০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য জামানতছাড়া ঋণ ও ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল

সরকার নতুন ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সহজশর্তে ঋণ সুবিধা এবং স্টার্টআপ বিনিয়োগের বিশেষ তহবিল ঘোষণা করেছে। জামানত ছাড়াই সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অনধিক ৭ শতাংশ সুদে ঋণ পান নতুন উদ্যোক্তারা, আর প্রয়োজনীয় জামানত প্রদানের শর্তে সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া যাবে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী রোববার সংসদে বলেন যে কুটির, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র (সিএমএসএমই) খাতের জন্য নতুন উদ্যোক্তা পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের পরিমাণ ১০০ কোটি টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৫০০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। এই তহবিল থেকে উদ্যোক্তারা সহজ শর্তে ঋণ গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৫০০ কোটি টাকার একটি পৃথক ‘স্টার্ট-আপ ফান্ড’ চালু করেছে, যেখানে স্টার্টআপ উদ্যোক্তারা মাত্র ৪ শতাংশ সুদে ঋণ নিতে পারবেন। শুধু ঋণ নয়—স্টার্টআপগুলোতে সরাসরি ইক্যুইটি বা মূলধনী বিনিয়োগের সুযোগ তৈরির কথাও অর্থমন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন।

এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে ৩৯টি তফসিলি ব্যাংকের অংশগ্রহণে ‘বাংলাদেশ স্টার্ট-আপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি, পিএলসি’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সম্ভাবনাময় উদ্যোগগুলো মূলধনী সহায়তা ও বিনিয়োগ পাবে।

এই তথ্যাদি তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় (প্রথম বাজেট) অধিবেশনের ২৩তম দিনে কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুল আলমের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তুলে ধরেন।

অর্থমন্ত্রী আরও জানান যে বেকার তরুণদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষে আগে থেকে চালু থাকা কর্মসংস্থান ব্যাংকের মাধ্যমে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও বাস্তবঅভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত বেকারদের জন্য ১ হাজার কোটি টাকার তহবিল পরিচালিত হচ্ছিল, যা ১৪ জুলাই ২০২৫-এ সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার নতুন করে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার একটি বৃহৎ তহবিল গঠনের কাজ চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

এই উদ্যোগগুলোর লক্ষ্য দেশের নতুন প্রজন্মকে ব্যবসা শুরু ও সম্প্রসারণে সহায়তা করা, বিনিয়োগের জটিলতা কমানো এবং তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান ও স্বল্পমূল্যে অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য জামানতছাড়া ঋণ ও ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল

প্রকাশিতঃ ১০:৩৯:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

সরকার নতুন ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সহজশর্তে ঋণ সুবিধা এবং স্টার্টআপ বিনিয়োগের বিশেষ তহবিল ঘোষণা করেছে। জামানত ছাড়াই সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অনধিক ৭ শতাংশ সুদে ঋণ পান নতুন উদ্যোক্তারা, আর প্রয়োজনীয় জামানত প্রদানের শর্তে সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া যাবে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী রোববার সংসদে বলেন যে কুটির, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র (সিএমএসএমই) খাতের জন্য নতুন উদ্যোক্তা পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের পরিমাণ ১০০ কোটি টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৫০০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। এই তহবিল থেকে উদ্যোক্তারা সহজ শর্তে ঋণ গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৫০০ কোটি টাকার একটি পৃথক ‘স্টার্ট-আপ ফান্ড’ চালু করেছে, যেখানে স্টার্টআপ উদ্যোক্তারা মাত্র ৪ শতাংশ সুদে ঋণ নিতে পারবেন। শুধু ঋণ নয়—স্টার্টআপগুলোতে সরাসরি ইক্যুইটি বা মূলধনী বিনিয়োগের সুযোগ তৈরির কথাও অর্থমন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন।

এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে ৩৯টি তফসিলি ব্যাংকের অংশগ্রহণে ‘বাংলাদেশ স্টার্ট-আপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি, পিএলসি’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সম্ভাবনাময় উদ্যোগগুলো মূলধনী সহায়তা ও বিনিয়োগ পাবে।

এই তথ্যাদি তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় (প্রথম বাজেট) অধিবেশনের ২৩তম দিনে কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুল আলমের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তুলে ধরেন।

অর্থমন্ত্রী আরও জানান যে বেকার তরুণদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষে আগে থেকে চালু থাকা কর্মসংস্থান ব্যাংকের মাধ্যমে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও বাস্তবঅভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত বেকারদের জন্য ১ হাজার কোটি টাকার তহবিল পরিচালিত হচ্ছিল, যা ১৪ জুলাই ২০২৫-এ সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার নতুন করে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার একটি বৃহৎ তহবিল গঠনের কাজ চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

এই উদ্যোগগুলোর লক্ষ্য দেশের নতুন প্রজন্মকে ব্যবসা শুরু ও সম্প্রসারণে সহায়তা করা, বিনিয়োগের জটিলতা কমানো এবং তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান ও স্বল্পমূল্যে অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করা।