০১:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

বাজারে মৌসুমি সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম কমে যাচ্ছে

বর্তমানে দেশের বাজারে শীতের প্রভাবের কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে, মৌসুমি সবজির ব্যাপক উপস্থিতি ও সরবরাহের বৃদ্ধির ফলে দামও কমে আসছে। বিভিন্ন শীতকালীন সবজির মধ্যে ফুলকপি, শিম, লাউ, টমেটো ইত্যাদি এখন সাধারণত নিম্নদরে বিক্রি হচ্ছে। গত তিন বছরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যেমন যশোর, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, খুলনা ও রাজশাহীতে এই সবজির উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে—ফুলকপির উৎপাদন ১৪ শতাংশ এবং বাঁধাকপির প্রায় ৪ শতাংশ। তবে, মৌসুমের শুরুতে এই সবজির দাম কিছুটা বেশি থাকতেই পারে কারণ প্রথম আসা ফসলগুলো সাধারণত আকারে ছোট হয় এবং সরবরাহ কম থাকে। তবে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, এই বছরও ভালো ফলন ও দাম পাবেন। ঢাকায় মূল বাজারগুলোতে, যেমন কারওয়ান বাজার, নিউমার্কেট ও বনলতা বাজারে, সরবরাহ ও দাম পরিস্থিতি স্বাভাবিকভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে। শীতকালীন ফুলকপি ও বাঁধাকপি এখন প্রতি পিস ২৫ থেকে ৩৫ টাকায় কিনে পরে পাইকারি দামে ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি করছে ব্যবসায়ীরা। স্থানীয় কৃষকরা সরাসরি এসব সবজি বিক্রি করছেন বলে জানান, যশোরের কৃষক আবদুস সাত্তার এ বছর সাড়ে পাঁচ বিঘা জমিতে বাঁধাকপির চাষ করেছেন। আপাতত কিছু মৌসুমী বাঁধাকপি বিক্রি করে লাভের আশা করছেন। অন্যদিকে, বাজারে গড় দাম বেড়েছে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি বাজারে কেজিপ্রতি ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের সপ্তাহে ছিল ১৭০ টাকা। সোনালি মুরগির দাম ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকা, দেশি মুরগি ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩২০ টাকা। বিক্রেতারা ব্যাখ্যা করছেন, ফিডের দাম ও খামারের অন্যান্য খরচ বেড়ে যাওয়ায় এই দাম বৃদ্ধির ধারা। একজন বিক্রেতা বলেন, “গত এক সপ্তাহে ফিডের দাম অনেক বেড়েছে, তাই বাজারে দামও উঠেছে।” মাছের বাজারেও এখন ইলিশের সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে, যদিও জ্বালানি ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দাম কমছে না। মাঝারি আকারের ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০০ টাকায়, বড় আকারের ইলিশের দরে কেজি ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকায় উঠেছে। অন্যান্য মাছ যেমন রুই, কাতল, ও মৃগেলও মানভেদে ৩০০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবমিলিয়ে, এই পরিস্থিতিতে বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম কমে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বেশ ইতিবাচক খবর।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

বাজারে মৌসুমি সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম কমে যাচ্ছে

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

বর্তমানে দেশের বাজারে শীতের প্রভাবের কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে, মৌসুমি সবজির ব্যাপক উপস্থিতি ও সরবরাহের বৃদ্ধির ফলে দামও কমে আসছে। বিভিন্ন শীতকালীন সবজির মধ্যে ফুলকপি, শিম, লাউ, টমেটো ইত্যাদি এখন সাধারণত নিম্নদরে বিক্রি হচ্ছে। গত তিন বছরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যেমন যশোর, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, খুলনা ও রাজশাহীতে এই সবজির উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে—ফুলকপির উৎপাদন ১৪ শতাংশ এবং বাঁধাকপির প্রায় ৪ শতাংশ। তবে, মৌসুমের শুরুতে এই সবজির দাম কিছুটা বেশি থাকতেই পারে কারণ প্রথম আসা ফসলগুলো সাধারণত আকারে ছোট হয় এবং সরবরাহ কম থাকে। তবে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, এই বছরও ভালো ফলন ও দাম পাবেন। ঢাকায় মূল বাজারগুলোতে, যেমন কারওয়ান বাজার, নিউমার্কেট ও বনলতা বাজারে, সরবরাহ ও দাম পরিস্থিতি স্বাভাবিকভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে। শীতকালীন ফুলকপি ও বাঁধাকপি এখন প্রতি পিস ২৫ থেকে ৩৫ টাকায় কিনে পরে পাইকারি দামে ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি করছে ব্যবসায়ীরা। স্থানীয় কৃষকরা সরাসরি এসব সবজি বিক্রি করছেন বলে জানান, যশোরের কৃষক আবদুস সাত্তার এ বছর সাড়ে পাঁচ বিঘা জমিতে বাঁধাকপির চাষ করেছেন। আপাতত কিছু মৌসুমী বাঁধাকপি বিক্রি করে লাভের আশা করছেন। অন্যদিকে, বাজারে গড় দাম বেড়েছে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি বাজারে কেজিপ্রতি ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের সপ্তাহে ছিল ১৭০ টাকা। সোনালি মুরগির দাম ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকা, দেশি মুরগি ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩২০ টাকা। বিক্রেতারা ব্যাখ্যা করছেন, ফিডের দাম ও খামারের অন্যান্য খরচ বেড়ে যাওয়ায় এই দাম বৃদ্ধির ধারা। একজন বিক্রেতা বলেন, “গত এক সপ্তাহে ফিডের দাম অনেক বেড়েছে, তাই বাজারে দামও উঠেছে।” মাছের বাজারেও এখন ইলিশের সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে, যদিও জ্বালানি ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দাম কমছে না। মাঝারি আকারের ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০০ টাকায়, বড় আকারের ইলিশের দরে কেজি ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকায় উঠেছে। অন্যান্য মাছ যেমন রুই, কাতল, ও মৃগেলও মানভেদে ৩০০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবমিলিয়ে, এই পরিস্থিতিতে বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম কমে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বেশ ইতিবাচক খবর।