। বেতন একাউন্টে ঢুকলে আমি একটি চেক কেটে সরকারী অ্যাকাউন্টে দিই। আপনি-আপনারাও যদি সক্ষম হন, প্রতি মাসে আপনার বেতনের ১০ শতাংশ রাষ্ট্রীয় তহবিলে ফেরত দিতে পারেন।’’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই উদার আবেদন মন্ত্রিসভার সদস্যদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে এবং সবাই এতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। ‘আমরা সবাই আলহামদুলিল্লাহ বলেছি, খুশি হয়েছি যে উনি আমাদের কাছে এভাবে অ্যাপ্রোচ করেছেন,’ তিনি যোগ করেন।

ঘটনাস্থল ও প্রস্তাবের বাস্তব প্রয়োগের বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে তা জনগণের সঙ্গে ভাগ করা হবে বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

প্রধানমন্ত্রী নিজের বেতনের ১০% সরকারি কোষাগারে দিচ্ছেন

প্রকাশিতঃ ০২:২৭:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পথ অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতি মাসে তার বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিচ্ছেন—এমন তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীতে বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এই ঘোষণা দেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও অনুরোধ করেছেন যে প্রত্যেকেই নিজের বেতনের একটি নির্দিষ্ট অংশ রাষ্ট্রীয় তহবিলে জমা দিয়ে সহায়তা করতে পারেন। মন্ত্রিসভার এক বৈঠকের কথা স্মরণ করে তিনি সভায় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত অনুরোধের বয়ানও উদ্ধৃত করেন।

বৈঠক থেকে উদ্ধৃত ওই বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বিনীত কণ্ঠে বলেছেন যে তিনি নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মন্ত্রীদের সতর্ক করেছেন—‘‘আমি অনেক চিন্তা-ভাবনা করে দেখেছি, আপনাদের আমার বলা উচিত। আমার আব্বা (সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান) প্রতিমাসে তার বেতন থেকে ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতেন — গরিব-মিসকিন মানুষের সহায়তা বা সরকারি প্রয়োজনে খরচ করার জন্য। আমি নিজে বেতন নিচ্ছি; আমার বেসিক বেতন এক লাখ পনেরো হাজার টাকা। আমি ১০ শতাংশ হিসেবে প্রতি মাসে ১১ হাজার ৫০০ টাকা জমা দেই। বেতন একাউন্টে ঢুকলে আমি একটি চেক কেটে সরকারী অ্যাকাউন্টে দিই। আপনি-আপনারাও যদি সক্ষম হন, প্রতি মাসে আপনার বেতনের ১০ শতাংশ রাষ্ট্রীয় তহবিলে ফেরত দিতে পারেন।’’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই উদার আবেদন মন্ত্রিসভার সদস্যদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে এবং সবাই এতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। ‘আমরা সবাই আলহামদুলিল্লাহ বলেছি, খুশি হয়েছি যে উনি আমাদের কাছে এভাবে অ্যাপ্রোচ করেছেন,’ তিনি যোগ করেন।

ঘটনাস্থল ও প্রস্তাবের বাস্তব প্রয়োগের বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে তা জনগণের সঙ্গে ভাগ করা হবে বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।