০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

প্রেক্ষাগৃহে ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’: প্রথম দিনে ব্যাপক সাড়া

কৌশিক গাঙ্গুলীর নতুন ছবি ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ মুক্তির প্রথম দিনেই দর্শক ও সমালোচকদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে। ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কয়েকটি প্রদর্শনী প্রথমদিন থেকেই হাউজফুলের খবর পাওয়া গেছে। সম্পর্ক, বিচ্ছেদ, স্মৃতি এবং মানুষের সূক্ষ্ম আবেগের টানাপোড়েনকে ঘিরে ছবির কাহিনি ঘোরে, যেখানে প্রধান দুই চরিত্রে দেখা গিয়েছে জয়া আহসান ও চূর্ণী গাঙ্গুলীকে।

প্রদর্শনের দিন কলকাতার ঐতিহ্যবাহী নন্দন প্রেক্ষাগৃহে একটি বিশেষ স্ক্রিনিং ও দর্শক-র আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে নির্মাতা কৌশিক গাঙ্গুলী, জয়া আহসান, চূর্ণী গাঙ্গুলী ও সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন। প্রদর্শনী শেষে শিল্পীরা দর্শকদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনায় অংশ নেন; অনেকেই আবেগে ভেজা হয়ে কাঁদতে দেখেন এবং প্রিয় অভিনেত্রীদের কাছে তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করে ওঠেন — এমন দৃশ্য পোস্টিভ প্রতিক্রিয়ার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছে।

নাটকীয় নির্মাতা ইন্দ্রনীল রায়ও ছবিটির প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, গত দুই দশকে কৌশিক গাঙ্গুলী বাংলা চলচ্চিত্রে মানবিক সম্পর্কের যে ধরনের গল্প বলেছেন, ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ তা একটি নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ইন্দ্রনীলের মতে সিনেমাটি কেবল বাণিজ্যিকভাবে নয়, সমালোচকদের দৃষ্টিতেও যথাসম্ভব প্রশংসার যোগ্য। তিনি উল্লেখ করেন পার্শ্বচরিত্রে অম্বরীশ, কৌশিক সেন ও ইন্দ্রাশিসসহ সকলের অভিনয় সংযত ও চরিত্রভিত্তিক।

চিত্রগ্রাহক গোপী ভগতের কাজ, সংগীত পরিচালনায় দেবজ্যোতি মিশ্রের অবদান এবং সম্পাদনায় অমিত চট্টোপাধ্যায়ের নিখুঁত ছাঁচ সিনেমাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। সংগীতায়োজনে অনুপম রায়, ইমন চক্রবর্তী ও লগ্নজিতা চক্রবর্তীর সংযোজন পুরো কাহিনির আবহকে আরও ঘনীভূত করেছে। মোট মিলিয়ে পেছনের কারিগরদের কাজও দর্শকের মনে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ রেখেছে।

তবে দর্শক-সমালোচকদের সবচেয়ে বেশি প্রশংসা কুড়িয়েছেন প্রধান দুই অভিনেত্রী জয়া আহসান ও চূর্ণী গাঙ্গুলী। ইন্দ্রনীল রায় বিশেষ করে চূর্ণীর অভিনয়কে একটি ‘মাস্টারক্লাস’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং দুজনের পারফরম্যান্সকে ছবিটির সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। দর্শকপ্রতিক্রিয়া দেখে বাস্তবে ছবিটি কতটা গভীরভাবে ছুঁয়েছে, তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

প্রথম দিনের এই ইতিবাচক সাড়া সংশ্লিষ্টদের কাছে আশাব্যঞ্জক—অনেকেই মনে করছেন ছবিটি দ্রুত বক্স অফিসে ভালো ধারা গড়ে তুলবে এবং দীর্ঘমেয়াদে দর্শক ও সমালোচকের মন দুটো করবে জয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

প্রেক্ষাগৃহে ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’: প্রথম দিনে ব্যাপক সাড়া

প্রকাশিতঃ ১০:৩৬:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

কৌশিক গাঙ্গুলীর নতুন ছবি ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ মুক্তির প্রথম দিনেই দর্শক ও সমালোচকদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে। ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কয়েকটি প্রদর্শনী প্রথমদিন থেকেই হাউজফুলের খবর পাওয়া গেছে। সম্পর্ক, বিচ্ছেদ, স্মৃতি এবং মানুষের সূক্ষ্ম আবেগের টানাপোড়েনকে ঘিরে ছবির কাহিনি ঘোরে, যেখানে প্রধান দুই চরিত্রে দেখা গিয়েছে জয়া আহসান ও চূর্ণী গাঙ্গুলীকে।

প্রদর্শনের দিন কলকাতার ঐতিহ্যবাহী নন্দন প্রেক্ষাগৃহে একটি বিশেষ স্ক্রিনিং ও দর্শক-র আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে নির্মাতা কৌশিক গাঙ্গুলী, জয়া আহসান, চূর্ণী গাঙ্গুলী ও সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন। প্রদর্শনী শেষে শিল্পীরা দর্শকদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনায় অংশ নেন; অনেকেই আবেগে ভেজা হয়ে কাঁদতে দেখেন এবং প্রিয় অভিনেত্রীদের কাছে তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করে ওঠেন — এমন দৃশ্য পোস্টিভ প্রতিক্রিয়ার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছে।

নাটকীয় নির্মাতা ইন্দ্রনীল রায়ও ছবিটির প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, গত দুই দশকে কৌশিক গাঙ্গুলী বাংলা চলচ্চিত্রে মানবিক সম্পর্কের যে ধরনের গল্প বলেছেন, ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ তা একটি নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ইন্দ্রনীলের মতে সিনেমাটি কেবল বাণিজ্যিকভাবে নয়, সমালোচকদের দৃষ্টিতেও যথাসম্ভব প্রশংসার যোগ্য। তিনি উল্লেখ করেন পার্শ্বচরিত্রে অম্বরীশ, কৌশিক সেন ও ইন্দ্রাশিসসহ সকলের অভিনয় সংযত ও চরিত্রভিত্তিক।

চিত্রগ্রাহক গোপী ভগতের কাজ, সংগীত পরিচালনায় দেবজ্যোতি মিশ্রের অবদান এবং সম্পাদনায় অমিত চট্টোপাধ্যায়ের নিখুঁত ছাঁচ সিনেমাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। সংগীতায়োজনে অনুপম রায়, ইমন চক্রবর্তী ও লগ্নজিতা চক্রবর্তীর সংযোজন পুরো কাহিনির আবহকে আরও ঘনীভূত করেছে। মোট মিলিয়ে পেছনের কারিগরদের কাজও দর্শকের মনে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ রেখেছে।

তবে দর্শক-সমালোচকদের সবচেয়ে বেশি প্রশংসা কুড়িয়েছেন প্রধান দুই অভিনেত্রী জয়া আহসান ও চূর্ণী গাঙ্গুলী। ইন্দ্রনীল রায় বিশেষ করে চূর্ণীর অভিনয়কে একটি ‘মাস্টারক্লাস’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং দুজনের পারফরম্যান্সকে ছবিটির সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। দর্শকপ্রতিক্রিয়া দেখে বাস্তবে ছবিটি কতটা গভীরভাবে ছুঁয়েছে, তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

প্রথম দিনের এই ইতিবাচক সাড়া সংশ্লিষ্টদের কাছে আশাব্যঞ্জক—অনেকেই মনে করছেন ছবিটি দ্রুত বক্স অফিসে ভালো ধারা গড়ে তুলবে এবং দীর্ঘমেয়াদে দর্শক ও সমালোচকের মন দুটো করবে জয়।