১০:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বাজারে মৌসুমি সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম কমে যাচ্ছে

বর্তমানে দেশের বাজারে শীতের প্রভাবের কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে, মৌসুমি সবজির ব্যাপক উপস্থিতি ও সরবরাহের বৃদ্ধির ফলে দামও কমে আসছে। বিভিন্ন শীতকালীন সবজির মধ্যে ফুলকপি, শিম, লাউ, টমেটো ইত্যাদি এখন সাধারণত নিম্নদরে বিক্রি হচ্ছে। গত তিন বছরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যেমন যশোর, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, খুলনা ও রাজশাহীতে এই সবজির উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে—ফুলকপির উৎপাদন ১৪ শতাংশ এবং বাঁধাকপির প্রায় ৪ শতাংশ। তবে, মৌসুমের শুরুতে এই সবজির দাম কিছুটা বেশি থাকতেই পারে কারণ প্রথম আসা ফসলগুলো সাধারণত আকারে ছোট হয় এবং সরবরাহ কম থাকে। তবে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, এই বছরও ভালো ফলন ও দাম পাবেন। ঢাকায় মূল বাজারগুলোতে, যেমন কারওয়ান বাজার, নিউমার্কেট ও বনলতা বাজারে, সরবরাহ ও দাম পরিস্থিতি স্বাভাবিকভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে। শীতকালীন ফুলকপি ও বাঁধাকপি এখন প্রতি পিস ২৫ থেকে ৩৫ টাকায় কিনে পরে পাইকারি দামে ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি করছে ব্যবসায়ীরা। স্থানীয় কৃষকরা সরাসরি এসব সবজি বিক্রি করছেন বলে জানান, যশোরের কৃষক আবদুস সাত্তার এ বছর সাড়ে পাঁচ বিঘা জমিতে বাঁধাকপির চাষ করেছেন। আপাতত কিছু মৌসুমী বাঁধাকপি বিক্রি করে লাভের আশা করছেন। অন্যদিকে, বাজারে গড় দাম বেড়েছে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি বাজারে কেজিপ্রতি ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের সপ্তাহে ছিল ১৭০ টাকা। সোনালি মুরগির দাম ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকা, দেশি মুরগি ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩২০ টাকা। বিক্রেতারা ব্যাখ্যা করছেন, ফিডের দাম ও খামারের অন্যান্য খরচ বেড়ে যাওয়ায় এই দাম বৃদ্ধির ধারা। একজন বিক্রেতা বলেন, “গত এক সপ্তাহে ফিডের দাম অনেক বেড়েছে, তাই বাজারে দামও উঠেছে।” মাছের বাজারেও এখন ইলিশের সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে, যদিও জ্বালানি ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দাম কমছে না। মাঝারি আকারের ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০০ টাকায়, বড় আকারের ইলিশের দরে কেজি ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকায় উঠেছে। অন্যান্য মাছ যেমন রুই, কাতল, ও মৃগেলও মানভেদে ৩০০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবমিলিয়ে, এই পরিস্থিতিতে বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম কমে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বেশ ইতিবাচক খবর।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বাজারে মৌসুমি সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম কমে যাচ্ছে

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

বর্তমানে দেশের বাজারে শীতের প্রভাবের কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে, মৌসুমি সবজির ব্যাপক উপস্থিতি ও সরবরাহের বৃদ্ধির ফলে দামও কমে আসছে। বিভিন্ন শীতকালীন সবজির মধ্যে ফুলকপি, শিম, লাউ, টমেটো ইত্যাদি এখন সাধারণত নিম্নদরে বিক্রি হচ্ছে। গত তিন বছরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যেমন যশোর, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, খুলনা ও রাজশাহীতে এই সবজির উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে—ফুলকপির উৎপাদন ১৪ শতাংশ এবং বাঁধাকপির প্রায় ৪ শতাংশ। তবে, মৌসুমের শুরুতে এই সবজির দাম কিছুটা বেশি থাকতেই পারে কারণ প্রথম আসা ফসলগুলো সাধারণত আকারে ছোট হয় এবং সরবরাহ কম থাকে। তবে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, এই বছরও ভালো ফলন ও দাম পাবেন। ঢাকায় মূল বাজারগুলোতে, যেমন কারওয়ান বাজার, নিউমার্কেট ও বনলতা বাজারে, সরবরাহ ও দাম পরিস্থিতি স্বাভাবিকভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে। শীতকালীন ফুলকপি ও বাঁধাকপি এখন প্রতি পিস ২৫ থেকে ৩৫ টাকায় কিনে পরে পাইকারি দামে ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি করছে ব্যবসায়ীরা। স্থানীয় কৃষকরা সরাসরি এসব সবজি বিক্রি করছেন বলে জানান, যশোরের কৃষক আবদুস সাত্তার এ বছর সাড়ে পাঁচ বিঘা জমিতে বাঁধাকপির চাষ করেছেন। আপাতত কিছু মৌসুমী বাঁধাকপি বিক্রি করে লাভের আশা করছেন। অন্যদিকে, বাজারে গড় দাম বেড়েছে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি বাজারে কেজিপ্রতি ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের সপ্তাহে ছিল ১৭০ টাকা। সোনালি মুরগির দাম ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকা, দেশি মুরগি ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩২০ টাকা। বিক্রেতারা ব্যাখ্যা করছেন, ফিডের দাম ও খামারের অন্যান্য খরচ বেড়ে যাওয়ায় এই দাম বৃদ্ধির ধারা। একজন বিক্রেতা বলেন, “গত এক সপ্তাহে ফিডের দাম অনেক বেড়েছে, তাই বাজারে দামও উঠেছে।” মাছের বাজারেও এখন ইলিশের সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে, যদিও জ্বালানি ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দাম কমছে না। মাঝারি আকারের ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০০ টাকায়, বড় আকারের ইলিশের দরে কেজি ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকায় উঠেছে। অন্যান্য মাছ যেমন রুই, কাতল, ও মৃগেলও মানভেদে ৩০০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবমিলিয়ে, এই পরিস্থিতিতে বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম কমে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বেশ ইতিবাচক খবর।