১১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

স্টেজ থেকে নামার পর মিথিলা কেঁদে ফেললেন: এ আধিকারিক অনুভূতি

থাইল্যান্ডে বিশ্বখ্যাত মিস ইউনিভার্সের ৭৪তম আসর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যেখানে বাংলাদেশের প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করছেন মodel ও অভিনয়শিল্পী তানজিয়া জামান মিথিলা। আজ শনিবার অনুষ্ঠিত হবে কার হাতে উঠছে বিশ্ব সুন্দরীর ঐতিহাসिक মুকুট তা জানা যাবে।

প্রতিযোগীদের প্রতিদিনই নানা রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও সেশন হচ্ছে। গত বুধবার, ১২১টি দেশের প্রতিযোগীরা তাদের নিজ নিজ দেশের ঐতিহ্যবাহী ন্যাশনাল কস্টিউম পরিধান করে হাঁটছিলেন মঞ্চে। এই বিশেষ দিনটির ছবি বেশ কিছুক্ষণ আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন মিথিলা।

তিনি এই প্রতিযোগিতার মঞ্চে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী শাড়ি, জামদানি, পরেছেন। দেশের মূল পোশাক হিসেবে তিনি বেছে নিয়েছেন সাদা জামদানি, যার মধ্যে সুন্দর করে আঁকা বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলার ম motifs রয়েছে। ছবি সহ লিখেছেন, ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের ন্যাশনাল কস্টিউম—‘দ্য কুইন অব বেঙ্গল’।’ এর মাধ্যমে পুরো লুকের বিস্তারিত অবতরণ করেছেন তিনি।

মিথিলা আরো লিখেছেন, ‘মিস ইউনিভার্সের ন্যাশনাল কস্টিউম পর্বের জন্য আমি ঐতিহ্যবাহী জামদানি পরেছি। এটি বাংলার রাজকীয় ঐতিহ্যের জীবন্ত প্রমাণ।’

অন্যদিকে, গত বুধবার দুপুরে ফেসবুক লাইভে মিথিলা তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘ন্যাশনাল কস্টিউম কেমন লাগলো সবাই? আমি আশা করছি সবাই পছন্দ করেছে। এ পোশাকের মাধ্যমে আমি আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। আমি মনে করি, বাংলাদেশকে এইভাবে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার জন্য আমি খুব গর্বিত। এই কস্টিউমে আমি নিজেকে খুবই সুখী লেগেছে। সবাই প্রশংসা করছে।’

মঞ্চ থেকে নামার পরই আবেগে ভেঙে পড়েন মিথিলা। তিনি বলেন, ‘স্টেজ থেকে নামার পর আমার খুবই কান্না পেতে যাচ্ছে। এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। নিজ দেশে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা কত বড় সাহস আর শক্তি নেয়, সেটাই তখন বোঝা যায়।’

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

স্টেজ থেকে নামার পর মিথিলা কেঁদে ফেললেন: এ আধিকারিক অনুভূতি

প্রকাশিতঃ ১১:৫৭:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

থাইল্যান্ডে বিশ্বখ্যাত মিস ইউনিভার্সের ৭৪তম আসর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যেখানে বাংলাদেশের প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করছেন মodel ও অভিনয়শিল্পী তানজিয়া জামান মিথিলা। আজ শনিবার অনুষ্ঠিত হবে কার হাতে উঠছে বিশ্ব সুন্দরীর ঐতিহাসिक মুকুট তা জানা যাবে।

প্রতিযোগীদের প্রতিদিনই নানা রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও সেশন হচ্ছে। গত বুধবার, ১২১টি দেশের প্রতিযোগীরা তাদের নিজ নিজ দেশের ঐতিহ্যবাহী ন্যাশনাল কস্টিউম পরিধান করে হাঁটছিলেন মঞ্চে। এই বিশেষ দিনটির ছবি বেশ কিছুক্ষণ আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন মিথিলা।

তিনি এই প্রতিযোগিতার মঞ্চে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী শাড়ি, জামদানি, পরেছেন। দেশের মূল পোশাক হিসেবে তিনি বেছে নিয়েছেন সাদা জামদানি, যার মধ্যে সুন্দর করে আঁকা বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলার ম motifs রয়েছে। ছবি সহ লিখেছেন, ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের ন্যাশনাল কস্টিউম—‘দ্য কুইন অব বেঙ্গল’।’ এর মাধ্যমে পুরো লুকের বিস্তারিত অবতরণ করেছেন তিনি।

মিথিলা আরো লিখেছেন, ‘মিস ইউনিভার্সের ন্যাশনাল কস্টিউম পর্বের জন্য আমি ঐতিহ্যবাহী জামদানি পরেছি। এটি বাংলার রাজকীয় ঐতিহ্যের জীবন্ত প্রমাণ।’

অন্যদিকে, গত বুধবার দুপুরে ফেসবুক লাইভে মিথিলা তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘ন্যাশনাল কস্টিউম কেমন লাগলো সবাই? আমি আশা করছি সবাই পছন্দ করেছে। এ পোশাকের মাধ্যমে আমি আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। আমি মনে করি, বাংলাদেশকে এইভাবে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার জন্য আমি খুব গর্বিত। এই কস্টিউমে আমি নিজেকে খুবই সুখী লেগেছে। সবাই প্রশংসা করছে।’

মঞ্চ থেকে নামার পরই আবেগে ভেঙে পড়েন মিথিলা। তিনি বলেন, ‘স্টেজ থেকে নামার পর আমার খুবই কান্না পেতে যাচ্ছে। এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। নিজ দেশে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা কত বড় সাহস আর শক্তি নেয়, সেটাই তখন বোঝা যায়।’