০৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ

আইআরজিসি দাবি: বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা

বাহরাইনভিত্তিক মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে তারা ভয়াবহ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামলায় নৌঘাঁটির জ্বালানি সংরক্ষণাগার লক্ষ্য করা হলে সেখানে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয় এবং নৌবহরে ভাবুক ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে।

আইআরজিসি দাবি করেছে যে এই অভিযানে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাডার, এয়ার কন্ট্রোল রাডার এবং সি-র‍্যাম আগাম সতর্কীকরণ রাডার সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া ড্রোন বা মানববিহীন সারফেস ভেসেল নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি কেন্দ্রটিও হামলায় বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে বাহিনী।

বিবৃতিতে আইআরজিসি এটিকে ‘প্রতিশোধমূলক অভিযান’ বলে উল্লেখ করেছে এবং এ ধরনের অভিযান চলবে বলেও হুশিয়ারি প্রদান করেছে। তবে এই দাবিগুলোর স্বাধীনভাবে কোনো সূত্রে যাচাই এখনও সম্ভব হয়নি। ঘটনার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন এবং বাহরাইন সরকার কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া দেননি।

যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরটি মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে নৌসামরিক অপারেশন তদারকি করে থাকে; তাই এই ধরনের হামলার দাবি সত্য হলে তা কৌশলগতভাবে গুরুত্ব বহন করবে। তবু এখনকার পর্যায়ে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ, ক্ষয়ক্ষতির স্বতন্ত্র প্রমাণ বা তৃতীয় পক্ষের নিশ্চিতকরণ পাওয়া না যাওয়া পর্যন্ত ঘটনাকে ঘিরে অনিশ্চয়তা রয়েছে। সংবাদ আরও поступব হলে আপডেট দেওয়া হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

দলে ফিরেই আইসিসির জুনের মাসসেরা মনোনয়ন পেলেন মোসাদ্দেক

আইআরজিসি দাবি: বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

বাহরাইনভিত্তিক মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে তারা ভয়াবহ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামলায় নৌঘাঁটির জ্বালানি সংরক্ষণাগার লক্ষ্য করা হলে সেখানে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয় এবং নৌবহরে ভাবুক ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে।

আইআরজিসি দাবি করেছে যে এই অভিযানে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাডার, এয়ার কন্ট্রোল রাডার এবং সি-র‍্যাম আগাম সতর্কীকরণ রাডার সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া ড্রোন বা মানববিহীন সারফেস ভেসেল নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি কেন্দ্রটিও হামলায় বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে বাহিনী।

বিবৃতিতে আইআরজিসি এটিকে ‘প্রতিশোধমূলক অভিযান’ বলে উল্লেখ করেছে এবং এ ধরনের অভিযান চলবে বলেও হুশিয়ারি প্রদান করেছে। তবে এই দাবিগুলোর স্বাধীনভাবে কোনো সূত্রে যাচাই এখনও সম্ভব হয়নি। ঘটনার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন এবং বাহরাইন সরকার কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া দেননি।

যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরটি মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে নৌসামরিক অপারেশন তদারকি করে থাকে; তাই এই ধরনের হামলার দাবি সত্য হলে তা কৌশলগতভাবে গুরুত্ব বহন করবে। তবু এখনকার পর্যায়ে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ, ক্ষয়ক্ষতির স্বতন্ত্র প্রমাণ বা তৃতীয় পক্ষের নিশ্চিতকরণ পাওয়া না যাওয়া পর্যন্ত ঘটনাকে ঘিরে অনিশ্চয়তা রয়েছে। সংবাদ আরও поступব হলে আপডেট দেওয়া হবে।