০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

আরও চারটি কারখানা পেল সবুজ সনদ, মোট সংখ্যা বেড়ে ২৯০

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের ধারাবাহিকতা আগের মতোই ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সবুজ ভবন (Green Building) সনদপ্রাপ্ত কারখানার মাঝে নতুন করে চারটি সংযোজন হওয়ায় এবার দেশটির সবুজ সনদপ্রাপ্ত তৈরি পোশাক কারখানার সংখ্যা দাঁড়ালো ২৯০-এ।

বিজিএমইএ সূত্রে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জানা গেছে, এই ২৯০টি কারখানার মধ্যে ১২৫টি ‘প্লাটিনাম’, ১৪৫টি ‘গোল্ড’ এবং বাকি কারখানাগুলো ‘সিলভার’ ও সাধারণ সার্টিফায়েড পর্যায়ে রয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, বিশ্বের সর্বোচ্চ নম্বরধারী শীর্ষ ১০০টি সবুজ কারখানার মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি—৫৩টি—এখন বাংলাদেশের।

এইবার নতুনভাবে সনদপ্রাপ্ত চারটি কারখানার মধ্যে আছে চট্টগ্রামের নর্থ নাসিরাবাদ শিল্প এলাকার ক্যানভাস গার্মেন্টস প্রাইভেট লিমিটেড (৯০ নম্বর) এবং গাজীপুরের ম্যাট্রিক্স সোয়েটার্স লিমিটেড (৮৮ নম্বর), যারা দু’জনেই মর্যাদাপূর্ণ ‘প্লাটিনাম’ সনদ অর্জন করেছে। গাজীপুরের কালিয়াকৈরের করিম টেক্সটাইলস লিমিটেড ৭৩ নম্বর পেয়ে ‘গোল্ড’ সনদ পেয়েছে এবং ঢাকার ধামরাইয়ের করিম টেক্স লিমিটেড ৫৩ নম্বর পেয়ে ‘সিলভার’ সনদ অর্জন করেছে।

শিল্প সংশ্লিষ্ট যারা মন্তব্য করেছেন তারা বলছেন, আজকের বৈশ্বিক বাজারে বড় ক্রেতাগণ শুধু সস্তা শ্রম নয়, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ও টেকসই প্রযুক্তিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। বিশেষ করে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বড় ব্র্যান্ডগুলো জ্বালানি দক্ষতা, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা—এসব মাপকাঠি হচ্ছে সরবরাহকারীদের জন্য অপরিহার্য শর্ত। গত এক দশকে বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা এই চাহিদা মেটাতে সবুজ প্রযুক্তি ও অবকাঠামোয় ব্যাপক বিনিয়োগ করেছেন।

খাতের উদ্যোক্তারা মনে করেন, এই আন্তর্জাতিকসবুজ স্বীকৃতি শুধু পরিবেশ রক্ষায় সহায়ক নয়, এটি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বিশ্বাসযোগ্যতাও বাড়ায়। পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও পানি সাশ্রয়ী ব্যবহারের ফলে উৎপাদন খরচ কমে এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টেকসই সুবিধা তৈরি হয়। এসব অর্জন ভবিষ্যতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করার পথ খুলে দেবে বলে খাতের লোকজন আশা প্রকাশ করেছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

আরও চারটি কারখানা পেল সবুজ সনদ, মোট সংখ্যা বেড়ে ২৯০

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের ধারাবাহিকতা আগের মতোই ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সবুজ ভবন (Green Building) সনদপ্রাপ্ত কারখানার মাঝে নতুন করে চারটি সংযোজন হওয়ায় এবার দেশটির সবুজ সনদপ্রাপ্ত তৈরি পোশাক কারখানার সংখ্যা দাঁড়ালো ২৯০-এ।

বিজিএমইএ সূত্রে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জানা গেছে, এই ২৯০টি কারখানার মধ্যে ১২৫টি ‘প্লাটিনাম’, ১৪৫টি ‘গোল্ড’ এবং বাকি কারখানাগুলো ‘সিলভার’ ও সাধারণ সার্টিফায়েড পর্যায়ে রয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, বিশ্বের সর্বোচ্চ নম্বরধারী শীর্ষ ১০০টি সবুজ কারখানার মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি—৫৩টি—এখন বাংলাদেশের।

এইবার নতুনভাবে সনদপ্রাপ্ত চারটি কারখানার মধ্যে আছে চট্টগ্রামের নর্থ নাসিরাবাদ শিল্প এলাকার ক্যানভাস গার্মেন্টস প্রাইভেট লিমিটেড (৯০ নম্বর) এবং গাজীপুরের ম্যাট্রিক্স সোয়েটার্স লিমিটেড (৮৮ নম্বর), যারা দু’জনেই মর্যাদাপূর্ণ ‘প্লাটিনাম’ সনদ অর্জন করেছে। গাজীপুরের কালিয়াকৈরের করিম টেক্সটাইলস লিমিটেড ৭৩ নম্বর পেয়ে ‘গোল্ড’ সনদ পেয়েছে এবং ঢাকার ধামরাইয়ের করিম টেক্স লিমিটেড ৫৩ নম্বর পেয়ে ‘সিলভার’ সনদ অর্জন করেছে।

শিল্প সংশ্লিষ্ট যারা মন্তব্য করেছেন তারা বলছেন, আজকের বৈশ্বিক বাজারে বড় ক্রেতাগণ শুধু সস্তা শ্রম নয়, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ও টেকসই প্রযুক্তিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। বিশেষ করে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বড় ব্র্যান্ডগুলো জ্বালানি দক্ষতা, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা—এসব মাপকাঠি হচ্ছে সরবরাহকারীদের জন্য অপরিহার্য শর্ত। গত এক দশকে বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা এই চাহিদা মেটাতে সবুজ প্রযুক্তি ও অবকাঠামোয় ব্যাপক বিনিয়োগ করেছেন।

খাতের উদ্যোক্তারা মনে করেন, এই আন্তর্জাতিকসবুজ স্বীকৃতি শুধু পরিবেশ রক্ষায় সহায়ক নয়, এটি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বিশ্বাসযোগ্যতাও বাড়ায়। পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও পানি সাশ্রয়ী ব্যবহারের ফলে উৎপাদন খরচ কমে এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টেকসই সুবিধা তৈরি হয়। এসব অর্জন ভবিষ্যতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করার পথ খুলে দেবে বলে খাতের লোকজন আশা প্রকাশ করেছেন।