০৯:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
আন্তর্জাতিকভাবে দাবি জানানোয় বন্দিদের মুক্তি ঘোষণা বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর দোয়ার আবেদন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আমারও: তারেক রহমান মৌসুমি সবজি বাজারে ভরপুর, দাম কমে গেছে উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া ও মোনাজাত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য ভর্তুকির দাবি আরব আমিরাতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ২৪ ব্যক্তির মুক্তি আসছে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা মনের আকাঙ্ক্ষা ও রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে দ্বন্দ্ব: তারেক রহমানের মন্তব্য বাজারে মৌসুমি সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম কমে যাচ্ছে

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য ভর্তুকির দাবি

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, দেশের সামগ্রিক পুষ্টিচিত্র নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় গড় হিসাবের ওপর নির্ভরতা একটি বিপজ্জনক প্রবণতা। ধনী মানুষদের আয় দিয়ে গরীব মানুষদের বিচার করা সঙ্গত নয়। কৃষিতে আমরা ভর্তুকির কথা শুনলেও, মূলত কৃষির উপখাতে হলেও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত আজও কোন ভর্তুকি পায় না। এই খাতের উন্নয়নের জন্য দ্রুত ভর্তুকির প্রয়োজন রয়েছে।

আজ সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরাম (বিএজেএফ) আয়োজিত চার দিনব্যাপী ‘কৃষি ও খাদ্যে রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও কর্মশালার দ্বিতীয় দিনে তিনি এসব কথা বলেন। এই দিনে মূল আলোচ্য বিষয় ছিল ‘জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ: পুষ্টি নিরাপত্তায় প্রাণি ও মাছের অবদান’।

বিএজেএফ সাধারণ সম্পাদক আবু খালিদির পরিচালনায় সভাপতি ছিলেন বিএজেএফের সভাপতি সাহানোয়ার সাইদ শাহীনের সভাপতিত্বে।

ফরিদা আখতার আরও বলেন, উচ্চশ্রেণির মানুষের গড় ভোগক্ষমতা অনুযায়ী দেশের প্রকৃত খাদ্য ও পুষ্টির চিত্রটা দেখা যায় না। এর ফলে দরিদ্র মানুষের প্রকৃত খাদ্যাভ্যাস ও পুষ্টি চাহিদা অজানাই থেকে যায়, যা নীতিনির্ধারণে ভুল ধারণা সৃষ্টি করে। দেশীয় প্রাণিসম্পদ শুধু উৎপাদনশীলতার জন্য নয়, গ্রামীণ খাদ্যচাহিদা পূরণ, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নারী একান্তে কর্মসংস্থান ও কৃষির ঐতিহ্য ধরে রাখতেও খুব গুরুত্বপূর্ণ।

উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, বর্তমানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতা শিল্প হিসেবে দেখা হলেও, বাস্তবে এর ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ উৎপাদন এখনো গ্রামীণ সাধারণ মানুষের কাছেই। শিল্পায়ন জরুরি হলেও, দেশীয় প্রজাতির মূল বৈশিষ্ট্য রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। বিশেষ করে সংকর জাত তৈরির সময় আমাদের দেশীয় জাতের বৈশিষ্ট্য যেন হারিয়ে না যায়, সে বিষয়ে তিনি সতর্ক থাকানোর পরামর্শ দেন।

পুষ্টিহীনতা নিয়ে তিনি বলেন, ‘জিরো হাঙ্গার’ শুধুমাত্র পেটভরসম্পন্ন খাওয়া নয় বরং পুষ্টিমান নিশ্চিত করাও জরুরি। আমাদের দেশের গড়ে বছরে প্রতি ব্যক্তি ১৩৭টি ডিম খাওয়ার কথা বলা হয়, কিন্তু এই গড়ের মধ্যে ধনী-গরিবের মধ্যে খাদ্যাভ্যাসের বৈষম্য বেশ প্রকট। ফলে দরিদ্রদের প্রকৃত ভোগ্যচিত্র বা খাদ্যচাহিদা অজানাই থেকে যায়।

তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ খাদ্যব্যবস্থার বৈচিত্র্য রক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় উৎপাদনকারী জেলার মানুষও তাদের নিজ এলাকার দেশীয় মাছ খেতে পারেন না। উদাহরণ হিসেবে সুনামগঞ্জের কথা উল্লেখ করেন, যেখানে স্থানীয় মাছের স্বাদ খুবই উৎকৃষ্ট হলেও এখন অনেকের জন্য একুয়াকালচারের পাঙ্গাস খাওয়া সাধারণ হয়ে গেছে। এই ধরনের বাস্তবতা সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন।

একই সঙ্গে, তিনি একুয়াকালচারের ঝুঁকি নিয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে বলেন। অনিয়ন্ত্রিত ফিড ও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের কারণে ভবিষ্যতে মারাত্মক অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স সৃষ্টি হতে পারে যা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই এই বিষয়গুলো এখনই নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।

ফরিদা আখতার বলেন, দেশের দেশীয় মাছ, মাংস ও প্রাণিসম্পদ নিঃসন্দেহে অমূল্য সম্পদ, যেগুলো রক্ষা এখন সময়ের দাবি। বহু দেশের প্রাণিসম্পদ বিলুপ্ত হয়ে গেলেও, আমাদের দেশের অনেকগুলো প্রাণিসম্পদ আজও টিকে আছে।

স্বাগত বক্তব্যে সাহানোয়ার সাইদ শাহীন বলেন, বিএজেএফ থেকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বেশ কিছু পলিসি ও নীতিগত অঙ্গীকার আমাদের প্রত্যাশা। যেমন—নদীর মাছের দখল ফিরিয়ে আনা, অপ্রয়োজনীয় বালাইনাশক ব্যবহার কমানো, চাষের মাছের গুণমান রক্ষা, খামারীদের স্বার্থসুরক্ষার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ।

বৈশিষ্ট্যপুর্ণ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুর রউফ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও মানুষের কারণেই নদীর মাছ কমে গেছে। আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে মাছের চাষের জন্য কীটনাশকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের নির্দেশনা দিচ্ছি। নিরাপদ মাছ উৎপাদনই আমাদের মূল লক্ষ্য।

পুষ্টি বিষয়ে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ সাজেদুল করিম জানান, জেনেটিক উন্নয়ন, ফডার প্রযুক্তি ও আধুনিক গবেষণার মাধ্যমে দেশের দুধ, ডিম ও মাংসের উৎপাদন অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দেশের পুষ্টির চাহিদা পূরণে সক্ষম।

অতিরিক্ত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ লাইভস্টক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ও লাল তীর লাইভস্টকের নির্বাহী পরিচালক ড. কাজী ইমদাদুল হক, এসিআই এগ্রিবিজনেসেসের গ্রুপ উপদেষ্টা ড. ফা হ আনসারী, এবং আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন চৌধুরী। সম্মেলনে ব্লু ইকোনমি বিষয়ক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মৎস্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জিয়া হায়দার চৌধুরী।

আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন বিশেষজ্ঞ, বিজ্ঞানী, অর্থনীতিবিদ, শিল্প উদ্যোক্তা, করপোরেট ব্যক্তিত্ব, কৃষিবিদ, গবেষক ও সংশ্লিষ্ট বিষের অঙ্গীকারবদ্ধ প্রতিনিধিরা, যারা বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য নীতি ও বিকল্প পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য একীভূত হলে কাজ করবেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য ভর্তুকির দাবি

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, দেশের সামগ্রিক পুষ্টিচিত্র নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় গড় হিসাবের ওপর নির্ভরতা একটি বিপজ্জনক প্রবণতা। ধনী মানুষদের আয় দিয়ে গরীব মানুষদের বিচার করা সঙ্গত নয়। কৃষিতে আমরা ভর্তুকির কথা শুনলেও, মূলত কৃষির উপখাতে হলেও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত আজও কোন ভর্তুকি পায় না। এই খাতের উন্নয়নের জন্য দ্রুত ভর্তুকির প্রয়োজন রয়েছে।

আজ সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরাম (বিএজেএফ) আয়োজিত চার দিনব্যাপী ‘কৃষি ও খাদ্যে রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও কর্মশালার দ্বিতীয় দিনে তিনি এসব কথা বলেন। এই দিনে মূল আলোচ্য বিষয় ছিল ‘জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ: পুষ্টি নিরাপত্তায় প্রাণি ও মাছের অবদান’।

বিএজেএফ সাধারণ সম্পাদক আবু খালিদির পরিচালনায় সভাপতি ছিলেন বিএজেএফের সভাপতি সাহানোয়ার সাইদ শাহীনের সভাপতিত্বে।

ফরিদা আখতার আরও বলেন, উচ্চশ্রেণির মানুষের গড় ভোগক্ষমতা অনুযায়ী দেশের প্রকৃত খাদ্য ও পুষ্টির চিত্রটা দেখা যায় না। এর ফলে দরিদ্র মানুষের প্রকৃত খাদ্যাভ্যাস ও পুষ্টি চাহিদা অজানাই থেকে যায়, যা নীতিনির্ধারণে ভুল ধারণা সৃষ্টি করে। দেশীয় প্রাণিসম্পদ শুধু উৎপাদনশীলতার জন্য নয়, গ্রামীণ খাদ্যচাহিদা পূরণ, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নারী একান্তে কর্মসংস্থান ও কৃষির ঐতিহ্য ধরে রাখতেও খুব গুরুত্বপূর্ণ।

উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, বর্তমানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতা শিল্প হিসেবে দেখা হলেও, বাস্তবে এর ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ উৎপাদন এখনো গ্রামীণ সাধারণ মানুষের কাছেই। শিল্পায়ন জরুরি হলেও, দেশীয় প্রজাতির মূল বৈশিষ্ট্য রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। বিশেষ করে সংকর জাত তৈরির সময় আমাদের দেশীয় জাতের বৈশিষ্ট্য যেন হারিয়ে না যায়, সে বিষয়ে তিনি সতর্ক থাকানোর পরামর্শ দেন।

পুষ্টিহীনতা নিয়ে তিনি বলেন, ‘জিরো হাঙ্গার’ শুধুমাত্র পেটভরসম্পন্ন খাওয়া নয় বরং পুষ্টিমান নিশ্চিত করাও জরুরি। আমাদের দেশের গড়ে বছরে প্রতি ব্যক্তি ১৩৭টি ডিম খাওয়ার কথা বলা হয়, কিন্তু এই গড়ের মধ্যে ধনী-গরিবের মধ্যে খাদ্যাভ্যাসের বৈষম্য বেশ প্রকট। ফলে দরিদ্রদের প্রকৃত ভোগ্যচিত্র বা খাদ্যচাহিদা অজানাই থেকে যায়।

তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ খাদ্যব্যবস্থার বৈচিত্র্য রক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় উৎপাদনকারী জেলার মানুষও তাদের নিজ এলাকার দেশীয় মাছ খেতে পারেন না। উদাহরণ হিসেবে সুনামগঞ্জের কথা উল্লেখ করেন, যেখানে স্থানীয় মাছের স্বাদ খুবই উৎকৃষ্ট হলেও এখন অনেকের জন্য একুয়াকালচারের পাঙ্গাস খাওয়া সাধারণ হয়ে গেছে। এই ধরনের বাস্তবতা সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন।

একই সঙ্গে, তিনি একুয়াকালচারের ঝুঁকি নিয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে বলেন। অনিয়ন্ত্রিত ফিড ও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের কারণে ভবিষ্যতে মারাত্মক অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স সৃষ্টি হতে পারে যা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই এই বিষয়গুলো এখনই নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।

ফরিদা আখতার বলেন, দেশের দেশীয় মাছ, মাংস ও প্রাণিসম্পদ নিঃসন্দেহে অমূল্য সম্পদ, যেগুলো রক্ষা এখন সময়ের দাবি। বহু দেশের প্রাণিসম্পদ বিলুপ্ত হয়ে গেলেও, আমাদের দেশের অনেকগুলো প্রাণিসম্পদ আজও টিকে আছে।

স্বাগত বক্তব্যে সাহানোয়ার সাইদ শাহীন বলেন, বিএজেএফ থেকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বেশ কিছু পলিসি ও নীতিগত অঙ্গীকার আমাদের প্রত্যাশা। যেমন—নদীর মাছের দখল ফিরিয়ে আনা, অপ্রয়োজনীয় বালাইনাশক ব্যবহার কমানো, চাষের মাছের গুণমান রক্ষা, খামারীদের স্বার্থসুরক্ষার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ।

বৈশিষ্ট্যপুর্ণ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুর রউফ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও মানুষের কারণেই নদীর মাছ কমে গেছে। আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে মাছের চাষের জন্য কীটনাশকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের নির্দেশনা দিচ্ছি। নিরাপদ মাছ উৎপাদনই আমাদের মূল লক্ষ্য।

পুষ্টি বিষয়ে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ সাজেদুল করিম জানান, জেনেটিক উন্নয়ন, ফডার প্রযুক্তি ও আধুনিক গবেষণার মাধ্যমে দেশের দুধ, ডিম ও মাংসের উৎপাদন অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দেশের পুষ্টির চাহিদা পূরণে সক্ষম।

অতিরিক্ত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ লাইভস্টক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ও লাল তীর লাইভস্টকের নির্বাহী পরিচালক ড. কাজী ইমদাদুল হক, এসিআই এগ্রিবিজনেসেসের গ্রুপ উপদেষ্টা ড. ফা হ আনসারী, এবং আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন চৌধুরী। সম্মেলনে ব্লু ইকোনমি বিষয়ক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মৎস্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জিয়া হায়দার চৌধুরী।

আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন বিশেষজ্ঞ, বিজ্ঞানী, অর্থনীতিবিদ, শিল্প উদ্যোক্তা, করপোরেট ব্যক্তিত্ব, কৃষিবিদ, গবেষক ও সংশ্লিষ্ট বিষের অঙ্গীকারবদ্ধ প্রতিনিধিরা, যারা বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য নীতি ও বিকল্প পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য একীভূত হলে কাজ করবেন।