০৯:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা: স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন এলডিসির টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর দাবি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মডেল মসজিদ প্রকল্পে দুর্নীতি ‘গর্হিত ও ন্যক্কারজনক’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে সংঘবদ্ধ অপরাধীরা মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালানকে আরও জটিল এবং দ্রুতগতিতে পরিচালনা করছে; সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ‘‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’’ অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে। বুধবার সকালেই রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত জাতীয় অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মন্ত্রী বলেন, অপরাধীদের ক্রমাগত পরিবর্তিত কৌশল বিবেচনায় রেখে বাংলাদেশের আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘সদ্য প্রণীত এই আইন হলো এসব গুরুতর আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবেলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।’’

সালাহউদ্দিন আরও জানান, নতুন আইন অনুসারে তদন্ত ও বিচার কার্যক্রমকে শক্তিশালী করা হবে, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা জোরদার করা হবে এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করা হবে। এছাড়া আইনটি ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে ভুলভাবে অপরাধ চাপিয়ে শাস্তি দেয়ার অনির্ভর পার্থক্য রোধে আন্তর্জাতিক নীতিমালা বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে।

মন্ত্রী প্রতিপাদ্য করেন যে, নতুন আইন বাস্তবায়নে সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিচার বিভাগ, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং নাগরিক সমাজের মধ্যে সমন্বিত ও শক্তিশালী সহযোগিতা অপরিহার্য। সফল বাস্তবায়নের জন্য প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং আন্তঃসংস্থাগত তথ্যবিনিময়সহ একাধিক স্তরের উদ্যোগ দরকার বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার বাংলাদেশ যৌথভাবে আয়োজন করে এবং মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী সভার সভাপতিত্ব করেন। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। এছাড়া পুলিশ, সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিজিবি) ও কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক সহ সরকারের উচ্চপদস্থ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ০২:২৬:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে সংঘবদ্ধ অপরাধীরা মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালানকে আরও জটিল এবং দ্রুতগতিতে পরিচালনা করছে; সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ‘‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’’ অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে। বুধবার সকালেই রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত জাতীয় অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মন্ত্রী বলেন, অপরাধীদের ক্রমাগত পরিবর্তিত কৌশল বিবেচনায় রেখে বাংলাদেশের আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘সদ্য প্রণীত এই আইন হলো এসব গুরুতর আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবেলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।’’

সালাহউদ্দিন আরও জানান, নতুন আইন অনুসারে তদন্ত ও বিচার কার্যক্রমকে শক্তিশালী করা হবে, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা জোরদার করা হবে এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করা হবে। এছাড়া আইনটি ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে ভুলভাবে অপরাধ চাপিয়ে শাস্তি দেয়ার অনির্ভর পার্থক্য রোধে আন্তর্জাতিক নীতিমালা বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে।

মন্ত্রী প্রতিপাদ্য করেন যে, নতুন আইন বাস্তবায়নে সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিচার বিভাগ, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং নাগরিক সমাজের মধ্যে সমন্বিত ও শক্তিশালী সহযোগিতা অপরিহার্য। সফল বাস্তবায়নের জন্য প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং আন্তঃসংস্থাগত তথ্যবিনিময়সহ একাধিক স্তরের উদ্যোগ দরকার বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার বাংলাদেশ যৌথভাবে আয়োজন করে এবং মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী সভার সভাপতিত্ব করেন। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। এছাড়া পুলিশ, সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিজিবি) ও কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক সহ সরকারের উচ্চপদস্থ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।