০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

গত ১১ বছরে দেশের সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৮৬ হাজারের বেশি মানুষ

গত এক দশকের বেশি সময়ে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা, যানজট এবং দূষণের কারণে দেশের অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও সামাজিক কাঠামো মারাত্মক ঝুঁকির মুখে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী জানান, গত ১১ বছরে দেশে সাধারণ সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬২,৬১৯টি, যেখানে নিহত হয়েছে ৮৬,৬৯০ জন। এই দুর্ঘটনাগুলোর কারণে আহত হয়েছে প্রায় ১৫৩,২৫৭ জন মানুষ। শুধু ঢাকায় প্রতিদিন যানজটের কারণে নষ্ট হয় ৩২ লাখ কর্মঘণ্টা, যার অর্থনৈতিক মূল্যায়নে বার্ষিক ক্ষতি প্রায় ৯৮ হাজার কোটি টাকা। জ্বালানি অপচয় হয় ছয় লাখ কোটি টাকা, আর এই যানজটের সামাজিক প্রভাব অত্যন্ত গুরুতর, যার কারণে সংসার ভাঙার ঝুঁকি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গেছে।

সমিতির সভাপতি শরিফ রফিকুজ্জামান বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে টেকসই বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া না হওয়ায় এই পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে উঠছে। দেশের অধিকাংশ চালকের লাইসেন্স নেই বলে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলো সোজা করে সড়ক সংস্কার করা উচিত, যাতে দুর্ঘটনা কমে। তিনি আরও জানান, বাসভাড়ার সাথে যাত্রীদের কাছ থেকে ইন্স্যুরেন্সের জন্য টাকা নেওয়া হয়, কিন্তু দুর্ঘটনায় আহত যাত্রীরা কখনোই এই সুবিধা পান না। এই বিষয়ে সাধারণ যাত্রীদের সচেতনতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

গণঅধিকার দলের মুখপাত্র ফারুক খান বলেন, তারা চান, যাত্রী কল্যাণ সমিতি আরও শক্তিশালী হয়ে সকল সিদ্ধান্তে অংশগ্রহণ করবে, যাতে সাধারণ মানুষের দাবি দ্রুত বাস্তবায়িত হয়। তিনি বলেন, এই সংগঠন সাধারণ মানুষের অধিকার সুরক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে এবং কোনো দল বা সরকারের বিরুদ্ধে নয়, বরং জনগণের পক্ষে দাঁড়াচ্ছে। এছাড়া আলোচনা সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং সামাজিক আন্দোলনের নেতারা বক্তব্য দেন, যারা সবসময় এই সমস্যা সমাধানে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

গত ১১ বছরে দেশের সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৮৬ হাজারের বেশি মানুষ

প্রকাশিতঃ ১০:৪৭:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গত এক দশকের বেশি সময়ে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা, যানজট এবং দূষণের কারণে দেশের অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও সামাজিক কাঠামো মারাত্মক ঝুঁকির মুখে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী জানান, গত ১১ বছরে দেশে সাধারণ সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬২,৬১৯টি, যেখানে নিহত হয়েছে ৮৬,৬৯০ জন। এই দুর্ঘটনাগুলোর কারণে আহত হয়েছে প্রায় ১৫৩,২৫৭ জন মানুষ। শুধু ঢাকায় প্রতিদিন যানজটের কারণে নষ্ট হয় ৩২ লাখ কর্মঘণ্টা, যার অর্থনৈতিক মূল্যায়নে বার্ষিক ক্ষতি প্রায় ৯৮ হাজার কোটি টাকা। জ্বালানি অপচয় হয় ছয় লাখ কোটি টাকা, আর এই যানজটের সামাজিক প্রভাব অত্যন্ত গুরুতর, যার কারণে সংসার ভাঙার ঝুঁকি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গেছে।

সমিতির সভাপতি শরিফ রফিকুজ্জামান বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে টেকসই বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া না হওয়ায় এই পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে উঠছে। দেশের অধিকাংশ চালকের লাইসেন্স নেই বলে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলো সোজা করে সড়ক সংস্কার করা উচিত, যাতে দুর্ঘটনা কমে। তিনি আরও জানান, বাসভাড়ার সাথে যাত্রীদের কাছ থেকে ইন্স্যুরেন্সের জন্য টাকা নেওয়া হয়, কিন্তু দুর্ঘটনায় আহত যাত্রীরা কখনোই এই সুবিধা পান না। এই বিষয়ে সাধারণ যাত্রীদের সচেতনতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

গণঅধিকার দলের মুখপাত্র ফারুক খান বলেন, তারা চান, যাত্রী কল্যাণ সমিতি আরও শক্তিশালী হয়ে সকল সিদ্ধান্তে অংশগ্রহণ করবে, যাতে সাধারণ মানুষের দাবি দ্রুত বাস্তবায়িত হয়। তিনি বলেন, এই সংগঠন সাধারণ মানুষের অধিকার সুরক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে এবং কোনো দল বা সরকারের বিরুদ্ধে নয়, বরং জনগণের পক্ষে দাঁড়াচ্ছে। এছাড়া আলোচনা সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং সামাজিক আন্দোলনের নেতারা বক্তব্য দেন, যারা সবসময় এই সমস্যা সমাধানে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।