১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ডিএসইতে সূচক-লেনদেনে মন্দা; সিএসইতে উল্টো চিত্র

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দরপতনে মূল্যসূচক ও লেনদেনের পরিমাণ উভয়ই কমেছে; অথচ অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) উল্টোভাবেই সূচক ও লেনদেন বেড়েছে।

দিনটি ডিএসইতে সকালের দিকে ইতিবাচক দিক থেকে শুরু হলেও শেষের দিকে শক্ত বিক্রয়চাপ বাজারকে নিম্নমুখী করে দেয়। প্রধানত বড় মূলধনী ও মৌলিকভাবে শক্ত কোম্পানি들의 শেয়ার দর কমে যাওয়ায় সূচকগুলোই আজ চাপের মুখে পড়ে। এদিন ডিএসইতে ১৬০ প্রতিষ্ঠান শেয়ারের দর বাড়ায়, ১৮০টির দাম কমে এবং ৫০টির দর অপরিবর্তিত থাকে। বিশেষভাবে নজর কাড়ে ডিএসই-৩০ সূচকের মধ্যে ৩০টির মধ্যে ২১টির শেয়ারের দাম কমে যাওয়া; যা সমগ্র বাজারকে নিম্নমুখী করতে বড় ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া ১০ শতাংশ বা ততোধিক লভ্যাংশ ঘোষণা করা ৯৫টি কোম্পানির শেয়ারের দামও কমেছে।

সূচক পরিবর্তনে দেখা গেছে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১৮ পয়েন্ট নামিয়ে ৫৭৮১ পয়েন্টে নেমে এসেছে। একইভাবে ডিএসই-৩০ সূচক ১০ পয়েন্ট কমে ২১৮১ পয়েন্টে গেছে। বিপরীতে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে ১১৮৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। লেনদেনের দিক থেকে ডিএসইতে এদিন মোট ১ হাজার ৩৮৮ কোটি ৩ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ২৮ কোটি টাকা কম। লেনদেনে শীর্ষে ছিল বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, মালেক স্পিনিং এবং ব্র্যাক ব্যাংক।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে দেখা গেছে উল্টো প্রবণতা। সিএসইর সামগ্রিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৪২ পয়েন্ট বেড়ে গেছে। সেখানে লেনদেনে অংশ নেয়া মোট ২৫০ প্রতিষ্ঠান থেকে ১২৯টির দামে উত্থান এবং ১০০টির দামে পতন হয়েছে। লেনদেনের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে ৩০ কোটি ৭৯ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ডিএসইতে বড় খাতের দরপতনের মাঝে সিএসইতে ছোট ও মাঝারি মানের প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে ইতিবাচক গতি থাকার কারণে চট্টগ্রামের বাজার তুলনামূলকভাবে ভালো ছাপ রেখেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ডিএসইতে সূচক-লেনদেনে মন্দা; সিএসইতে উল্টো চিত্র

প্রকাশিতঃ ০২:২৫:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দরপতনে মূল্যসূচক ও লেনদেনের পরিমাণ উভয়ই কমেছে; অথচ অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) উল্টোভাবেই সূচক ও লেনদেন বেড়েছে।

দিনটি ডিএসইতে সকালের দিকে ইতিবাচক দিক থেকে শুরু হলেও শেষের দিকে শক্ত বিক্রয়চাপ বাজারকে নিম্নমুখী করে দেয়। প্রধানত বড় মূলধনী ও মৌলিকভাবে শক্ত কোম্পানি들의 শেয়ার দর কমে যাওয়ায় সূচকগুলোই আজ চাপের মুখে পড়ে। এদিন ডিএসইতে ১৬০ প্রতিষ্ঠান শেয়ারের দর বাড়ায়, ১৮০টির দাম কমে এবং ৫০টির দর অপরিবর্তিত থাকে। বিশেষভাবে নজর কাড়ে ডিএসই-৩০ সূচকের মধ্যে ৩০টির মধ্যে ২১টির শেয়ারের দাম কমে যাওয়া; যা সমগ্র বাজারকে নিম্নমুখী করতে বড় ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া ১০ শতাংশ বা ততোধিক লভ্যাংশ ঘোষণা করা ৯৫টি কোম্পানির শেয়ারের দামও কমেছে।

সূচক পরিবর্তনে দেখা গেছে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১৮ পয়েন্ট নামিয়ে ৫৭৮১ পয়েন্টে নেমে এসেছে। একইভাবে ডিএসই-৩০ সূচক ১০ পয়েন্ট কমে ২১৮১ পয়েন্টে গেছে। বিপরীতে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে ১১৮৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। লেনদেনের দিক থেকে ডিএসইতে এদিন মোট ১ হাজার ৩৮৮ কোটি ৩ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ২৮ কোটি টাকা কম। লেনদেনে শীর্ষে ছিল বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, মালেক স্পিনিং এবং ব্র্যাক ব্যাংক।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে দেখা গেছে উল্টো প্রবণতা। সিএসইর সামগ্রিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৪২ পয়েন্ট বেড়ে গেছে। সেখানে লেনদেনে অংশ নেয়া মোট ২৫০ প্রতিষ্ঠান থেকে ১২৯টির দামে উত্থান এবং ১০০টির দামে পতন হয়েছে। লেনদেনের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে ৩০ কোটি ৭৯ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ডিএসইতে বড় খাতের দরপতনের মাঝে সিএসইতে ছোট ও মাঝারি মানের প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে ইতিবাচক গতি থাকার কারণে চট্টগ্রামের বাজার তুলনামূলকভাবে ভালো ছাপ রেখেছে।