১১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মিউচুয়াল ফান্ড ও ব্যাংকিং খাতের চাপেই পুঁজিবাজারে বড় উত্থান

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তার ফলে বাজারে বড় ধরনের ইতিবাচক রূপ দেখা গেছে। মিউচুয়াল ফান্ডের একক আধিপত্য ও ব্যাংকিং খাতের শক্তিশালী টার্নঅর বাজারকে চাঙ্গা করে তুলেছে; পাশাপাশি বিমা খাতের শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধিও উত্থানে ভূমিকা রেখেছে। দিনের শুরু থেকেই অধিকাংশ খাতের শেয়ারের দর বাড়তে থাকায় সূচক ও লেনদেন উভয়েই বড় বৃদ্ধি রেকর্ড করা হয়েছে। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের মূল্য বাড়ায় সূচক ও লেনদেনের পরিমাণে সহস্র ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে বলে গণমাধ্যম জানিয়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায় এদিন ডিএসইতে মোট ২৯৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, যেখানে ৫৮টির দর কমেছে এবং ৪১টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। মিউচুয়াল ফান্ড খাত বিশেষভাবে শক্তিশালী ছিল—৩২টি ফান্ডের দাম বাড়েছে, কোনো ফান্ডের দর নেমে যায়নি। ব্যাংকিং খাতে ২০টি ব্যাংকের শেয়ারের দাম বাড়ার বিপরীতে মাত্র ২টির দর কমেছে। বিমা খাতে ৪৬টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়লেও ৮টির দাম কমেছে।

বড় কোম্পানি বা ১০ শতাংশ ও তার বেশি লভ্যাংশ প্রদানের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৫৫টির শেয়ারের দাম বেড়েছে এবং ৩০টির দাম কমেছে। মাঝারি মানের ৬৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ‘জেড’ গ্রুপের ৭৪টি কোম্পানির শেয়ারের দামেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে, যদিও এ গ্রুপ লভ্যাংশ প্রদানে ব্যর্থ বলে পরিচিত।

সূচকগুলোর দিক থেকে ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৪১ পয়েন্ট বাড়ে ৫,৮৯৮ পয়েন্টে দাঁড়ায়। বাছাইকৃত ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১১ পয়েন্ট বেড়ে ২,২২০ পয়েন্টে এবং শরিয়াহ সূচক ৬ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ১,২০৩ পয়েন্টে পৌঁছায়।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক কাসপিআই এদিন ৬০ পয়েন্ট বেড়ে ব্যাপক উন্নতি দেখায়। সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৫৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৪৯টির দাম বেড়েছে এবং ৭৬টির দাম কমেছে। সিএসইতে এদিন মোট ১৯ কোটি ২ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে।

সার্বিকভাবে, মিউচুয়াল ফান্ড ও ব্যাংকিং খাতের প্রভাব, পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ায় দেশের শেয়ারবাজারে ইতিবাচক স্রোত বজায় থাকল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মিউচুয়াল ফান্ড ও ব্যাংকিং খাতের চাপেই পুঁজিবাজারে বড় উত্থান

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তার ফলে বাজারে বড় ধরনের ইতিবাচক রূপ দেখা গেছে। মিউচুয়াল ফান্ডের একক আধিপত্য ও ব্যাংকিং খাতের শক্তিশালী টার্নঅর বাজারকে চাঙ্গা করে তুলেছে; পাশাপাশি বিমা খাতের শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধিও উত্থানে ভূমিকা রেখেছে। দিনের শুরু থেকেই অধিকাংশ খাতের শেয়ারের দর বাড়তে থাকায় সূচক ও লেনদেন উভয়েই বড় বৃদ্ধি রেকর্ড করা হয়েছে। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের মূল্য বাড়ায় সূচক ও লেনদেনের পরিমাণে সহস্র ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে বলে গণমাধ্যম জানিয়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায় এদিন ডিএসইতে মোট ২৯৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, যেখানে ৫৮টির দর কমেছে এবং ৪১টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। মিউচুয়াল ফান্ড খাত বিশেষভাবে শক্তিশালী ছিল—৩২টি ফান্ডের দাম বাড়েছে, কোনো ফান্ডের দর নেমে যায়নি। ব্যাংকিং খাতে ২০টি ব্যাংকের শেয়ারের দাম বাড়ার বিপরীতে মাত্র ২টির দর কমেছে। বিমা খাতে ৪৬টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়লেও ৮টির দাম কমেছে।

বড় কোম্পানি বা ১০ শতাংশ ও তার বেশি লভ্যাংশ প্রদানের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৫৫টির শেয়ারের দাম বেড়েছে এবং ৩০টির দাম কমেছে। মাঝারি মানের ৬৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ‘জেড’ গ্রুপের ৭৪টি কোম্পানির শেয়ারের দামেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে, যদিও এ গ্রুপ লভ্যাংশ প্রদানে ব্যর্থ বলে পরিচিত।

সূচকগুলোর দিক থেকে ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৪১ পয়েন্ট বাড়ে ৫,৮৯৮ পয়েন্টে দাঁড়ায়। বাছাইকৃত ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১১ পয়েন্ট বেড়ে ২,২২০ পয়েন্টে এবং শরিয়াহ সূচক ৬ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ১,২০৩ পয়েন্টে পৌঁছায়।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক কাসপিআই এদিন ৬০ পয়েন্ট বেড়ে ব্যাপক উন্নতি দেখায়। সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৫৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৪৯টির দাম বেড়েছে এবং ৭৬টির দাম কমেছে। সিএসইতে এদিন মোট ১৯ কোটি ২ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে।

সার্বিকভাবে, মিউচুয়াল ফান্ড ও ব্যাংকিং খাতের প্রভাব, পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ায় দেশের শেয়ারবাজারে ইতিবাচক স্রোত বজায় থাকল।