০৮:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সাত কলেজের অবরোধে ঢাবির বাসে হামলা, সাংবাদিকসহ ৭ আহত হিট অফিসার বুশরা আফরিনের দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ ৭ কলেজের অবরোধ প্রত্যাহার, নবম দিনের কর্মসূচি ঘোষণা বিসিবি পরিচালককে দায়িত্বহীন মন্তব্যের কড়া সমালোচনা ক্রীড়া উপদেষ্টার সৌদি আরবে রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে স্বরাষ্ট্র উপদষ্টের সাথে রাষ্ট্রদূতের বৈঠক বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে

২০ বছর পর বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জে.সি. বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে

বিশ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের (জেএসি) নবম বৈঠক। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক আগামী ২৭ অক্টোবর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী আহাদ খান চিমা ঢাকায় পৌঁছেছেন।

বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, অন্যদিকে পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী আহাদ খান চিমা থাকবেন প্রধান আলোচক। এই বৈঠকে দুই দেশ দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য সহযোগিতা, বিনিয়োগ ও বিভিন্ন খাতে উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে আলোচনা হবে।

আফরাছ সফরকালে শেখ বশিরউদ্দীনের কাছ থেকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বিষয়ে আলাপ করার পাশাপাশি তিনি অন্যান্য বৈঠকেও অংশ নেবেন। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, এই সফরে দুই দেশের মধ্যে অর্থনীতি ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সৌজন্য সাক্ষাৎ ও আলোচনা হবে।

প্রাক্তন শেষ বৈঠকটি ২০০৫ সালে ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে, এই বৈঠকের সময় পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী আহাদ খান চিমা পাকিস্তানে ফেরার আগে ইসলামাবাদে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবেন। পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী জাম কামাল খানের আমন্ত্রণে তাঁরা এ সফরে অংশ নিবেন।

গত বছরের আগস্টে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর থেকে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে নানা উদ্যোগ ও আলোচনা চলছে। এই আলোচনাগুলোর অংশ হিসেবে, এবারের জেএসি বৈঠকে সরাসরি অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হবে। বিশেষ করে, ব্যবসা ও বাণিজ্য বৃদ্ধি, কৃষিতে সহযোগিতা, অর্থনৈতিক সেবা, ব্যাংকিংসহ অন্যান্য খাতের উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

একজন কর্মকর্তার মতে, বৈঠকে বাংলাদেশের শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধাগুলোর মাধ্যমে চা, পাটজাত পণ্য, মেডিসিন, তৈরি পোশাক, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ইত্যাদি বেশি আমদানির জন্য পাকিস্তানের কাছে অনুরোধ জানানো হবে।

জুলাইয়ে পাকিস্তানি মন্ত্রী পর্যায়ের কয়েকটি সফর হয়েছে, যা দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে নতুন দিক যুক্ত করেছে। এর আগে, এপ্রিলে পররাষ্ট্র সচিব আমনা বালুচ ঢাকায় এসেছিলেন, পরে বাণিজ্যমন্ত্রী জাম কামাল খান ও উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দারও ঢাকা সফর করেন। এসব সফর ও বৈঠকগুলো সম্পর্কের নতুন দিশা দেখিয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

আমাকে রেখে আমার পা জান্নাতে চলে গেছে: ফিলিস্তিনি কিশোরী

২০ বছর পর বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জে.সি. বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে

প্রকাশিতঃ ১০:৪৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

বিশ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের (জেএসি) নবম বৈঠক। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক আগামী ২৭ অক্টোবর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী আহাদ খান চিমা ঢাকায় পৌঁছেছেন।

বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, অন্যদিকে পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী আহাদ খান চিমা থাকবেন প্রধান আলোচক। এই বৈঠকে দুই দেশ দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য সহযোগিতা, বিনিয়োগ ও বিভিন্ন খাতে উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে আলোচনা হবে।

আফরাছ সফরকালে শেখ বশিরউদ্দীনের কাছ থেকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বিষয়ে আলাপ করার পাশাপাশি তিনি অন্যান্য বৈঠকেও অংশ নেবেন। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, এই সফরে দুই দেশের মধ্যে অর্থনীতি ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সৌজন্য সাক্ষাৎ ও আলোচনা হবে।

প্রাক্তন শেষ বৈঠকটি ২০০৫ সালে ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে, এই বৈঠকের সময় পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী আহাদ খান চিমা পাকিস্তানে ফেরার আগে ইসলামাবাদে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবেন। পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী জাম কামাল খানের আমন্ত্রণে তাঁরা এ সফরে অংশ নিবেন।

গত বছরের আগস্টে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর থেকে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে নানা উদ্যোগ ও আলোচনা চলছে। এই আলোচনাগুলোর অংশ হিসেবে, এবারের জেএসি বৈঠকে সরাসরি অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হবে। বিশেষ করে, ব্যবসা ও বাণিজ্য বৃদ্ধি, কৃষিতে সহযোগিতা, অর্থনৈতিক সেবা, ব্যাংকিংসহ অন্যান্য খাতের উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

একজন কর্মকর্তার মতে, বৈঠকে বাংলাদেশের শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধাগুলোর মাধ্যমে চা, পাটজাত পণ্য, মেডিসিন, তৈরি পোশাক, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ইত্যাদি বেশি আমদানির জন্য পাকিস্তানের কাছে অনুরোধ জানানো হবে।

জুলাইয়ে পাকিস্তানি মন্ত্রী পর্যায়ের কয়েকটি সফর হয়েছে, যা দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে নতুন দিক যুক্ত করেছে। এর আগে, এপ্রিলে পররাষ্ট্র সচিব আমনা বালুচ ঢাকায় এসেছিলেন, পরে বাণিজ্যমন্ত্রী জাম কামাল খান ও উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দারও ঢাকা সফর করেন। এসব সফর ও বৈঠকগুলো সম্পর্কের নতুন দিশা দেখিয়েছে।