০৮:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বড় মূলধনী কোম্পানির দাপটে পুঁজিবাজারে ঊর্ধ্বগতি

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার রাজধানীর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিমা ও বস্ত্র খাতের শেয়ারে ব্যাপক দরপতনের মধ্যেও প্রধান সূচক ইতিবাচক অবস্থায় বন্ধ হয়েছে। বড় মূলধনী ও মৌলিকভাবে শক্তিশালী কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা সূচককে সমর্থন করে দিনশেষে ঊর্ধ্বগতি নিশ্চিত করেছে। সপ্তাহের আগের তিনদিনের মতো চলতি সপ্তাহের চারদিনই উভয় কৌশলগত বাজারে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেখা গেছে।

লেনদেন শুরুর সময় ডিএসইতে বিধিবদ্ধ কয়েকটি বড় শেয়ারের দাম বাড়ায় সূচক এক পর্যায়ে প্রায় 55 পয়েন্ট পর্যন্ত ওঠে। তবে প্রথম ঘন্টার পরেই বিমা ও বস্ত্র খাতে ব্যাপক দরপতনের প্রভাবে বাজারে নেতিবাচক ছায়া পড়ে এবং অনেক মাঝারি ও ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানেও দরکم দেখা যায়। বিমা খাতে 44টি ও বস্ত্র খাতে 46টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে উল্লেখযোগ্য পতন হয়েছে।

তবুও বাজারের শীর্ষস্থানীয় ও বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর দাম বড় পরিমাণে লাথলে না পড়ায় সূচক দিনের শেষে ইতিবাচক অবস্থানেই স্থিতি পেয়েছে। দিনের শেষে ডিএসইতে 131টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে, 218টির দাম কমেছে এবং 51টির দর অপরিবর্তিত ছিল। বাছাই করা 30টি ভালো কোম্পানির মধ্যে 22টির দরের বাড়তি এই প্রবণতাকে সহায়তা করেছে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই রকম ধারা বজায় ছিল—বড় শেয়ারের ভিত্তিতে সূচক বেড়ে গেলেও লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচক CASPI 91 পয়েন্ট বেড়ে গেলেও লেনদেনের মূল্য গত দিনের তুলনায় কমে দাঁড়ায় 32 কোটি 17 লাখ টাকায়। সিএসইয়ে লেনদেন হওয়া 256টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে 101টির দাম বেড়েছে এবং 125টি প্রতিষ্ঠানের দাম কমেছে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি মানের অনেক শেয়ারে সংশোধন চললেও বড় মূলধনী ও মৌলভিত্তি দৃঢ় প্রতিষ্ঠানের প্রতি বিনিয়োগকারীদের ঝোঁকই সূচককে সমর্থন করছে। লেনদেনের পরিমাণ কম হওয়া ও খাতভিত্তিক ভিন্নতাগুলো বাজারকে উঠানামা করিয়ে তুলেছে—কিন্তু সামগ্রিকভাবে বড় কোম্পানির সন্তোষজনক পারফরম্যান্সই এই দিনে সূচককে ইতিবাচক রেখেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বড় মূলধনী কোম্পানির দাপটে পুঁজিবাজারে ঊর্ধ্বগতি

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার রাজধানীর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিমা ও বস্ত্র খাতের শেয়ারে ব্যাপক দরপতনের মধ্যেও প্রধান সূচক ইতিবাচক অবস্থায় বন্ধ হয়েছে। বড় মূলধনী ও মৌলিকভাবে শক্তিশালী কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা সূচককে সমর্থন করে দিনশেষে ঊর্ধ্বগতি নিশ্চিত করেছে। সপ্তাহের আগের তিনদিনের মতো চলতি সপ্তাহের চারদিনই উভয় কৌশলগত বাজারে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেখা গেছে।

লেনদেন শুরুর সময় ডিএসইতে বিধিবদ্ধ কয়েকটি বড় শেয়ারের দাম বাড়ায় সূচক এক পর্যায়ে প্রায় 55 পয়েন্ট পর্যন্ত ওঠে। তবে প্রথম ঘন্টার পরেই বিমা ও বস্ত্র খাতে ব্যাপক দরপতনের প্রভাবে বাজারে নেতিবাচক ছায়া পড়ে এবং অনেক মাঝারি ও ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানেও দরکم দেখা যায়। বিমা খাতে 44টি ও বস্ত্র খাতে 46টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে উল্লেখযোগ্য পতন হয়েছে।

তবুও বাজারের শীর্ষস্থানীয় ও বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর দাম বড় পরিমাণে লাথলে না পড়ায় সূচক দিনের শেষে ইতিবাচক অবস্থানেই স্থিতি পেয়েছে। দিনের শেষে ডিএসইতে 131টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে, 218টির দাম কমেছে এবং 51টির দর অপরিবর্তিত ছিল। বাছাই করা 30টি ভালো কোম্পানির মধ্যে 22টির দরের বাড়তি এই প্রবণতাকে সহায়তা করেছে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই রকম ধারা বজায় ছিল—বড় শেয়ারের ভিত্তিতে সূচক বেড়ে গেলেও লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচক CASPI 91 পয়েন্ট বেড়ে গেলেও লেনদেনের মূল্য গত দিনের তুলনায় কমে দাঁড়ায় 32 কোটি 17 লাখ টাকায়। সিএসইয়ে লেনদেন হওয়া 256টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে 101টির দাম বেড়েছে এবং 125টি প্রতিষ্ঠানের দাম কমেছে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি মানের অনেক শেয়ারে সংশোধন চললেও বড় মূলধনী ও মৌলভিত্তি দৃঢ় প্রতিষ্ঠানের প্রতি বিনিয়োগকারীদের ঝোঁকই সূচককে সমর্থন করছে। লেনদেনের পরিমাণ কম হওয়া ও খাতভিত্তিক ভিন্নতাগুলো বাজারকে উঠানামা করিয়ে তুলেছে—কিন্তু সামগ্রিকভাবে বড় কোম্পানির সন্তোষজনক পারফরম্যান্সই এই দিনে সূচককে ইতিবাচক রেখেছে।